ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শিক্ষার্থীদের ওপর ‘নির্মমতা’, মোদিকে ক্ষমা চাইতে বললেন রাহুল গান্ধী জামায়াত এমপির ‘দ্বিতীয় বিয়ে’ নিয়ে প্রশ্ন, দ্বিতীয় স্ত্রী ও শ্বশুরের বক্তব্যে অমিল সাদা পোশাক পরে শিক্ষার্থীদের পেটাচ্ছে পুলিশ সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী পদে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন রাশেদ ‘আমার স্বামীর “বিবাহ” নিয়ে কুৎসা রটাচ্ছে, বিরত না থাকলে আইনি ব্যবস্থা নিব’: প্রথম স্ত্রী এখনই জাতীয় দল থেকে বিদায় নিচ্ছেন না মেসি দেশে ফিরলেন না মেসি-ডি পলসহ ৭ ফুটবলার ইরানের বিরুদ্ধে ফের পূর্ণমাত্রায় যুদ্ধ করার মতো ক্ষেপণাস্ত্র নেই যুক্তরাষ্ট্রের ২০৩০ বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত, তবুও বাছাইপর্ব খেলতে হবে আর্জেন্টিনাকে সিসি টিভি লাগান ড্রাইভার, নেপথ্যে ১০ লাখ চাঁদা দাবি: ভাইরাল সেই ভিডিও নিয়ে জামায়াত এমপির বিবৃতি

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে পূর্ণ সমর্থন গুতেরেসের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৪২:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৬৫ বার পড়া হয়েছে

এবার বাংলাদেশের চলমান গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও সংস্কার কার্যক্রমে পূর্ণ সমর্থন ও সংহতি প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। সোমবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন। বৈঠকে রাজনৈতিক সংস্কার, ফেব্রুয়ারিতে নির্ধারিত জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি, জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত নৃশংসতার দায় নির্ধারণ, সুরক্ষা-শুল্ক নীতির কারণে বৈশ্বিক বাণিজ্য উদ্বেগ এবং ৩০ সেপ্টেম্বর শুরু হতে যাওয়া আন্তর্জাতিক রোহিঙ্গা সম্মেলনসহ নানামুখী বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রধান উপদেষ্টা মহাসচিবকে জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ইতিমধ্যেই বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি বলেন, ‘আগামী কয়েক মাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচনের জন্য আমাদের আপনাদের সমর্থন প্রয়োজন।’
এসময় ড. ইউনূস বলেন, ‘পতিত সরকার ও তাদের মিত্ররা চুরি করা সম্পদ ব্যবহার করে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির জন্য ভুয়া প্রচারণা চালাচ্ছে। তারা ফেব্রুয়ারির নির্বাচন চায় না।

কিছু আন্তর্জাতিক পক্ষও তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে।’ এর জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরেস বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও সংস্কার এজেন্ডায় জাতিসংঘের দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে বৈশ্বিক পর্যায়ে জাতিসংঘের প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি গত ১৪ মাসে প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, ‘বাংলাদেশের এই কঠিন উত্তরণকে তিনি শ্রদ্ধা ও সম্মানের সঙ্গে দেখেন।’ প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস আসন্ন আন্তর্জাতিক রোহিঙ্গা সম্মেলন আয়োজনের জন্য মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘এ সম্মেলন সংকটকে বৈশ্বিক আলোচনায় প্রাধান্য দেবে এবং শিবিরে জরুরি মানবিক সহায়তার জন্য অর্থ সংগ্রহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’ জাতিসংঘ মহাসচিবও রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের ওপর ‘নির্মমতা’, মোদিকে ক্ষমা চাইতে বললেন রাহুল গান্ধী

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে পূর্ণ সমর্থন গুতেরেসের

আপডেট সময় ১০:৪২:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

এবার বাংলাদেশের চলমান গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও সংস্কার কার্যক্রমে পূর্ণ সমর্থন ও সংহতি প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। সোমবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন। বৈঠকে রাজনৈতিক সংস্কার, ফেব্রুয়ারিতে নির্ধারিত জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি, জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত নৃশংসতার দায় নির্ধারণ, সুরক্ষা-শুল্ক নীতির কারণে বৈশ্বিক বাণিজ্য উদ্বেগ এবং ৩০ সেপ্টেম্বর শুরু হতে যাওয়া আন্তর্জাতিক রোহিঙ্গা সম্মেলনসহ নানামুখী বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রধান উপদেষ্টা মহাসচিবকে জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ইতিমধ্যেই বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি বলেন, ‘আগামী কয়েক মাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচনের জন্য আমাদের আপনাদের সমর্থন প্রয়োজন।’
এসময় ড. ইউনূস বলেন, ‘পতিত সরকার ও তাদের মিত্ররা চুরি করা সম্পদ ব্যবহার করে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির জন্য ভুয়া প্রচারণা চালাচ্ছে। তারা ফেব্রুয়ারির নির্বাচন চায় না।

কিছু আন্তর্জাতিক পক্ষও তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে।’ এর জবাবে জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরেস বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও সংস্কার এজেন্ডায় জাতিসংঘের দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে বৈশ্বিক পর্যায়ে জাতিসংঘের প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি গত ১৪ মাসে প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, ‘বাংলাদেশের এই কঠিন উত্তরণকে তিনি শ্রদ্ধা ও সম্মানের সঙ্গে দেখেন।’ প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস আসন্ন আন্তর্জাতিক রোহিঙ্গা সম্মেলন আয়োজনের জন্য মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘এ সম্মেলন সংকটকে বৈশ্বিক আলোচনায় প্রাধান্য দেবে এবং শিবিরে জরুরি মানবিক সহায়তার জন্য অর্থ সংগ্রহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’ জাতিসংঘ মহাসচিবও রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।