ঢাকা , শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ধর্ষিতার বাবা নয়-গর্বিত পিতা হতে চেয়েছিলাম, আমি কি তার জন্য দায়ী?: রামিসার বাবা ২ হাজারের বেশি বন্দিকে ক্ষমা করলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগানে উত্তাল ভারতের রাজধানী আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের নোটিশ বেআইনি: শিশির মনির অবৈধ বিদেশিদের বিতাড়ন হচ্ছে আইন অনুযায়ী: বাংলাদেশে পুশ ইন নিয়ে প্রশ্নে জয়সোয়াল তিন দিনের সফরে রাশিয়া যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র কুয়েত-বাহরাইনকে লক্ষ্য করে ৭টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান আগামীকাল শিশু রামিসা হত্যা মামলার রায় ঘোষণা বিদ্যুতের দাম বাড়লেও বছরে ভর্তুকি দিতে হবে ৪১ হাজার কোটি টাকা: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা এবারের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার চেয়ে বড় ফেভারিট ব্রাজিল: লিওনেল মেসি

দুপুরে দাওয়াত খাইয়ে রাতে যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করলেন ওসি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৩৫:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১০৮৫ বার পড়া হয়েছে

এবার শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার নাওডোবা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোক্তার বেপারীকে দুপুরে দাওয়াত দিয়ে খাবার খাওয়ানোর পর সমালোচনার মুখে রাতে তাকে গ্রেপ্তার করেছেন শরীয়তপুরের পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পারভেজ আহমেদ সেলিম। আজ শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে মোক্তার বেপারীকে জাজিরা উপজেলার নাওডোবা ইউনিয়নের কালু বেপারী কান্দি গ্রামের নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জানা যায়, গতকাল শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে থানার ভেতরে অনুষ্ঠিত মাসিক ভোজের আয়োজন করেন ওসি পারভেজ আহমেদ সেলিম । এতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ বিশেষ অতিথি ও পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সেই ভোজসভায় আমন্ত্রিত ছিলেন নাওডোবা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোক্তার বেপারী। কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতাকে থানার ভেতর আমন্ত্রণ করে খাওয়ানোর ছবি ছড়িয়ে পড়লে রাজনৈতিক ও সচেতন মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। সমালোচনা থেকে রেহাই পেতে ভোররাতে মোক্তার বেপারীকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ওসি পারভেজ আহমেদ সেলিম বলেন, আমাদের নিয়মিত ভোজ অনুষ্ঠানে তিনি নাওডোবা বাজার কমিটির সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। পরে জানতে পারি তিনি যুবলীগের নেতা। এরপর সার্কেল স্যারের নির্দেশে তাকে রাতেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওসি আরও বলেন, মোক্তার বেপারীকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা যে কাউকে গ্রেপ্তার করতেই পারি, যদি মনে হয় সে কোনো অপরাধের সাথে জড়িত আছে। ওসির বিষয়ে আমরা খতিয়ে দেখতেছি। কেন এমনটা করেছে তা আমরা জানবো। উনি যদি কোনো দোষ করে থাকেন উনার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ধর্ষিতার বাবা নয়-গর্বিত পিতা হতে চেয়েছিলাম, আমি কি তার জন্য দায়ী?: রামিসার বাবা

দুপুরে দাওয়াত খাইয়ে রাতে যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করলেন ওসি

আপডেট সময় ০৪:৩৫:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

এবার শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার নাওডোবা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোক্তার বেপারীকে দুপুরে দাওয়াত দিয়ে খাবার খাওয়ানোর পর সমালোচনার মুখে রাতে তাকে গ্রেপ্তার করেছেন শরীয়তপুরের পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পারভেজ আহমেদ সেলিম। আজ শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে মোক্তার বেপারীকে জাজিরা উপজেলার নাওডোবা ইউনিয়নের কালু বেপারী কান্দি গ্রামের নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জানা যায়, গতকাল শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে থানার ভেতরে অনুষ্ঠিত মাসিক ভোজের আয়োজন করেন ওসি পারভেজ আহমেদ সেলিম । এতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ বিশেষ অতিথি ও পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সেই ভোজসভায় আমন্ত্রিত ছিলেন নাওডোবা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোক্তার বেপারী। কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতাকে থানার ভেতর আমন্ত্রণ করে খাওয়ানোর ছবি ছড়িয়ে পড়লে রাজনৈতিক ও সচেতন মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। সমালোচনা থেকে রেহাই পেতে ভোররাতে মোক্তার বেপারীকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ওসি পারভেজ আহমেদ সেলিম বলেন, আমাদের নিয়মিত ভোজ অনুষ্ঠানে তিনি নাওডোবা বাজার কমিটির সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। পরে জানতে পারি তিনি যুবলীগের নেতা। এরপর সার্কেল স্যারের নির্দেশে তাকে রাতেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওসি আরও বলেন, মোক্তার বেপারীকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা যে কাউকে গ্রেপ্তার করতেই পারি, যদি মনে হয় সে কোনো অপরাধের সাথে জড়িত আছে। ওসির বিষয়ে আমরা খতিয়ে দেখতেছি। কেন এমনটা করেছে তা আমরা জানবো। উনি যদি কোনো দোষ করে থাকেন উনার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।