ঢাকা , সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জামায়াতের এমপির গাড়িতে হামলা: বিএনপি-ছাত্রদলের ৩ নেতা বহিষ্কার পাকিস্তানের নিজস্ব প্রযুক্তির ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ চট্টগ্রামে যুবদল কর্মীকে গুলি কনটেন্ট ক্রিয়েটর হত্যা মামলায় বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার সমন্বয়কের কাছে চাঁদা দাবি ও জমি দখলের চেষ্টা হুইলচেয়ারে ট্রাইব্যুনালে এসে দীপু মনির সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন অসুস্থ স্বামী অখণ্ড ভারতের অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন এ কে ফজলুল হক: প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্পের নৈশভোজে গুলি: আটক সন্দেহভাজনের পরিচয় শনাক্ত মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়াতে পারে বাংলাদেশ, পূর্বাভাস আইএমএফ’র ফেসবুকে লেখালেখি নিয়ে কুড়িগ্রামে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষে আহত ৬

আওয়ামী লীগ জন্মগতভাবেই ইসলাম বিদ্বেষী: এটিএম আজহারুল ইসলাম

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:০৯:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫
  • ৩২১ বার পড়া হয়েছে

এবার জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, আওয়ামী লীগ জন্মগতভাবেই ইসলাম বিদ্বেষী। কারণ স্বাধীনতার পর তিনমাস ধরে কোনো মসজিদে আজান হয়নি। সকল মাদ্রাসা ও এতিমখানা তারা বন্ধ করে দিয়েছিল। ইসলাম নিধনে এমন কোনো কাজ নেই যে আওয়ামী লীগ করেনি। তারা ইসলামকে শত্রু মনে করেছিল। এ কারণে আলেম-ওলামাদের বিরুদ্ধে সব সময় তারা লেগেছিল। ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা দিয়ে অহেতুক গ্রেপ্তার করে জেলখানায় রেখে নির্যাতন করেছিল। শনিবার বিকেলে রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলা কামিল মাদ্রাসা মাঠে জামায়াতের যুব বিভাগের যুব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, যুবকরা এদেশের সম্পদ এই যুবকরা পারে দেশকে বদলিয়ে দিতে। ১৯৭১ সালে যুবকরা যুদ্ধ করে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছিল। কিন্তু ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের কারণে যুবকরা স্বাধীনতার সুফল ভোগ করতে পারেনি। সেই স্বৈরাচার খুনি আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ২০২৪ এর জুলাই আগস্টে ছাত্র-জনতার সাথে যুবকরা একত্রিত হয়ে আওয়ামী লীগ তাদের দোসরদের তাড়িয়ে বাংলাদেশকে নতুন করে স্বাধীন করেছে। এই স্বাধীনতাকে রক্ষা করতে যুবকদেরকেই প্রধান ভূমিকা পালন করতে হবে। যুবকরা ছাড়া দেশের অগ্রগতি তরান্বিত করা সম্ভব নয়।

এটিএম আজহার আরো বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকতে প্রতিদিন জঙ্গি ধরতো। জঙ্গি নাটক সাজাতো। এখন আর কোনো জঙ্গি পাওয়া যাচ্ছে না তাহলে জঙ্গিরা গেলো কোথায়। আসলেই জঙ্গি নাটকটি ছিল ভারতের প্রেসক্রিপশনে আওয়ামী লীগের ইসলাম নিধনে একটি বড় হাতিয়ার। তারা জঙ্গি নাটক সাজিয়ে আলেম-ওলামাসহ ইসলামিক পক্ষের শক্তিগুলোর নেতৃবৃন্দকে নিঃশেষ করার কৌশল এটে ছিল। তারা মিথ্যা ট্রাইবুনাল বানিয়ে যুদ্ধ অপরাধ নাম দিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ৫ জন নেতাকে ফাঁসির কাছে ঝুলিয়ে এবং পাঁচজনকে জেলখানায় বিনা চিকিৎসায় হত্যা করেছে।

এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, আমি যখন বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল নির্বাচিত হলাম। তার কিছুদিনের মধ্যেই আমাকে ধরে নিয়ে যাওয়া হল। জামিনে বেরিয়ে আসার পরে বাসায় আমাকে গৃহবন্দী করে কোনো মামলা না থাকায় যুদ্ধাপরাধী সাজিয়ে মিথ্যা ট্রাইব্যুনালে মিথ্যা সাক্ষী বানিয়ে ফাঁসির রায় দেওয়া হল। কিন্তু মহান আল্লাহ আমার হায়াত রাখায় আমি নতুনভাবে জীবন ফিরে পেয়েছি।

