ঢাকা , সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নেয়ার ইলন মাস্ক থাকেন ৪০০ বর্গফুটের বাড়িতে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩৯:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
  • ১৩০ বার পড়া হয়েছে

মহাকাশ গবেষণা সংস্থাস্পেসএক্স’-এর অভাবনীয় শেয়ার বিক্রির (আইপিও) পর ইলন মাস্ক বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নেয়ার হয়েছেন। তবে তার এই বিপুল সম্পদের বিপরীতে জীবনযাপনের এক অদ্ভুত সাদামাটা চিত্র পুরো বিশ্বকে অবাক করেছে। ক্যালিফোর্নিয়ার সব বিলাসবহুল বাড়ি বিক্রি করে দিয়ে তিনি বর্তমানে টেক্সাসে স্পেসএক্সের রকেট সেন্টারের কাছে মাত্র ৪০০ বর্গফুটের একটি ছোট ভাড়াবাড়িতে বসবাস করছেন। গালফ নিউজের তথ্য অনুযায়ী, টেক্সাসের বোকা চিকায় স্পেসএক্সেরস্টারবেসরকেট সেন্টারের কাছে ইলন মাস্কের এই বাড়িটি অবস্থিত।বক্সাবলকম্পানির তৈরি ২০x২০ ফুটের এই ঘরটি মূলত একটি তৈরি করা (প্রিফ্যাব্রিকেটেড) বক্সের মতো। বাড়িটির দাম মাত্র ৫০ হাজার ডলার, যা তিনি স্পেসএক্সের কাছ থেকে ভাড়া নিয়েছেন।

এই ছোট ইউনিটটির ভেতরেই রয়েছে একটি বসার ঘর, শোবার জায়গা, রান্নাঘর ও একটি সাধারণ বাথরুম। মাস্ক নিজেই এই বাড়িটিকে দারুণ বলে উল্লেখ করেছেন। ইলন মাস্কের মা মে মাস্ক বাড়িটি ঘুরে এসে বলেছিলেন, ওখানকার ফ্রিজে কোনো খাবার পর্যন্ত থাকে না এবং ঘুমানোর ব্যবস্থাও খুব সাধারণ। বাড়িটিতে জায়গা বাঁচাতে দেয়ালের সাথে ভাঁজ করে রাখা যায় এমনমারফি বেডএবং কিছু প্রয়োজনীয় রান্নার সরঞ্জাম রয়েছে। এর আগে টেসলা গাড়ির কারখানায় উৎপাদনের চাপ থাকার সময়ও মাস্ক বিলাসবহুল জীবনের চেয়ে কাজকে গুরুত্ব দিয়ে কারখানার মেঝেতেই ঘুমাতেন।

যদিও মাস্ক দাবি করেন যে বোকা চিকার এই ছোট বাড়িটিই তার প্রধান বাসস্থান, তবুও অস্টিনের কাছে তার কোম্পানির নামে প্রায় ৩৫ মিলিয়ন ডলার মূল্যের বেশ কয়েকটি বড় বাড়ি রয়েছে। সেগুলোর একেকটি প্রায় ৬ থেকে ৯ হাজার বর্গফুটের এবং সেগুলোতে সুইমিং পুলও আছে। তবে মাস্ক সেই বিলাসবহুল বাড়িগুলোতে না থেকে কাজের সুবিধার্থেই এই ছোট বাড়িতে থাকেন।

বিশ্বের সবচেয়ে ধনী মানুষ হওয়া সত্ত্বেও ৪০০ বর্গফুটের বাড়িতে থাকার এই সিদ্ধান্ত মূলত মাস্কের কাজের প্রতি একাগ্রতারই প্রমাণ। তিনি মনে করেন, জাগতিক আরামআয়েশের চেয়ে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও মানবজাতির ভবিষ্যৎকে নতুন রূপ দেওয়াই তার প্রধান লক্ষ্য। রকেট সেন্টারের ঠিক পাশেই থাকার কারণে তিনি স্পেসএক্সের সবচেয়ে বড় প্রজেক্টস্টারশিপ’-এর কাজ সরাসরি তদারকি করতে পারছেন। সূত্র : এনডিটিভি

