এবার জুলাই অভ্যুত্থানের মামলায় বৃহস্পতিবার অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য ছিলো সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও রাশেদ খান মেনন। কিন্তু বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালেই পিজি হাসপাতাল থেকে ট্রাইব্যুনালে জানানো হয় ট্রাইব্যুনালে আসতে চাচ্ছেন না কামরুল ইসলাম। এর দুঘণ্টা পর যখন কামরুল ইসলামকে আনা হয় ট্রাইব্যুনালে। এজলাসে তোলার পর তাদের বিচারক জিজ্ঞেস করেন তারা দোষী না নির্দোষ। পরে তারা তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন। সব শুনে ট্রাইব্যুনাল বিচার শুরুর আদেশ দেন।
এদিকে পিজি হাসপাতাল থেকে এভার কেয়ারে যেতে মিথ্যা মেডিকেল রিপোর্ট দাখিল করেন কামরুল ইসলাম। এ বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম জানান, জেল হাজতে থাকলেও সিঙ্গাপুরে ও কেরানীগঞ্জে চিকিৎসার কাগজপত্র সাবমিট করেছে কামরুল ইসলামের আইনজীবীরা।
রিপোর্ট থেকে দেখে চটে যান হাইকোর্ট। ডাক্তার আসল কিনা তা পরীক্ষা করতে বলা হয়। সেই সঙ্গে কাগজে অসঙ্গতি থাকায় এভারকেয়ার হাসপাতালে সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামের চিকিৎসার আবেদন বাতিল করেছেন ট্রাইব্যুনাল, পিজি হাসপাতালেই চলবে তার চিকিৎসা।
জুলাই আন্দোলনের বিচার নিয়ে ওঠা অভিযোগ তদন্ত গঠিত ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির আরও সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর। সেই সাথে তিনি বলেন অভিযোগ যদি তদন্ত সংস্থা কারও বিরুদ্ধে ওঠে তিনিও রেহাই পাবেন না।

ডেস্ক রিপোর্ট 




















