ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আগামী ২৫ বছর গ্রীষ্মকালে হবে না পবিত্র হজ রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করে গ্রেপ্তার করা প্রয়োজন: নাহিদ ইসলাম  গ্যাস্ট্রিক-ক্যানসার বলে মিথ্যা অসুস্থতার সার্টিফিকেট দিয়েছেন কামরুল ইসলাম: চিফ প্রসিকিউটর মাদকের টাকার জন্য নিজের ঘরের টিনের বেড়া খুলে নিলেন যুবক পুরোনো ছবি দিয়ে অপপ্রচার, বাস্তবে ডুবে যায়নি চট্টগ্রাম: প্রতিমন্ত্রী টানা বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে ৭ হাজার একর জমির ধান, দিশেহারা কৃষকরা তুরস্কে কুরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশি ক্বারীর বিশ্বজয় নিউজিল্যান্ডের মসজিদে ৫১ মুসল্লিকে হত্যা: আদালতে আসামির আপিল খারিজ গণভোটের দাবি বাস্তবায়নে ১১ দলীয় জোটের কর্মসূচি ঘোষণা জামায়াত অপরাধ স্বীকার না করা পর্যন্ত ‘মুক্তিযুদ্ধ কার্ড’ থাকবে: জাহেদ উর রহমান

‘খারাগ দ্বীপে সৈন্য পাঠানো ট্রাম্পের হাতে, ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ইরানের হাতে’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:৩৯:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে

এবার পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি কেন্দ্রখারাগ দ্বীপনিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ধ্বংসাত্মক হুমকির কঠোর ও নজিরবিহীন জবাব দিয়েছে ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, মার্কিন সৈন্যরা যদি ইরানের এই প্রধান তেল টার্মিনালে পা রাখার দুঃসাহস দেখায়, তবে তাদের জীবিত ফিরে যাওয়ার কোনো পথ থাকবে না।

ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরেফ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমএক্স’- (সাবেক টুইটার) এক বিস্ফোরক পোস্টে ট্রাম্পকে সরাসরি আক্রমণ করে লিখেছেন, ‘খারাগ দ্বীপে সৈন্য পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়তো ট্রাম্প নিতে পারেন, কিন্তু তাদের ফিরিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা আর তার হাতে থাকবে না। কারণ, নরক থেকে কেউ কোনোদিন জীবিত ফিরে আসে না।উল্লেখ্য, এই পোস্টের সঙ্গে তিনি মার্কিন পতাকায় মোড়ানো সারিবদ্ধ কফিনের ছবি জুড়ে দিয়ে এক চরম ভীতিকর ও চ্যালেঞ্জিং বার্তা দিয়েছেন।

সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র, তেলকূপ এবং প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র খারাগ দ্বীপসহ সকল জ্বালানি সম্পদসম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্নকরার হুমকি দিয়েছেন। চলতি মাসের শুরুর দিকে মার্কিন সামরিক বাহিনী খারাগ দ্বীপের কিছু সামরিক স্থাপনায় বোমাবর্ষণ করেছে বলে ট্রাম্প দাবি করেন। ইরানের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হিসেবে পরিচিত এই দ্বীপটি বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধের অন্যতম প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

এর আগে দুই সপ্তাহ আগেট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, তিনিভদ্রতা ও সৌজন্যের খাতিরেতখন পর্যন্ত দ্বীপটির তেল অবকাঠামোতে সরাসরি বড় কোনো হামলা চালাননি। তবে তার শর্ত ছিল, ইরানকে অবশ্যই হরমুজ প্রণালী দিয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের পথ উন্মুক্ত ও নিরাপদ রাখতে হবে। অন্যথায় খারাগ দ্বীপকে মানচিত্র থেকে মুছে দেওয়ার প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়ে রেখেছিলেন তিনি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আগামী ২৫ বছর গ্রীষ্মকালে হবে না পবিত্র হজ

‘খারাগ দ্বীপে সৈন্য পাঠানো ট্রাম্পের হাতে, ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ইরানের হাতে’

আপডেট সময় ০২:৩৯:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

এবার পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি কেন্দ্রখারাগ দ্বীপনিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ধ্বংসাত্মক হুমকির কঠোর ও নজিরবিহীন জবাব দিয়েছে ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, মার্কিন সৈন্যরা যদি ইরানের এই প্রধান তেল টার্মিনালে পা রাখার দুঃসাহস দেখায়, তবে তাদের জীবিত ফিরে যাওয়ার কোনো পথ থাকবে না।

ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরেফ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমএক্স’- (সাবেক টুইটার) এক বিস্ফোরক পোস্টে ট্রাম্পকে সরাসরি আক্রমণ করে লিখেছেন, ‘খারাগ দ্বীপে সৈন্য পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়তো ট্রাম্প নিতে পারেন, কিন্তু তাদের ফিরিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা আর তার হাতে থাকবে না। কারণ, নরক থেকে কেউ কোনোদিন জীবিত ফিরে আসে না।উল্লেখ্য, এই পোস্টের সঙ্গে তিনি মার্কিন পতাকায় মোড়ানো সারিবদ্ধ কফিনের ছবি জুড়ে দিয়ে এক চরম ভীতিকর ও চ্যালেঞ্জিং বার্তা দিয়েছেন।

সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্র, তেলকূপ এবং প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র খারাগ দ্বীপসহ সকল জ্বালানি সম্পদসম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্নকরার হুমকি দিয়েছেন। চলতি মাসের শুরুর দিকে মার্কিন সামরিক বাহিনী খারাগ দ্বীপের কিছু সামরিক স্থাপনায় বোমাবর্ষণ করেছে বলে ট্রাম্প দাবি করেন। ইরানের অর্থনীতির প্রাণভোমরা হিসেবে পরিচিত এই দ্বীপটি বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধের অন্যতম প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

এর আগে দুই সপ্তাহ আগেট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, তিনিভদ্রতা ও সৌজন্যের খাতিরেতখন পর্যন্ত দ্বীপটির তেল অবকাঠামোতে সরাসরি বড় কোনো হামলা চালাননি। তবে তার শর্ত ছিল, ইরানকে অবশ্যই হরমুজ প্রণালী দিয়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের পথ উন্মুক্ত ও নিরাপদ রাখতে হবে। অন্যথায় খারাগ দ্বীপকে মানচিত্র থেকে মুছে দেওয়ার প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়ে রেখেছিলেন তিনি।