ঢাকা , রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ঘরজামাই দত্তক নিচ্ছে জাপানের ধনী পরিবারগুলো, আবেদন করতে পারবে বাংলাদেশিরাও ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিমুক্ত করার আহ্বান স্পিকারের যুবদল নেতা নয়নের ‘দাড়িওয়ালাদের আস্তানা’ স্লোগানের প্রতিবাদ জামায়াতের পাকিস্তানের ‘স্বৈরাচারীদের’ রুখে দেওয়ার আহ্বান ইমরান খানের ছেলের বাবার কষ্টের দিন শেষ করার স্বপ্ন, নিয়োগের আগেই থামল সোহানের পথ কেউ চাঁদা চাইলে থানায় সোপর্দ করবেন: ধর্মমন্ত্রী এবার মোহাম্মদপুরে জমি দখলের চেষ্টা, অফিসে হামলা-ভাঙচুর নিরাপত্তা জোরদারে সামরিক সরঞ্জাম নিরাপদ স্থানে সরাল ইরান একতরফা সামরিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে চীন, ফিলিস্তিন ইস্যুতে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের জোরালো আহ্বান বর্তমান সরকার যুবকদের লুটতরাজের জন্য দলীয় ক্যাডার বানাচ্ছে: সাবেক শিবির সভাপতি

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে পূর্ণ সমর্থন গুতেরেসের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৪২:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩৫২ বার পড়া হয়েছে

এবার বাংলাদেশের চলমান গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও সংস্কার কার্যক্রমে পূর্ণ সমর্থন ও সংহতি প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। সোমবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন। বৈঠকে রাজনৈতিক সংস্কার, ফেব্রুয়ারিতে নির্ধারিত জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি, জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত নৃশংসতার দায় নির্ধারণ, সুরক্ষা-শুল্ক নীতির কারণে বৈশ্বিক বাণিজ্য উদ্বেগ এবং ৩০ সেপ্টেম্বর শুরু হতে যাওয়া আন্তর্জাতিক রোহিঙ্গা সম্মেলনসহ নানামুখী বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রধান উপদেষ্টা মহাসচিবকে জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ইতিমধ্যেই বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি বলেন, ‘আগামী কয়েক মাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচনের জন্য আমাদের আপনাদের সমর্থন প্রয়োজন।’
এসময় ড. ইউনূস বলেন, ‘পতিত সরকার ও তাদের মিত্ররা চুরি করা সম্পদ ব্যবহার করে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির জন্য ভুয়া প্রচারণা চালাচ্ছে। তারা ফেব্রুয়ারির নির্বাচন চায় না।

কিছু আন্তর্জাতিক পক্ষও তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে।’ এর জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরেস বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও সংস্কার এজেন্ডায় জাতিসংঘের দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে বৈশ্বিক পর্যায়ে জাতিসংঘের প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি গত ১৪ মাসে প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, ‘বাংলাদেশের এই কঠিন উত্তরণকে তিনি শ্রদ্ধা ও সম্মানের সঙ্গে দেখেন।’ প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস আসন্ন আন্তর্জাতিক রোহিঙ্গা সম্মেলন আয়োজনের জন্য মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘এ সম্মেলন সংকটকে বৈশ্বিক আলোচনায় প্রাধান্য দেবে এবং শিবিরে জরুরি মানবিক সহায়তার জন্য অর্থ সংগ্রহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’ জাতিসংঘ মহাসচিবও রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ঘরজামাই দত্তক নিচ্ছে জাপানের ধনী পরিবারগুলো, আবেদন করতে পারবে বাংলাদেশিরাও

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে পূর্ণ সমর্থন গুতেরেসের

আপডেট সময় ১০:৪২:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

এবার বাংলাদেশের চলমান গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও সংস্কার কার্যক্রমে পূর্ণ সমর্থন ও সংহতি প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। সোমবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন। বৈঠকে রাজনৈতিক সংস্কার, ফেব্রুয়ারিতে নির্ধারিত জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি, জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত নৃশংসতার দায় নির্ধারণ, সুরক্ষা-শুল্ক নীতির কারণে বৈশ্বিক বাণিজ্য উদ্বেগ এবং ৩০ সেপ্টেম্বর শুরু হতে যাওয়া আন্তর্জাতিক রোহিঙ্গা সম্মেলনসহ নানামুখী বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রধান উপদেষ্টা মহাসচিবকে জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ইতিমধ্যেই বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি বলেন, ‘আগামী কয়েক মাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচনের জন্য আমাদের আপনাদের সমর্থন প্রয়োজন।’
এসময় ড. ইউনূস বলেন, ‘পতিত সরকার ও তাদের মিত্ররা চুরি করা সম্পদ ব্যবহার করে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির জন্য ভুয়া প্রচারণা চালাচ্ছে। তারা ফেব্রুয়ারির নির্বাচন চায় না।

কিছু আন্তর্জাতিক পক্ষও তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে।’ এর জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরেস বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও সংস্কার এজেন্ডায় জাতিসংঘের দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে বৈশ্বিক পর্যায়ে জাতিসংঘের প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি গত ১৪ মাসে প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, ‘বাংলাদেশের এই কঠিন উত্তরণকে তিনি শ্রদ্ধা ও সম্মানের সঙ্গে দেখেন।’ প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস আসন্ন আন্তর্জাতিক রোহিঙ্গা সম্মেলন আয়োজনের জন্য মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘এ সম্মেলন সংকটকে বৈশ্বিক আলোচনায় প্রাধান্য দেবে এবং শিবিরে জরুরি মানবিক সহায়তার জন্য অর্থ সংগ্রহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’ জাতিসংঘ মহাসচিবও রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।