ঢাকা , সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মক্কায় তৃতীয় হিজরির একটি বিরল কোরআনের পাণ্ডুলিপি প্রদর্শন 

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৪০:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৬৩ বার পড়া হয়েছে

এবার সৌদি আরবের মক্কার হেরা সাংস্কৃতিক এলাকায় পবিত্র কোরআন জাদুঘরে তৃতীয় হিজরি শতাব্দীর একটি বিরল কোরআনের পাণ্ডুলিপি প্রদর্শন করা হচ্ছে। ঐতিহাসিক এই নিদর্শন কোরআনের পাণ্ডুলিপি তৈরির প্রাথমিক পর্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত। রোববার (৩০ আগস্ট) আরব নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রদর্শিত পাণ্ডুলিপিটিতে সূরা মারইয়ামের একটি অংশ রয়েছে, যা প্রাণীর চামড়ার ওপর লাল কালিতে লেখা। লেখাগুলোতে কোনো হরকত বা নুকতা নেই। প্রাচীন যুগে কোরআন লেখার অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল এ ধরনের হরকত ও নুকতাবিহীন লিপি। এই পাণ্ডুলিপির মাধ্যমে কোরআনের লিখনপদ্ধতির ক্রমবিকাশ এবং ইসলামের প্রাথমিক শতাব্দীগুলোতে কোরআন সংরক্ষণ ও লিপিবদ্ধ করার পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পারেন জাদুঘরে আসা দর্শনার্থীরা।

উল্লেখ্য, কোরআন জাদুঘর মক্কার হেরা সাংস্কৃতিক এলাকার অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান। এখানে দর্শনার্থীরা কুরআনের ইতিহাস ও পাণ্ডুলিপি সংরক্ষণের ধারা সম্পর্কে জানার সুযোগ পান। জাদুঘরে রয়েছে নানা ধরনের বিরল পাণ্ডুলিপি, ঐতিহাসিক কুরআন, দৃশ্যপ্রদর্শনী ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার।

একইসঙ্গে জাদুঘরটি হেরা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত হেরা সাংস্কৃতিক এলাকার অংশ, যা দর্শনার্থীদের জন্য ওহি অবতীর্ণ স্থানের সঙ্গে জ্ঞানগত সংযোগ তৈরি করে। এতে মক্কা ও হজযাত্রীদের জন্য ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ হয় এবং আধুনিক উপস্থাপনার মাধ্যমে কুরআনের ঐতিহ্য ও ইতিহাস তুলে ধরা হয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মক্কায় তৃতীয় হিজরির একটি বিরল কোরআনের পাণ্ডুলিপি প্রদর্শন 

আপডেট সময় ০৩:৪০:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

এবার সৌদি আরবের মক্কার হেরা সাংস্কৃতিক এলাকায় পবিত্র কোরআন জাদুঘরে তৃতীয় হিজরি শতাব্দীর একটি বিরল কোরআনের পাণ্ডুলিপি প্রদর্শন করা হচ্ছে। ঐতিহাসিক এই নিদর্শন কোরআনের পাণ্ডুলিপি তৈরির প্রাথমিক পর্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত। রোববার (৩০ আগস্ট) আরব নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রদর্শিত পাণ্ডুলিপিটিতে সূরা মারইয়ামের একটি অংশ রয়েছে, যা প্রাণীর চামড়ার ওপর লাল কালিতে লেখা। লেখাগুলোতে কোনো হরকত বা নুকতা নেই। প্রাচীন যুগে কোরআন লেখার অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল এ ধরনের হরকত ও নুকতাবিহীন লিপি। এই পাণ্ডুলিপির মাধ্যমে কোরআনের লিখনপদ্ধতির ক্রমবিকাশ এবং ইসলামের প্রাথমিক শতাব্দীগুলোতে কোরআন সংরক্ষণ ও লিপিবদ্ধ করার পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পারেন জাদুঘরে আসা দর্শনার্থীরা।

উল্লেখ্য, কোরআন জাদুঘর মক্কার হেরা সাংস্কৃতিক এলাকার অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান। এখানে দর্শনার্থীরা কুরআনের ইতিহাস ও পাণ্ডুলিপি সংরক্ষণের ধারা সম্পর্কে জানার সুযোগ পান। জাদুঘরে রয়েছে নানা ধরনের বিরল পাণ্ডুলিপি, ঐতিহাসিক কুরআন, দৃশ্যপ্রদর্শনী ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার।

একইসঙ্গে জাদুঘরটি হেরা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত হেরা সাংস্কৃতিক এলাকার অংশ, যা দর্শনার্থীদের জন্য ওহি অবতীর্ণ স্থানের সঙ্গে জ্ঞানগত সংযোগ তৈরি করে। এতে মক্কা ও হজযাত্রীদের জন্য ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ হয় এবং আধুনিক উপস্থাপনার মাধ্যমে কুরআনের ঐতিহ্য ও ইতিহাস তুলে ধরা হয়।