ঢাকা , বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইরানে ফের মার্কিন বাহিনীর হামলা শুরু, জানালেন ট্রাম্প সিরাজগঞ্জে চলন্ত ট্রেনে তিনজন মিলে নারীকে ধর্ষণ, ৯৯৯-এ কল পেয়ে উদ্ধার সন্তানের জীবন বাঁচাতে নিজের লিভার দিতে চান মা, চিকিৎসায় প্রয়োজন ৭০ লাখ টাকা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগকে ফেরাতে লংমার্চের ঘোষণা দিয়েছে জামায়াত-এনসিপি: রাশেদ খাঁন এনজো ফার্নান্দেজকে রেকর্ড ১২৫ মিলিয়ন পাউন্ডে দলে ভেড়ালো ম্যানচেস্টার সিটি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর : তথ্য প্রতিমন্ত্রী আওয়ামী আমলের জ্বালানি খাতের দুর্নীতির মাশুল দিচ্ছে জনগণ নেপালে বন্যায় জরুরি সহায়তা প্রয়োজন ৪৩ হাজার নারী ও কিশোরীর মসজিদের ইমামের কক্ষে বিস্ফোরণ, উড়ে গেছে টিনের চালা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সীতাকুণ্ডে বিএনপির দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, গুলি-ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ

আমাকে দায়িত্ব দেন, সংস্কার করতে এক সপ্তাহ লাগবে: জামায়াতের নায়েবে আমির

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:২১:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৫
  • ৩৬০ বার পড়া হয়েছে

এবার জামায়াতের নায়েবে আমীর ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের প্রধান উপদেষ্টাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘সংস্কার করতে এক সপ্তাহ লাগবে। আমার ওপর দায়িত্ব দেন। আপনি যখন আলী রিয়াজ সাহেবকে দায়িত্ব দিছেন, আপনি আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে দায়িত্ব দেন। আমি আপনাকে সেটা করে দেখায়া দিব। যদি আমরা দেখাইতে পারি, প্রমাণ করতে পারি, রাস্তা তৈরি করতে পারি, তাহলে তো আপনার কোনো সমস্যা থাকার কথা না। তবু মানুষকে আর বোকা বানাবেন না।’

গতকাল বুধবার (১৩ আগস্ট) বিকালে রাজধানী বিজয়নগর সড়কে ‘জুলাই ঘোষণা ও জুলাই সনদের আইনগত ভিত্তি প্রদান এবং এর আলোকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন’ অনুষ্ঠানের আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তেব্য তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, জুলাই সনদের আইনগত ভিত্তি প্রদান করা ছাড়া, বিদেশিদের দ্বারা কোনো পাতানো নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী অংশগ্রহণ করবে না। কোনো কালো দাগ নিয়ে বিতর্কিত নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী অংশ নেবে না। প্রয়োজন হলে এদেশের মানুষ আবার জীবন এবং রক্ত দিয়ে একটি সুষ্ঠ নির্বাচন আদায় করবে ইনশাআল্লাহ।

মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘যেই জুলাইয়ের কারণে আপনারা ক্ষমতায় আছেন, সেই জুলাই সনদকে আইনী ভিত্তি দিতে হবে। আজকে এই সমাবেশ জামায়াতের করার কথা ছিল না, কিন্তু আমরা এই সমাবেশ করতে বাধ্য হয়েছি। কারণ যারা এই পিআরের পক্ষে নাই, তাদেরকে বলব, নির্বাচন চাইলে পিআরের পক্ষে আসতে হবে। সংস্কার বাস্তবায়ন করতে হবে।’

এ সময় উপদেষ্টাদের চেয়ারের সমালোচনা করে জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, ‘সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর প্রথম কথা বলেছিল, তারা সংস্কার করবে। আমি এখন দেখি প্রথম সংস্কারটা করা দরকার ছিল উপদেষ্ঠা ও মন্ত্রীদের চেয়ারগুলোর। ইতিহাস বলে, যারা ওই চেয়ারে বসে, আগে যাই থাকুক না কেন, চেয়ারে বসার পরে আউলা-ঝাউলা হইয়া যায়। চেয়ারগুলো ভালো করে পরিষ্কার করে, আমাদের দেশের উপদেষ্টাদের বসাইলে কিছুটা হইলে সঠিকভাবে কাজ করতো।’

মোহাম্মদ তাহের আরও বলেন, ‘আমরা বলেছি, সুষ্ঠ নির্বাচনের জন্য সংস্কার জরুরি। আমাদের সংস্কার কমিশনগুললো মাসের পর মাস সংস্কারে কাজ করেছে, প্রচুর সময় নিয়েছেন। সব কিছুতে ঐক্যমত আনার পরে তারা বলছেন, এটার কোনো আইনি ভিত্তি নাই। তাহলে আইনি ভিত্তি যদি না থাকে, তাহলে প্রশ্ন উঠবে এই সরকারের আইনি ভিত্তি নিয়ে!’

