ঢাকা , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ব্যভিচারের মামলায় খালাস পেলেন নাসির-তামিমা শান্তিরক্ষায় ভবিষ্যতের মিশনগুলো হবে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর: প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনে টাকা দিয়েছে ইসলামী ব্যাংক, প্রমাণ করতে পারলে তাকে মেডেল দেব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্দেশে জামায়াত আমির ৭  মাসে দেশ কেঁপেছে ৩০ বার: ঢাকার ৬ লাখ ভবনের ৪০ শতাংশ ভূমিকম্পে ঝুঁকিপূর্ণ মধ্যপ্রাচ্যের ২১টি মার্কিন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ইরানের হামলা  যুক্তরাষ্ট্রের এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করল ইরান আজ নাসির-তামিমার বিয়ে মামলার রায়, দোষ প্রমাণ হলে হতে পারে ৭ বছরের কারাদণ্ড রামিসার পাশের বাসা থেকে পাঁচ বছরের শিশু নিখোঁজ, চার দিনেও মেলেনি খোঁজ জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলা, সাইরেন বাজছে কুয়েতেও বাংলাদেশে সাড়ে ৮ হাজার অবৈধ ভারতীয় নাগরিক, চাকরী করছেন বিভিন্ন সেক্টরে

গ্রেপ্তার জাসদ নেতাকে থানায় সমাদর’, ওসিসহ তিন কর্মকর্তা প্রত্যাহার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:১৩:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫
  • ৬৩৫ বার পড়া হয়েছে

বগুড়ার নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাহারুল ইসলামসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

এর আগে জাসদ নেতা ও বগুড়া-৪ আসনের সাবেক এমপি রেজাউল করিম তানসেনের ছোট ভাই মাহবুবর রহমান রুস্তমকে থানায় সমাদর করার অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রত্যাহার করা কর্মকর্তাদের মধ্যে নন্দীগ্রাম থানার ওসি মোজাহারুল ইসলামকে রাজশাহী রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্সে (আরআরএফ) সংযুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবু মুসাকে গাবতলী থানায় বদলি এবং থানার এসআই নাজমুল হককে বগুড়া পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে ২৬ আগস্ট রাতে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি ও বগুড়ার পুলিশ সুপারের সই করা এক আদেশে তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়। যদিও বগুড়া পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা বলেন, ‘জাসদ নেতার গ্রেপ্তারের সঙ্গে ওসিসহ তিন কর্মকর্তার প্রত্যাহারের কোনো সম্পর্ক নেই। থানা-পুলিশকে পুনর্বিন্যাস করা হচ্ছে, যাতে জনগণ ভালো সেবা পান।’

এদিকে বগুড়া জেলা পুলিশের সূত্র জানায়, ২৪ আগস্ট সকালে স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা সাবরেজিস্ট্রি অফিসের সামনে থেকে রুস্তমকে আটক করে থানায় সোপর্দ করেন। পরদিন তাঁকে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে দায়ের হওয়া মারধর ও বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে দায়েরকৃত মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

নন্দীগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন সরকার বলেন, ‘রুস্তমকে থানা থেকে কোর্টে পাঠানোর পরিবর্তে পুলিশ সময়ক্ষেপণ করেছে। রাত ১২টার পর জানতে পারি তাকে থানায় সমাদর করা হচ্ছে। পরে আমাদের নেতা-কর্মীরা থানায় গেলে পরদিন তাকে আদালতে পাঠানো হয়।’

এ বিষয়ে নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) দায়িত্বে থাকা এসআই সাইফুল ইসলাম জানান, মাহবুবর রহমান রুস্তমের নামে থানায় কোনো মামলা ছিল না। এক মামলায় রুস্তম আলী নামে একজনকে আসামি করা হয়েছিল, কিন্তু বাবার নাম না মিলায় সময় লেগেছে। বাবার নাম ও আসামির নামের মিল না থাকার কারণে রুস্তমকে জানুয়ারিতে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্যভিচারের মামলায় খালাস পেলেন নাসির-তামিমা

গ্রেপ্তার জাসদ নেতাকে থানায় সমাদর’, ওসিসহ তিন কর্মকর্তা প্রত্যাহার

আপডেট সময় ০৮:১৩:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

বগুড়ার নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাহারুল ইসলামসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

এর আগে জাসদ নেতা ও বগুড়া-৪ আসনের সাবেক এমপি রেজাউল করিম তানসেনের ছোট ভাই মাহবুবর রহমান রুস্তমকে থানায় সমাদর করার অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রত্যাহার করা কর্মকর্তাদের মধ্যে নন্দীগ্রাম থানার ওসি মোজাহারুল ইসলামকে রাজশাহী রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্সে (আরআরএফ) সংযুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবু মুসাকে গাবতলী থানায় বদলি এবং থানার এসআই নাজমুল হককে বগুড়া পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে ২৬ আগস্ট রাতে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি ও বগুড়ার পুলিশ সুপারের সই করা এক আদেশে তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়। যদিও বগুড়া পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা বলেন, ‘জাসদ নেতার গ্রেপ্তারের সঙ্গে ওসিসহ তিন কর্মকর্তার প্রত্যাহারের কোনো সম্পর্ক নেই। থানা-পুলিশকে পুনর্বিন্যাস করা হচ্ছে, যাতে জনগণ ভালো সেবা পান।’

এদিকে বগুড়া জেলা পুলিশের সূত্র জানায়, ২৪ আগস্ট সকালে স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা সাবরেজিস্ট্রি অফিসের সামনে থেকে রুস্তমকে আটক করে থানায় সোপর্দ করেন। পরদিন তাঁকে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে দায়ের হওয়া মারধর ও বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে দায়েরকৃত মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

নন্দীগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন সরকার বলেন, ‘রুস্তমকে থানা থেকে কোর্টে পাঠানোর পরিবর্তে পুলিশ সময়ক্ষেপণ করেছে। রাত ১২টার পর জানতে পারি তাকে থানায় সমাদর করা হচ্ছে। পরে আমাদের নেতা-কর্মীরা থানায় গেলে পরদিন তাকে আদালতে পাঠানো হয়।’

এ বিষয়ে নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) দায়িত্বে থাকা এসআই সাইফুল ইসলাম জানান, মাহবুবর রহমান রুস্তমের নামে থানায় কোনো মামলা ছিল না। এক মামলায় রুস্তম আলী নামে একজনকে আসামি করা হয়েছিল, কিন্তু বাবার নাম না মিলায় সময় লেগেছে। বাবার নাম ও আসামির নামের মিল না থাকার কারণে রুস্তমকে জানুয়ারিতে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়