এবার ফিফা বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলবে—এমন আশা আজও স্বপ্নের রাজ্যেই ঘুরপাক খায়। বিশ্বকাপের দীর্ঘ ইতিহাসে লাল-সবুজের অংশগ্রহণ সীমাবদ্ধ থেকেছে কেবল বাছাইপর্বের লড়াইয়ে। তবু বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর মুখে যখন শোনা যায় বাংলাদেশের প্রতি শুভকামনা, তখন সেই স্বপ্নে যেন খানিক আলোর রেখা জ্বলে ওঠে।
গত বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) কাতারে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপের ফাইনালে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে খেলতে নামে পর্তুগাল। ম্যাচটি উপভোগ করতে স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিলেন ইনফান্তিনো। ঠিক সেখানেই এক প্রবাসী বাংলাদেশির ধারণ করা ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়— “এগিয়ে চলো বাংলাদেশ। বিশ্বকাপে তোমার অপেক্ষায় আছি।”
বাংলাদেশি সমর্থকের করা একটি ভিডিওতে ফিফা সভাপতির এমন বার্তা শুনে প্রশ্ন জাগতেই পারে—যে দেশ এখনও বিশ্বকাপে মূল পর্বের স্বপ্নই দেখে, তাকে ঘিরে এমন প্রত্যাশা কেন? ইনফান্তিনো কি জানেন না বাংলাদেশ বিশ্বকাপে খেলে না?
আসলে এ শুভকামনার পেছনে আছে আরেক গল্প। মাঠে না দেখে থেকেও বিশ্বকাপ যে প্রাণ পেতে পারে, তা প্রমাণ করেছে বাংলাদেশ ২০২২ সালের আসরে। সেই সময় বাংলাদেশি সমর্থকদের আবেগ, উন্মাদনা ও হৃদয়ছোঁয়া উদযাপন নজর কেড়েছিল পুরো বিশ্বের। আর্জেন্টিনা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর তো বাংলাদেশিদের প্রতি ধন্যবাদ জানাতে ভুলেনি আলবিসেলেস্তারা। এমনকি তাদের গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্টিনেজও ঘুরে গেছেন ঢাকায়। ফুটবলের এই গভীর আবেগ আর অটুট সমর্থনের দিকেই হয়তো ইঙ্গিত করেছেন ইনফান্তিনো। তাই তার মুখে শোনা সেই বার্তা—বাংলাদেশকে বিশ্বকাপে দেখার প্রত্যাশা—মাঠের বাস্তবতার চেয়েও বড় হয়ে ওঠে সমর্থকদের ভালোবাসায়।

ডেস্ক রিপোর্ট 

























