ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আওয়ামী লীগ এমন প্রবলভাবে আছে যা আগে কখনো ছিল না: শাওন আওয়ামী লীগকে জনগণের রক্তচোষা, এদের আর সুযোগ দেওয়া হবে না: জামায়াত এমপি সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ, তদন্ত কমিটি গঠন জামায়াতের এক ম্যাচেই ৪ গিনেস বুকে রেকর্ড গড়লেন মেসি চুক্তি প্রক্রিয়া থেকে সরে দাঁড়াল ইরান, উত্তপ্ত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বৈঠক যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি বয়কট করে সভাকক্ষ ছাড়লো ইরান অবশেষে ঢাকার সড়কে অটোরিকশা চলাচল বন্ধের নির্দেশ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ করায় ছেলেকে ত্যাজ্য করলেন বাবা ‘আমার বন্ধু মহা জাদু জানে’ গান দিয়ে তারেক রহমানের সফরের ভিডিও প্রকাশ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর ডিসি সারওয়ার আলমের বদলিতে মাজারের ইস্যু নেই: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

শ্রীপুরে র‌্যাব-বিপর্যয়: সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে।

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:১৯:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৫৮৭ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুরের শ্রীপুরে ‘অস্ত্র উদ্ধার’ করতে গিয়ে জনতার রোষানলে পড়ে র‌্যাবের একটি দল। প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টার পর সেনাবাহিনীর সহায়তায় তাদের উদ্ধার করা হয়।

 

রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে বরমী-শ্রীপুর আঞ্চলিক সড়কের পাশে একটি দোকানে এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে শ্রীপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। রাত ৮টার দিকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা পুরো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

 

 

 

জানা যায়, স্থানীয় চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের সহযোগিতায় র‌্যাবের একটি দল একটি অটোরিকশা ব্যবসায়ীর দোকানে অস্ত্র রেখে উদ্ধার অভিযান চালায়। অভিযানের সময় দোকানমালিক মোশারফ (৩৫)কে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নেওয়া হয়। এরপর সড়কে ব্যারিকেড দেয়া হয় এবং র‌্যাবের গাড়িসহ একটি মাইক্রোবাস আটকে রাখে উত্তেজিত জনতা। একই সময় মোশারফকেও র‌্যাবের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয় জনতা।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, র‌্যাব পরিকল্পিতভাবে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জহিরুল ইসলাম লিটনের প্রভাব নিয়ে মোশারফের দোকানে অস্ত্র রেখে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছে।

 

খবর পেয়ে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মু. আব্দুল বারিক ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। তবে র‌্যাব ও পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

স্থানীয়রা আরও জানান, বরমী গ্রামের মোশারফের সঙ্গে একই এলাকার স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জহিরুল ইসলাম লিটনের বিরোধ রয়েছে। গত শুক্রবার রাতে লিটন ছয় রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এর পর ক্ষিপ্ত হয়ে জনতা লিটনের বাড়ি অবরোধ করলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

 

 

ঘটনার পর লিটন এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শনিবার সন্ধ্যায় লিটনের গ্রেপ্তারের দাবিতে থানায় অবস্থান নেয় স্থানীয়রা। পরে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মু. আব্দুল বারিকের আশ্বাসে তারা বাড়ি ফিরে যান।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আওয়ামী লীগ এমন প্রবলভাবে আছে যা আগে কখনো ছিল না: শাওন

শ্রীপুরে র‌্যাব-বিপর্যয়: সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে।

আপডেট সময় ০২:১৯:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

গাজীপুরের শ্রীপুরে ‘অস্ত্র উদ্ধার’ করতে গিয়ে জনতার রোষানলে পড়ে র‌্যাবের একটি দল। প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টার পর সেনাবাহিনীর সহায়তায় তাদের উদ্ধার করা হয়।

 

রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে বরমী-শ্রীপুর আঞ্চলিক সড়কের পাশে একটি দোকানে এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে শ্রীপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। রাত ৮টার দিকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা পুরো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

 

 

 

জানা যায়, স্থানীয় চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের সহযোগিতায় র‌্যাবের একটি দল একটি অটোরিকশা ব্যবসায়ীর দোকানে অস্ত্র রেখে উদ্ধার অভিযান চালায়। অভিযানের সময় দোকানমালিক মোশারফ (৩৫)কে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নেওয়া হয়। এরপর সড়কে ব্যারিকেড দেয়া হয় এবং র‌্যাবের গাড়িসহ একটি মাইক্রোবাস আটকে রাখে উত্তেজিত জনতা। একই সময় মোশারফকেও র‌্যাবের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয় জনতা।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, র‌্যাব পরিকল্পিতভাবে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জহিরুল ইসলাম লিটনের প্রভাব নিয়ে মোশারফের দোকানে অস্ত্র রেখে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছে।

 

খবর পেয়ে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মু. আব্দুল বারিক ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। তবে র‌্যাব ও পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

স্থানীয়রা আরও জানান, বরমী গ্রামের মোশারফের সঙ্গে একই এলাকার স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জহিরুল ইসলাম লিটনের বিরোধ রয়েছে। গত শুক্রবার রাতে লিটন ছয় রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এর পর ক্ষিপ্ত হয়ে জনতা লিটনের বাড়ি অবরোধ করলে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

 

 

ঘটনার পর লিটন এলাকাবাসীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শনিবার সন্ধ্যায় লিটনের গ্রেপ্তারের দাবিতে থানায় অবস্থান নেয় স্থানীয়রা। পরে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মু. আব্দুল বারিকের আশ্বাসে তারা বাড়ি ফিরে যান।