বিএনপির সমালোচনা করে তাহের বলেন, ‘ঠিক আমাদের বন্ধুরা (বিএনপি) বলছে, আমরা পার্লামেন্টে গিয়ে সংস্কার করব। এসব দাবি মেনে নেব। আপনারা যদি পার্লামেন্টে গিয়ে এসব মেনে নেন, বা বাস্তাবায়ন করেন, তাহলে এখন মানতে অসুবিধা কি? এর মানে ‘ডাল মে কুচ কালা হ্যায়’।’ তাহের বলেন, ‘বিএনপি বলছে আমরা ক্ষমতায় গেলে এটা করব, তাইলে উনারা ক্ষমতায় যাবেন এটা নিশ্চয়তা পাইছেন। ঠিক আছে না? তাইলে ভোটের আগে যদি একটা দল ক্ষমতায় যাওয়ার নিশ্চয়তা পায় তাইলে ইলেকশনটা কেমন হবে? এটা কি বুঝা যায় না? ক্ষমতা দেওয়ার মালিক এই দেশের জনগণ।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে ফের মার্কিন বাহিনীর হামলা শুরু, জানালেন ট্রাম্প

আমাকে দায়িত্ব দেন, সংস্কার করতে এক সপ্তাহ লাগবে: জামায়াতের নায়েবে আমির

আপডেট সময় ১১:২১:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৫

এবার জামায়াতের নায়েবে আমীর ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের প্রধান উপদেষ্টাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘সংস্কার করতে এক সপ্তাহ লাগবে। আমার ওপর দায়িত্ব দেন। আপনি যখন আলী রিয়াজ সাহেবকে দায়িত্ব দিছেন, আপনি আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে দায়িত্ব দেন। আমি আপনাকে সেটা করে দেখায়া দিব। যদি আমরা দেখাইতে পারি, প্রমাণ করতে পারি, রাস্তা তৈরি করতে পারি, তাহলে তো আপনার কোনো সমস্যা থাকার কথা না। তবু মানুষকে আর বোকা বানাবেন না।’

গতকাল বুধবার (১৩ আগস্ট) বিকালে রাজধানী বিজয়নগর সড়কে ‘জুলাই ঘোষণা ও জুলাই সনদের আইনগত ভিত্তি প্রদান এবং এর আলোকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন’ অনুষ্ঠানের আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তেব্য তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, জুলাই সনদের আইনগত ভিত্তি প্রদান করা ছাড়া, বিদেশিদের দ্বারা কোনো পাতানো নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী অংশগ্রহণ করবে না। কোনো কালো দাগ নিয়ে বিতর্কিত নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী অংশ নেবে না। প্রয়োজন হলে এদেশের মানুষ আবার জীবন এবং রক্ত দিয়ে একটি সুষ্ঠ নির্বাচন আদায় করবে ইনশাআল্লাহ।

মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘যেই জুলাইয়ের কারণে আপনারা ক্ষমতায় আছেন, সেই জুলাই সনদকে আইনী ভিত্তি দিতে হবে। আজকে এই সমাবেশ জামায়াতের করার কথা ছিল না, কিন্তু আমরা এই সমাবেশ করতে বাধ্য হয়েছি। কারণ যারা এই পিআরের পক্ষে নাই, তাদেরকে বলব, নির্বাচন চাইলে পিআরের পক্ষে আসতে হবে। সংস্কার বাস্তবায়ন করতে হবে।’

এ সময় উপদেষ্টাদের চেয়ারের সমালোচনা করে জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, ‘সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর প্রথম কথা বলেছিল, তারা সংস্কার করবে। আমি এখন দেখি প্রথম সংস্কারটা করা দরকার ছিল উপদেষ্ঠা ও মন্ত্রীদের চেয়ারগুলোর। ইতিহাস বলে, যারা ওই চেয়ারে বসে, আগে যাই থাকুক না কেন, চেয়ারে বসার পরে আউলা-ঝাউলা হইয়া যায়। চেয়ারগুলো ভালো করে পরিষ্কার করে, আমাদের দেশের উপদেষ্টাদের বসাইলে কিছুটা হইলে সঠিকভাবে কাজ করতো।’

মোহাম্মদ তাহের আরও বলেন, ‘আমরা বলেছি, সুষ্ঠ নির্বাচনের জন্য সংস্কার জরুরি। আমাদের সংস্কার কমিশনগুললো মাসের পর মাস সংস্কারে কাজ করেছে, প্রচুর সময় নিয়েছেন। সব কিছুতে ঐক্যমত আনার পরে তারা বলছেন, এটার কোনো আইনি ভিত্তি নাই। তাহলে আইনি ভিত্তি যদি না থাকে, তাহলে প্রশ্ন উঠবে এই সরকারের আইনি ভিত্তি নিয়ে!’

বিএনপির সমালোচনা করে তাহের বলেন, ‘ঠিক আমাদের বন্ধুরা (বিএনপি) বলছে, আমরা পার্লামেন্টে গিয়ে সংস্কার করব। এসব দাবি মেনে নেব। আপনারা যদি পার্লামেন্টে গিয়ে এসব মেনে নেন, বা বাস্তাবায়ন করেন, তাহলে এখন মানতে অসুবিধা কি? এর মানে ‘ডাল মে কুচ কালা হ্যায়’।’ তাহের বলেন, ‘বিএনপি বলছে আমরা ক্ষমতায় গেলে এটা করব, তাইলে উনারা ক্ষমতায় যাবেন এটা নিশ্চয়তা পাইছেন। ঠিক আছে না? তাইলে ভোটের আগে যদি একটা দল ক্ষমতায় যাওয়ার নিশ্চয়তা পায় তাইলে ইলেকশনটা কেমন হবে? এটা কি বুঝা যায় না? ক্ষমতা দেওয়ার মালিক এই দেশের জনগণ।’