ঢাকা , শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
হরমুজ প্রণালিতে সেনা মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া মাদরাসা ছাত্রদের ঠোঁটে সিগারেট দেখবেন না: জামায়াত আমির কসমেটিকস-স্কিন কেয়ার শিল্পে বিনিয়োগের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দেশের অস্ত্র ঘাটতির সংবাদ প্রকাশকারীরা ‘দেশদ্রোহী’: ট্রাম্প বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ফেসবুকে গালিগালাজ, কলেজ শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মহিলা মাদ্রাসার ‘বড় হুজুর’ আটক নেপালকে ১০ লাখ মার্কিন ডলার সহায়তা প্রদান করল বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি করা সেই যুবক গ্রেপ্তার খুব শিগগিরই ইরানের ইসলামি শাসনব্যবস্থার পতন: নেতানিয়াহু জামায়াত নেতাকে যুবলীগ কর্মীর ছুরিকাঘাত

নারীদের জন্য নিরাপদ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার প্রতিজ্ঞা সাদিক কায়েমের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:১৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫
  • ৩৩৮ বার পড়া হয়েছে

এবার নারীদের জন্য নিরাপদ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার প্রতিজ্ঞা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির প্যানেলের ভিপি পদপ্রার্থী আবু সাদিক কায়েম। বুধবার (২০ আগস্ট) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্ট তিনি এ কথা জানান। পাঠকের সুবিধার জন্য সাদিক কায়েমের পোস্টটি তুলে ধরা হলো-

এবারের ডাকসুতে রাজনৈতিক বলয়ের বাইরেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী প্রার্থী স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জাতির হাল ধরার জন্য জুলাই প্রজন্মের এগিয়ে আসার জরুরত বিবেচনায় এটি নিঃসন্দেহে অনেক বেশি আশাব্যঞ্জক।

কিন্তু, দুঃখজনকভাবে রাজনীতি কিংবা রাজনীতির বাইরে ছাত্রীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ এখনো গড়ে উঠেনি। অব্যাহত কটূক্তি, প্রোপাগাণ্ডা, বিদ্বেষমূলক প্রচার, সাইবার বুলিং ও ট্যাগিংয়ের শিকার হচ্ছেন নারীরা।

তাসনিম জারা, ফাতিমা তাসনিম জুমা, সাবিকুন্নাহার তামান্না, উম্মে ছালমা থেকে ডান-বাম ঘরানার কেউই রেহাই পাচ্ছেন না এই ব্যাধি থেকে। এই অব্যাহত অপপ্রচারের ফলে অনেক নারী শিক্ষার্থী এখনো রাজনীতিতে ও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন।

চব্বিশের জুলাই বিপ্লবের সফলতার অন্যতম কারিগর আমাদের ছাত্রী বোনেরা। তাদের সাহসী অবদান ও দুর্নিবার নেতৃত্ব আমাদের বিজয়কে তরান্বিত করেছে। কিন্তু, আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নারীরা কখনোই যথাযথভাবে অংশগ্রহণের উদ্দীপনা পাননি।

তাই, বিপ্লব-পরবর্তী ডাকসু নির্বাচনে আমাদের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার- এমন একটি রাজনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টি করা, যেখানে নারীরা মুক্তভাবে ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজেদের স্বকীয়তা বজায় রেখেই রাজনীতিতে অংশ নিতে পারবেন। এ যাত্রা কণ্টকমুক্ত নয়। কিন্তু, প্রতিজ্ঞা করছি, নারীদের জন্য একটি নিরাপদ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার এই পথযাত্রায় আমরা থামব না।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিতে সেনা মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

নারীদের জন্য নিরাপদ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার প্রতিজ্ঞা সাদিক কায়েমের

আপডেট সময় ১১:১৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫

এবার নারীদের জন্য নিরাপদ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার প্রতিজ্ঞা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির প্যানেলের ভিপি পদপ্রার্থী আবু সাদিক কায়েম। বুধবার (২০ আগস্ট) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্ট তিনি এ কথা জানান। পাঠকের সুবিধার জন্য সাদিক কায়েমের পোস্টটি তুলে ধরা হলো-

এবারের ডাকসুতে রাজনৈতিক বলয়ের বাইরেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী প্রার্থী স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জাতির হাল ধরার জন্য জুলাই প্রজন্মের এগিয়ে আসার জরুরত বিবেচনায় এটি নিঃসন্দেহে অনেক বেশি আশাব্যঞ্জক।

কিন্তু, দুঃখজনকভাবে রাজনীতি কিংবা রাজনীতির বাইরে ছাত্রীদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ এখনো গড়ে উঠেনি। অব্যাহত কটূক্তি, প্রোপাগাণ্ডা, বিদ্বেষমূলক প্রচার, সাইবার বুলিং ও ট্যাগিংয়ের শিকার হচ্ছেন নারীরা।

তাসনিম জারা, ফাতিমা তাসনিম জুমা, সাবিকুন্নাহার তামান্না, উম্মে ছালমা থেকে ডান-বাম ঘরানার কেউই রেহাই পাচ্ছেন না এই ব্যাধি থেকে। এই অব্যাহত অপপ্রচারের ফলে অনেক নারী শিক্ষার্থী এখনো রাজনীতিতে ও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন।

চব্বিশের জুলাই বিপ্লবের সফলতার অন্যতম কারিগর আমাদের ছাত্রী বোনেরা। তাদের সাহসী অবদান ও দুর্নিবার নেতৃত্ব আমাদের বিজয়কে তরান্বিত করেছে। কিন্তু, আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নারীরা কখনোই যথাযথভাবে অংশগ্রহণের উদ্দীপনা পাননি।

তাই, বিপ্লব-পরবর্তী ডাকসু নির্বাচনে আমাদের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার- এমন একটি রাজনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টি করা, যেখানে নারীরা মুক্তভাবে ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজেদের স্বকীয়তা বজায় রেখেই রাজনীতিতে অংশ নিতে পারবেন। এ যাত্রা কণ্টকমুক্ত নয়। কিন্তু, প্রতিজ্ঞা করছি, নারীদের জন্য একটি নিরাপদ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার এই পথযাত্রায় আমরা থামব না।