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নেয়ার ইলন মাস্ক থাকেন ৪০০ বর্গফুটের বাড়িতে

আপডেট সময় ১১:৩৯:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

মহাকাশ গবেষণা সংস্থাস্পেসএক্স’-এর অভাবনীয় শেয়ার বিক্রির (আইপিও) পর ইলন মাস্ক বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নেয়ার হয়েছেন। তবে তার এই বিপুল সম্পদের বিপরীতে জীবনযাপনের এক অদ্ভুত সাদামাটা চিত্র পুরো বিশ্বকে অবাক করেছে। ক্যালিফোর্নিয়ার সব বিলাসবহুল বাড়ি বিক্রি করে দিয়ে তিনি বর্তমানে টেক্সাসে স্পেসএক্সের রকেট সেন্টারের কাছে মাত্র ৪০০ বর্গফুটের একটি ছোট ভাড়াবাড়িতে বসবাস করছেন। গালফ নিউজের তথ্য অনুযায়ী, টেক্সাসের বোকা চিকায় স্পেসএক্সেরস্টারবেসরকেট সেন্টারের কাছে ইলন মাস্কের এই বাড়িটি অবস্থিত।বক্সাবলকম্পানির তৈরি ২০x২০ ফুটের এই ঘরটি মূলত একটি তৈরি করা (প্রিফ্যাব্রিকেটেড) বক্সের মতো। বাড়িটির দাম মাত্র ৫০ হাজার ডলার, যা তিনি স্পেসএক্সের কাছ থেকে ভাড়া নিয়েছেন।

এই ছোট ইউনিটটির ভেতরেই রয়েছে একটি বসার ঘর, শোবার জায়গা, রান্নাঘর ও একটি সাধারণ বাথরুম। মাস্ক নিজেই এই বাড়িটিকে দারুণ বলে উল্লেখ করেছেন। ইলন মাস্কের মা মে মাস্ক বাড়িটি ঘুরে এসে বলেছিলেন, ওখানকার ফ্রিজে কোনো খাবার পর্যন্ত থাকে না এবং ঘুমানোর ব্যবস্থাও খুব সাধারণ। বাড়িটিতে জায়গা বাঁচাতে দেয়ালের সাথে ভাঁজ করে রাখা যায় এমনমারফি বেডএবং কিছু প্রয়োজনীয় রান্নার সরঞ্জাম রয়েছে। এর আগে টেসলা গাড়ির কারখানায় উৎপাদনের চাপ থাকার সময়ও মাস্ক বিলাসবহুল জীবনের চেয়ে কাজকে গুরুত্ব দিয়ে কারখানার মেঝেতেই ঘুমাতেন।

যদিও মাস্ক দাবি করেন যে বোকা চিকার এই ছোট বাড়িটিই তার প্রধান বাসস্থান, তবুও অস্টিনের কাছে তার কোম্পানির নামে প্রায় ৩৫ মিলিয়ন ডলার মূল্যের বেশ কয়েকটি বড় বাড়ি রয়েছে। সেগুলোর একেকটি প্রায় ৬ থেকে ৯ হাজার বর্গফুটের এবং সেগুলোতে সুইমিং পুলও আছে। তবে মাস্ক সেই বিলাসবহুল বাড়িগুলোতে না থেকে কাজের সুবিধার্থেই এই ছোট বাড়িতে থাকেন।

বিশ্বের সবচেয়ে ধনী মানুষ হওয়া সত্ত্বেও ৪০০ বর্গফুটের বাড়িতে থাকার এই সিদ্ধান্ত মূলত মাস্কের কাজের প্রতি একাগ্রতারই প্রমাণ। তিনি মনে করেন, জাগতিক আরামআয়েশের চেয়ে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও মানবজাতির ভবিষ্যৎকে নতুন রূপ দেওয়াই তার প্রধান লক্ষ্য। রকেট সেন্টারের ঠিক পাশেই থাকার কারণে তিনি স্পেসএক্সের সবচেয়ে বড় প্রজেক্টস্টারশিপ’-এর কাজ সরাসরি তদারকি করতে পারছেন। সূত্র : এনডিটিভি