ঢাকা , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দেশের ৫ জেলায় বন্যার আশঙ্কা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য সুখবর, সহায়তার ঘোষণা দিলেন প্রধানমন্ত্রী প্রার্থনা করি, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক যেন আর ভালো না হয়: আসামের মুখ্যমন্ত্রী বরিশালে হাসপাতালের বেডে শুয়েই অশ্লীলতা দুই সমকামী তরুণীর টিফিনে শিক্ষার্থীদের কাঁচা কলা খাওয়ানো সেই শিক্ষিকা বরখাস্ত প্রেমিকের সঙ্গে থাকার দাবিতে মোবাইল টাওয়ারে উঠলেন বিবাহিত নারী মঙ্গলবার দেশের কোথাও লোডশেডিং হয়নি: বিদ্যুৎ বিভাগ সরকার চাইলে মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করতে পারে: রুমিন ফারহানা দেশের ৩৭৮১৪ পরিবারের নারী প্রধানকে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে টাকা দেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী নাহিদ ইসলাম দুর্নীতি না করলেও নৈতিক অপরাধ করেছেন: রাশেদ খাঁন

সরকার চাইলে মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করতে পারে: রুমিন ফারহানা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৩৭:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

এবার বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করতে সংসদে উত্থাপনের প্রস্তাব করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকার চাইলে এই চুক্তিটি বাতিল করতে পারে। তাই আলোচনার জন্য চুক্তিটি সংসদে আনা হোক। বুধবার স্পিকার হাফিজ উদ্দন আহমদ জাতীয় সংসদ অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে এই প্রস্তাব করেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে রুমিন ফারহানা বলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্যমন্ত্রীর একটি বৈঠক হয়েছে। সেই বৈঠকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত আমেরিকার সঙ্গে সম্পাদিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে বেশ কিছু কথা বলেছেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোদুই দেশের মধ্যে আমদানিরপ্তানির ঘাটতি, বাংলাদেশের কৃষি ও জ্বালানিপণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতি, দেশে ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়ন ও বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য নীতি সংস্কারের বিষয়গুলো রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে যে পরিমাণ পণ্য আমরা রপ্তানি করি, তা নিয়েও কথা বলেছেন তিনি।

রুমিন ফারহানা বলেন, আমেরিকা থেকে বেশি পণ্য আমরা আমদানি করি না। যে কারণে একটা বাণিজ্য ঘাটতি তৈরি হয়েছে। বিরাট এবং এই বাণিজ্য ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যেই বাণিজ্য চুক্তি হয়েছে। কিন্তু আমরা জানি, ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের ঠিক তিন দিন আগে ৯ ফেব্রুয়ারি এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। তখন বাংলাদেশের যারা সুশীল সমাজ আছেন, থিংক ট্যাংক আছেন, তারা বারবার বলেছেন, একটি অনির্বাচিত সরকার এই ধরনের চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারে না এবং এই চুক্তিতে অনেকগুলো ক্লজ আছে, যেটা বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী। সুতরাং নির্বাচনের পরে যখন একটি নির্বাচিত সরকার আসবে, তখন যেন এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। কিন্তু আমরা দেখলাম, অন্তর্বর্তী সরকার তা শুনল না এবং ৯ ফেব্রুয়ারি এই চুক্তিটি স্বাক্ষর হয়। এই চুক্তির শর্ত অনুযায়ী প্রতিযোগিতামূলক।

এ সময় স্পিকার বলেন, এটি কোনো পয়েন্ট অব অর্ডার হলো না। ৩০১ বিধিতে পড়লে দেখতে পাবেন, পয়েন্ট অব অর্ডার সংসদের চলমান বিষয়ের ওপরে হতে হয়, কিংবা সংসদ কাজে শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য হতে হয়, আপনি একটি নতুন প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন, আপনি নোটিশ দিলে বিবেচনা করে দেখা হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশের ৫ জেলায় বন্যার আশঙ্কা

সরকার চাইলে মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করতে পারে: রুমিন ফারহানা

আপডেট সময় ০১:৩৭:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

এবার বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করতে সংসদে উত্থাপনের প্রস্তাব করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া২ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকার চাইলে এই চুক্তিটি বাতিল করতে পারে। তাই আলোচনার জন্য চুক্তিটি সংসদে আনা হোক। বুধবার স্পিকার হাফিজ উদ্দন আহমদ জাতীয় সংসদ অধিবেশনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে এই প্রস্তাব করেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে রুমিন ফারহানা বলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্যমন্ত্রীর একটি বৈঠক হয়েছে। সেই বৈঠকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত আমেরিকার সঙ্গে সম্পাদিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে বেশ কিছু কথা বলেছেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলোদুই দেশের মধ্যে আমদানিরপ্তানির ঘাটতি, বাংলাদেশের কৃষি ও জ্বালানিপণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতি, দেশে ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়ন ও বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য নীতি সংস্কারের বিষয়গুলো রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে যে পরিমাণ পণ্য আমরা রপ্তানি করি, তা নিয়েও কথা বলেছেন তিনি।

রুমিন ফারহানা বলেন, আমেরিকা থেকে বেশি পণ্য আমরা আমদানি করি না। যে কারণে একটা বাণিজ্য ঘাটতি তৈরি হয়েছে। বিরাট এবং এই বাণিজ্য ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যেই বাণিজ্য চুক্তি হয়েছে। কিন্তু আমরা জানি, ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের ঠিক তিন দিন আগে ৯ ফেব্রুয়ারি এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। তখন বাংলাদেশের যারা সুশীল সমাজ আছেন, থিংক ট্যাংক আছেন, তারা বারবার বলেছেন, একটি অনির্বাচিত সরকার এই ধরনের চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারে না এবং এই চুক্তিতে অনেকগুলো ক্লজ আছে, যেটা বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী। সুতরাং নির্বাচনের পরে যখন একটি নির্বাচিত সরকার আসবে, তখন যেন এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। কিন্তু আমরা দেখলাম, অন্তর্বর্তী সরকার তা শুনল না এবং ৯ ফেব্রুয়ারি এই চুক্তিটি স্বাক্ষর হয়। এই চুক্তির শর্ত অনুযায়ী প্রতিযোগিতামূলক।

এ সময় স্পিকার বলেন, এটি কোনো পয়েন্ট অব অর্ডার হলো না। ৩০১ বিধিতে পড়লে দেখতে পাবেন, পয়েন্ট অব অর্ডার সংসদের চলমান বিষয়ের ওপরে হতে হয়, কিংবা সংসদ কাজে শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য হতে হয়, আপনি একটি নতুন প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন, আপনি নোটিশ দিলে বিবেচনা করে দেখা হবে।