ঢাকা , সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলায় নিহত বেড়ে ৩৫

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:১৫:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলে পাকিস্তানের বিমান হামলাকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। তালেবান সরকারের দাবি, একই স্থানে দুই দফা বোমাবর্ষণে প্রাণ গেছে শিশু ও বৃদ্ধসহ অন্তত ৩৫ বেসামরিক মানুষের।

আফগানিস্তানের পূর্ব সীমান্তে পাকিস্তানের চালানো কথিত ‘ডাবল-ট্যাপ’ বিমান হামলায় অন্তত ৩৫ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নিহতদের মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধও রয়েছেন বলে জানিয়েছে তালেবান সরকার।

তালেবানের দাবি, রোববার দিবাগত রাতে পাক্তিকা, পাক্তিয়া ও কুনার প্রদেশের কয়েকটি আবাসিক এলাকা ও মসজিদে প্রথম দফায় বোমাবর্ষণ করে পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান। প্রায় ২৫ মিনিট পর আহতদের উদ্ধারে স্থানীয় মানুষ ছুটে এলে একই স্থানে দ্বিতীয় দফায় আবারও হামলা চালানো হয়। এই কৌশলকেই সামরিক পরিভাষায় ‘ডাবল-ট্যাপ’ হামলা বলা হয়।

তালেবানের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ এ ঘটনাকে ‘বর্বর আগ্রাসন’ ও ‘যুদ্ধাপরাধ’ আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তার দাবি, হামলায় ৪ থেকে ৯ বছর বয়সী শিশুসহ বহু নিরীহ মানুষ নিহত হয়েছেন।

তবে পাকিস্তান বলছে, এই অভিযান ছিল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান। দেশটির তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারারের দাবি, নিষিদ্ধ সংগঠন জামাত-উল-আহরার ও টিটিপি-সংশ্লিষ্ট আস্তানায় হামলা চালিয়ে ২৯ জন সশস্ত্র যোদ্ধাকে হত্যা করা হয়েছে।

এই ঘটনার পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। একই সঙ্গে সীমান্তে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলায় নিহত বেড়ে ৩৫

আপডেট সময় ০১:১৫:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলে পাকিস্তানের বিমান হামলাকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। তালেবান সরকারের দাবি, একই স্থানে দুই দফা বোমাবর্ষণে প্রাণ গেছে শিশু ও বৃদ্ধসহ অন্তত ৩৫ বেসামরিক মানুষের।

আফগানিস্তানের পূর্ব সীমান্তে পাকিস্তানের চালানো কথিত ‘ডাবল-ট্যাপ’ বিমান হামলায় অন্তত ৩৫ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। নিহতদের মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধও রয়েছেন বলে জানিয়েছে তালেবান সরকার।

তালেবানের দাবি, রোববার দিবাগত রাতে পাক্তিকা, পাক্তিয়া ও কুনার প্রদেশের কয়েকটি আবাসিক এলাকা ও মসজিদে প্রথম দফায় বোমাবর্ষণ করে পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান। প্রায় ২৫ মিনিট পর আহতদের উদ্ধারে স্থানীয় মানুষ ছুটে এলে একই স্থানে দ্বিতীয় দফায় আবারও হামলা চালানো হয়। এই কৌশলকেই সামরিক পরিভাষায় ‘ডাবল-ট্যাপ’ হামলা বলা হয়।

তালেবানের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ এ ঘটনাকে ‘বর্বর আগ্রাসন’ ও ‘যুদ্ধাপরাধ’ আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তার দাবি, হামলায় ৪ থেকে ৯ বছর বয়সী শিশুসহ বহু নিরীহ মানুষ নিহত হয়েছেন।

তবে পাকিস্তান বলছে, এই অভিযান ছিল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান। দেশটির তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারারের দাবি, নিষিদ্ধ সংগঠন জামাত-উল-আহরার ও টিটিপি-সংশ্লিষ্ট আস্তানায় হামলা চালিয়ে ২৯ জন সশস্ত্র যোদ্ধাকে হত্যা করা হয়েছে।

এই ঘটনার পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। একই সঙ্গে সীমান্তে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।