ঢাকা , শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দুই দশকেও উপকূলীয় নারী শ্রমিকদের মজুরি বৈষম্য ঘোচেনি লুটেরাদের হাতে ব্যাংক ফিরিয়ে দিলে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন শ্রমিকরা সংসদে সুগার মিল নিয়ে আমির হামজার বক্তব্যের প্রতিবাদে মানববন্ধন একটি হয়েছে ১৫ বছরের দুর্নীতি আর ১৮ মাস ভুল নীতি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মেয়ের বিয়ের পাত্র নিয়ে পালালেন মা যুক্তরাষ্ট্রে নিহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্ব, বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ২০ ইরান বিশ্বকাপে অংশ নেবে কি না, জানালেন ফিফা সভাপতি ঢাকা দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে সাদিক কায়েমকে প্রার্থী ঘোষণা একাত্তরের জামায়াত ও বর্তমান জামায়াত এক নয়: মিয়া গোলাম পরওয়ার

‘গাজায় চুক্তি করুন’ গভীর রাতে ইসরায়েলকে ‘ধমক’ দিয়ে ট্রাম্পের স্ট্যাটাস

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৪৭:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫
  • ৬১৩ বার পড়া হয়েছে

এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন। এবার অনলাইনে প্রকাশিত পোস্টে ইসরায়েলকে একপ্রকার ধমক দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। খবর দ্য টাইমস অব ইসরায়েল। অপহৃত জিম্মিদের ফিরিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে চুক্তিটি করতে ইসরায়েলকে চাপ ও হামাসকে আহ্বান জানান ট্রাম্প।

স্থানীয় সময় রোববার (২৯ জুন) গভীর রাতে (শনিবার দিবাগত রাত) ট্রুথ সোশ্যাল নেটওয়ার্কে ট্রাম্প লিখেন, ‘গাজায় চুক্তি করুন। বন্দিদের ফিরিয়ে আনুন। ডিজেটি’। ওই পোস্টে তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করার জন্য চাপ দেন। এর আগে ট্রাম্প ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, এক সপ্তাহের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে।

এদিকে প্রেক্ষাপটহীন এই পোস্টটি ট্রাম্প ইসরায়েলি প্রসিকিউটরদের নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে মামলা বন্ধ করার জন্য দ্বিতীয়বারের মতো আহ্বান জানানোর কয়েক ঘন্টা পরে এসেছে। যেখানে বলা হয়েছে, তিনি এখন হামাসের সঙ্গে একটি চুক্তি নিয়ে আলোচনার প্রক্রিয়াধীন। যার মধ্যে বন্দিদের ফিরিয়ে আনা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

এদিকে গাজা যুদ্ধবিরতি নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আশাবাদী মন্তব্য করায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলি কর্মকর্তারা। তারা এ বক্তব্যকে ‘রাজনৈতিক কল্পনাবিলাস’ হিসেবে উল্লেখ করেন। যুদ্ধবিরতি এবং বন্দিবিনিময় নিয়ে যুক্ত আলোচনায় থাকা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইসরায়েলি কর্মকর্তা রোববার (২৯ জুন) জানান, হামাস ও ইসরায়েলের নেতানিয়াহু সরকারের মধ্যে অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি। ফলে আপাতত যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা অনিশ্চিতই রয়ে গেছে।

তারা আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন একটি পূর্ণ চুক্তিকে সমর্থন করে। যে চুক্তিতে যুদ্ধবিরতি, ইসরায়েলি বন্দিদের মুক্তি এবং যুদ্ধের শেষ থাকবে। যাতে ওই অঞ্চলে সম্পর্ক স্বাভাবিককরণ প্রক্রিয়া আরও বিস্তৃত করা সম্ভব হয়। সম্প্রতি ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা মনে করি, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই যুদ্ধবিরতি হবে।’ তবে হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারাও স্বীকার করেছেন, ট্রাম্প এই বক্তব্য কোন ভিত্তিতে দিয়েছেন, তা তারা জানেন না।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দুই দশকেও উপকূলীয় নারী শ্রমিকদের মজুরি বৈষম্য ঘোচেনি

‘গাজায় চুক্তি করুন’ গভীর রাতে ইসরায়েলকে ‘ধমক’ দিয়ে ট্রাম্পের স্ট্যাটাস

আপডেট সময় ০১:৪৭:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫

এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন। এবার অনলাইনে প্রকাশিত পোস্টে ইসরায়েলকে একপ্রকার ধমক দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। খবর দ্য টাইমস অব ইসরায়েল। অপহৃত জিম্মিদের ফিরিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে চুক্তিটি করতে ইসরায়েলকে চাপ ও হামাসকে আহ্বান জানান ট্রাম্প।

স্থানীয় সময় রোববার (২৯ জুন) গভীর রাতে (শনিবার দিবাগত রাত) ট্রুথ সোশ্যাল নেটওয়ার্কে ট্রাম্প লিখেন, ‘গাজায় চুক্তি করুন। বন্দিদের ফিরিয়ে আনুন। ডিজেটি’। ওই পোস্টে তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে স্বাক্ষর করার জন্য চাপ দেন। এর আগে ট্রাম্প ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, এক সপ্তাহের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে।

এদিকে প্রেক্ষাপটহীন এই পোস্টটি ট্রাম্প ইসরায়েলি প্রসিকিউটরদের নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে মামলা বন্ধ করার জন্য দ্বিতীয়বারের মতো আহ্বান জানানোর কয়েক ঘন্টা পরে এসেছে। যেখানে বলা হয়েছে, তিনি এখন হামাসের সঙ্গে একটি চুক্তি নিয়ে আলোচনার প্রক্রিয়াধীন। যার মধ্যে বন্দিদের ফিরিয়ে আনা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

এদিকে গাজা যুদ্ধবিরতি নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আশাবাদী মন্তব্য করায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলি কর্মকর্তারা। তারা এ বক্তব্যকে ‘রাজনৈতিক কল্পনাবিলাস’ হিসেবে উল্লেখ করেন। যুদ্ধবিরতি এবং বন্দিবিনিময় নিয়ে যুক্ত আলোচনায় থাকা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইসরায়েলি কর্মকর্তা রোববার (২৯ জুন) জানান, হামাস ও ইসরায়েলের নেতানিয়াহু সরকারের মধ্যে অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি। ফলে আপাতত যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা অনিশ্চিতই রয়ে গেছে।

তারা আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন একটি পূর্ণ চুক্তিকে সমর্থন করে। যে চুক্তিতে যুদ্ধবিরতি, ইসরায়েলি বন্দিদের মুক্তি এবং যুদ্ধের শেষ থাকবে। যাতে ওই অঞ্চলে সম্পর্ক স্বাভাবিককরণ প্রক্রিয়া আরও বিস্তৃত করা সম্ভব হয়। সম্প্রতি ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা মনে করি, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই যুদ্ধবিরতি হবে।’ তবে হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারাও স্বীকার করেছেন, ট্রাম্প এই বক্তব্য কোন ভিত্তিতে দিয়েছেন, তা তারা জানেন না।