ভারত প্রসঙ্গে এটিএম আজহার বলেন, তিনদিক দিয়ে বাংলাদেশকে ঘিরে রেখেছে ভারত। ভারত সবসময় নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য বাংলাদেশকে ব্যবহার করতে চায়। এ কারণে তারা ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে পছন্দ করে তাদেরকে দিয়ে তাদের স্বার্থ হাসিলও করেছে। ভারত আমাদের ভালো চাইলে তিস্তার পানি দিত। তারা বন্যার সময় তিস্তায় অতিরিক্ত পানি দিয়ে আমাদের ক্ষতি করে। খরার সময় পানি আটক করে তিস্তাকে মরুভূমি বানায়। ভারত কখনো আমাদের বন্ধু ছিল না কখনো বন্ধু হতে পারেও না। ভারত থেকে আমাদেরকে সাবধান থাকতে হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াতের এমপির গাড়িতে হামলা: বিএনপি-ছাত্রদলের ৩ নেতা বহিষ্কার

আওয়ামী লীগ জন্মগতভাবেই ইসলাম বিদ্বেষী: এটিএম আজহারুল ইসলাম

আপডেট সময় ০৩:০৯:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫

এবার জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, আওয়ামী লীগ জন্মগতভাবেই ইসলাম বিদ্বেষী। কারণ স্বাধীনতার পর তিনমাস ধরে কোনো মসজিদে আজান হয়নি। সকল মাদ্রাসা ও এতিমখানা তারা বন্ধ করে দিয়েছিল। ইসলাম নিধনে এমন কোনো কাজ নেই যে আওয়ামী লীগ করেনি। তারা ইসলামকে শত্রু মনে করেছিল। এ কারণে আলেম-ওলামাদের বিরুদ্ধে সব সময় তারা লেগেছিল। ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা দিয়ে অহেতুক গ্রেপ্তার করে জেলখানায় রেখে নির্যাতন করেছিল। শনিবার বিকেলে রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলা কামিল মাদ্রাসা মাঠে জামায়াতের যুব বিভাগের যুব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, যুবকরা এদেশের সম্পদ এই যুবকরা পারে দেশকে বদলিয়ে দিতে। ১৯৭১ সালে যুবকরা যুদ্ধ করে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছিল। কিন্তু ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের কারণে যুবকরা স্বাধীনতার সুফল ভোগ করতে পারেনি। সেই স্বৈরাচার খুনি আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ২০২৪ এর জুলাই আগস্টে ছাত্র-জনতার সাথে যুবকরা একত্রিত হয়ে আওয়ামী লীগ তাদের দোসরদের তাড়িয়ে বাংলাদেশকে নতুন করে স্বাধীন করেছে। এই স্বাধীনতাকে রক্ষা করতে যুবকদেরকেই প্রধান ভূমিকা পালন করতে হবে। যুবকরা ছাড়া দেশের অগ্রগতি তরান্বিত করা সম্ভব নয়।

এটিএম আজহার আরো বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকতে প্রতিদিন জঙ্গি ধরতো। জঙ্গি নাটক সাজাতো। এখন আর কোনো জঙ্গি পাওয়া যাচ্ছে না তাহলে জঙ্গিরা গেলো কোথায়। আসলেই জঙ্গি নাটকটি ছিল ভারতের প্রেসক্রিপশনে আওয়ামী লীগের ইসলাম নিধনে একটি বড় হাতিয়ার। তারা জঙ্গি নাটক সাজিয়ে আলেম-ওলামাসহ ইসলামিক পক্ষের শক্তিগুলোর নেতৃবৃন্দকে নিঃশেষ করার কৌশল এটে ছিল। তারা মিথ্যা ট্রাইবুনাল বানিয়ে যুদ্ধ অপরাধ নাম দিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ৫ জন নেতাকে ফাঁসির কাছে ঝুলিয়ে এবং পাঁচজনকে জেলখানায় বিনা চিকিৎসায় হত্যা করেছে।

এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, আমি যখন বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল নির্বাচিত হলাম। তার কিছুদিনের মধ্যেই আমাকে ধরে নিয়ে যাওয়া হল। জামিনে বেরিয়ে আসার পরে বাসায় আমাকে গৃহবন্দী করে কোনো মামলা না থাকায় যুদ্ধাপরাধী সাজিয়ে মিথ্যা ট্রাইব্যুনালে মিথ্যা সাক্ষী বানিয়ে ফাঁসির রায় দেওয়া হল। কিন্তু মহান আল্লাহ আমার হায়াত রাখায় আমি নতুনভাবে জীবন ফিরে পেয়েছি।

ভারত প্রসঙ্গে এটিএম আজহার বলেন, তিনদিক দিয়ে বাংলাদেশকে ঘিরে রেখেছে ভারত। ভারত সবসময় নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য বাংলাদেশকে ব্যবহার করতে চায়। এ কারণে তারা ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে পছন্দ করে তাদেরকে দিয়ে তাদের স্বার্থ হাসিলও করেছে। ভারত আমাদের ভালো চাইলে তিস্তার পানি দিত। তারা বন্যার সময় তিস্তায় অতিরিক্ত পানি দিয়ে আমাদের ক্ষতি করে। খরার সময় পানি আটক করে তিস্তাকে মরুভূমি বানায়। ভারত কখনো আমাদের বন্ধু ছিল না কখনো বন্ধু হতে পারেও না। ভারত থেকে আমাদেরকে সাবধান থাকতে হবে।