ঢাকা , সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
৬৬৬ কোটি টাকার করের রায় স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণের ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ নিয়ে সন্ধ্যা লাইভে আসছেন আসিফ মাহমুদ সন্ত্রাস দমনে ক্রসফায়ারের পথে যাবে না সরকার: আইনমন্ত্রী মাগুরায় সাকিবের বাড়িতে শুরু হয়েছে সংস্কার কাজ হাসিনা অসুস্থতার কারণে তাকে সংবাদ সম্মেলন দেখা যায় না: আসিফ নজরুল পশ্চিমবঙ্গে ২৫২ টি মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ ডাকসুর সংগ্রহশালা থেকে জিন্নাহর ছবি সরাতে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছে ছাত্রদল আসিফ মাহমুদ অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আ.লীগ ব্যবসায়ী ও এমপিদের প্রটেকশন দিয়েছে: রাশেদ খাঁন এআই না জানলে মুসলিমরা পিছিয়ে পড়বে: মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে যথাযথ মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানানো হয়নি: স্পিকার

গ্রেপ্তার জাসদ নেতাকে থানায় সমাদর’, ওসিসহ তিন কর্মকর্তা প্রত্যাহার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:১৩:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫
  • ৬৮৩ বার পড়া হয়েছে

বগুড়ার নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাহারুল ইসলামসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

এর আগে জাসদ নেতা ও বগুড়া-৪ আসনের সাবেক এমপি রেজাউল করিম তানসেনের ছোট ভাই মাহবুবর রহমান রুস্তমকে থানায় সমাদর করার অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রত্যাহার করা কর্মকর্তাদের মধ্যে নন্দীগ্রাম থানার ওসি মোজাহারুল ইসলামকে রাজশাহী রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্সে (আরআরএফ) সংযুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবু মুসাকে গাবতলী থানায় বদলি এবং থানার এসআই নাজমুল হককে বগুড়া পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে ২৬ আগস্ট রাতে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি ও বগুড়ার পুলিশ সুপারের সই করা এক আদেশে তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়। যদিও বগুড়া পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা বলেন, ‘জাসদ নেতার গ্রেপ্তারের সঙ্গে ওসিসহ তিন কর্মকর্তার প্রত্যাহারের কোনো সম্পর্ক নেই। থানা-পুলিশকে পুনর্বিন্যাস করা হচ্ছে, যাতে জনগণ ভালো সেবা পান।’

এদিকে বগুড়া জেলা পুলিশের সূত্র জানায়, ২৪ আগস্ট সকালে স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা সাবরেজিস্ট্রি অফিসের সামনে থেকে রুস্তমকে আটক করে থানায় সোপর্দ করেন। পরদিন তাঁকে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে দায়ের হওয়া মারধর ও বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে দায়েরকৃত মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

নন্দীগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন সরকার বলেন, ‘রুস্তমকে থানা থেকে কোর্টে পাঠানোর পরিবর্তে পুলিশ সময়ক্ষেপণ করেছে। রাত ১২টার পর জানতে পারি তাকে থানায় সমাদর করা হচ্ছে। পরে আমাদের নেতা-কর্মীরা থানায় গেলে পরদিন তাকে আদালতে পাঠানো হয়।’

এ বিষয়ে নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) দায়িত্বে থাকা এসআই সাইফুল ইসলাম জানান, মাহবুবর রহমান রুস্তমের নামে থানায় কোনো মামলা ছিল না। এক মামলায় রুস্তম আলী নামে একজনকে আসামি করা হয়েছিল, কিন্তু বাবার নাম না মিলায় সময় লেগেছে। বাবার নাম ও আসামির নামের মিল না থাকার কারণে রুস্তমকে জানুয়ারিতে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

৬৬৬ কোটি টাকার করের রায় স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণের

গ্রেপ্তার জাসদ নেতাকে থানায় সমাদর’, ওসিসহ তিন কর্মকর্তা প্রত্যাহার

আপডেট সময় ০৮:১৩:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

বগুড়ার নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাহারুল ইসলামসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

এর আগে জাসদ নেতা ও বগুড়া-৪ আসনের সাবেক এমপি রেজাউল করিম তানসেনের ছোট ভাই মাহবুবর রহমান রুস্তমকে থানায় সমাদর করার অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় তিন পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রত্যাহার করা কর্মকর্তাদের মধ্যে নন্দীগ্রাম থানার ওসি মোজাহারুল ইসলামকে রাজশাহী রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্সে (আরআরএফ) সংযুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবু মুসাকে গাবতলী থানায় বদলি এবং থানার এসআই নাজমুল হককে বগুড়া পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে ২৬ আগস্ট রাতে রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজি ও বগুড়ার পুলিশ সুপারের সই করা এক আদেশে তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়। যদিও বগুড়া পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা বলেন, ‘জাসদ নেতার গ্রেপ্তারের সঙ্গে ওসিসহ তিন কর্মকর্তার প্রত্যাহারের কোনো সম্পর্ক নেই। থানা-পুলিশকে পুনর্বিন্যাস করা হচ্ছে, যাতে জনগণ ভালো সেবা পান।’

এদিকে বগুড়া জেলা পুলিশের সূত্র জানায়, ২৪ আগস্ট সকালে স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা সাবরেজিস্ট্রি অফিসের সামনে থেকে রুস্তমকে আটক করে থানায় সোপর্দ করেন। পরদিন তাঁকে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে দায়ের হওয়া মারধর ও বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে দায়েরকৃত মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

নন্দীগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন সরকার বলেন, ‘রুস্তমকে থানা থেকে কোর্টে পাঠানোর পরিবর্তে পুলিশ সময়ক্ষেপণ করেছে। রাত ১২টার পর জানতে পারি তাকে থানায় সমাদর করা হচ্ছে। পরে আমাদের নেতা-কর্মীরা থানায় গেলে পরদিন তাকে আদালতে পাঠানো হয়।’

এ বিষয়ে নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) দায়িত্বে থাকা এসআই সাইফুল ইসলাম জানান, মাহবুবর রহমান রুস্তমের নামে থানায় কোনো মামলা ছিল না। এক মামলায় রুস্তম আলী নামে একজনকে আসামি করা হয়েছিল, কিন্তু বাবার নাম না মিলায় সময় লেগেছে। বাবার নাম ও আসামির নামের মিল না থাকার কারণে রুস্তমকে জানুয়ারিতে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়