ঢাকা , বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আট বছর পর মিলল ম্যারাডোনার সেই ভবিষ্যদ্বাণী চার আকাশযান ধ্বং’সে’র দা’বি পাকিস্তানের, সফল হা’ম’লা’র কথা বলছে কাবুল সাবেক এমপিকে আমন্ত্রণের জেরে শিক্ষকের বিদায় অনুষ্ঠানে ভাঙচুর হোলি আর্টিজানের এক দশক, জ’ঙ্গি’বা’দ কতটা বদলেছে? এবার পুরো গাজা দখলে নেওয়ার ঘোষণা ইসরায়েলি মন্ত্রীর ব্রাজিল নাকি আর্জেন্টিনা? স্বাধীন বাংলাদেশকে আগে স্বীকৃতি দেয় যে দেশ পূর্বাচলকে ঢাকা জেলার আওতায় আনছে সরকার জামায়াতের ছায়া বাজেট আর পাস হওয়া বাজেট কাছাকাছিই: শফিকুর রহমান রেজাল্ট খারাপ করলে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার খাতা চেক করতে পারবে: শিক্ষামন্ত্রী আর্জেন্টিনার বিপক্ষে জয়ের ভবিষ্যদ্বাণী কেপ ভার্দের প্রেসিডেন্টের

দুপুরে দাওয়াত খাইয়ে রাতে যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করলেন ওসি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৩৫:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১১০৭ বার পড়া হয়েছে

এবার শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার নাওডোবা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোক্তার বেপারীকে দুপুরে দাওয়াত দিয়ে খাবার খাওয়ানোর পর সমালোচনার মুখে রাতে তাকে গ্রেপ্তার করেছেন শরীয়তপুরের পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পারভেজ আহমেদ সেলিম। আজ শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে মোক্তার বেপারীকে জাজিরা উপজেলার নাওডোবা ইউনিয়নের কালু বেপারী কান্দি গ্রামের নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জানা যায়, গতকাল শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে থানার ভেতরে অনুষ্ঠিত মাসিক ভোজের আয়োজন করেন ওসি পারভেজ আহমেদ সেলিম । এতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ বিশেষ অতিথি ও পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সেই ভোজসভায় আমন্ত্রিত ছিলেন নাওডোবা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোক্তার বেপারী। কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতাকে থানার ভেতর আমন্ত্রণ করে খাওয়ানোর ছবি ছড়িয়ে পড়লে রাজনৈতিক ও সচেতন মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। সমালোচনা থেকে রেহাই পেতে ভোররাতে মোক্তার বেপারীকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ওসি পারভেজ আহমেদ সেলিম বলেন, আমাদের নিয়মিত ভোজ অনুষ্ঠানে তিনি নাওডোবা বাজার কমিটির সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। পরে জানতে পারি তিনি যুবলীগের নেতা। এরপর সার্কেল স্যারের নির্দেশে তাকে রাতেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওসি আরও বলেন, মোক্তার বেপারীকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা যে কাউকে গ্রেপ্তার করতেই পারি, যদি মনে হয় সে কোনো অপরাধের সাথে জড়িত আছে। ওসির বিষয়ে আমরা খতিয়ে দেখতেছি। কেন এমনটা করেছে তা আমরা জানবো। উনি যদি কোনো দোষ করে থাকেন উনার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আট বছর পর মিলল ম্যারাডোনার সেই ভবিষ্যদ্বাণী

দুপুরে দাওয়াত খাইয়ে রাতে যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করলেন ওসি

আপডেট সময় ০৪:৩৫:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

এবার শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার নাওডোবা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোক্তার বেপারীকে দুপুরে দাওয়াত দিয়ে খাবার খাওয়ানোর পর সমালোচনার মুখে রাতে তাকে গ্রেপ্তার করেছেন শরীয়তপুরের পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পারভেজ আহমেদ সেলিম। আজ শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে মোক্তার বেপারীকে জাজিরা উপজেলার নাওডোবা ইউনিয়নের কালু বেপারী কান্দি গ্রামের নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জানা যায়, গতকাল শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে থানার ভেতরে অনুষ্ঠিত মাসিক ভোজের আয়োজন করেন ওসি পারভেজ আহমেদ সেলিম । এতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ বিশেষ অতিথি ও পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সেই ভোজসভায় আমন্ত্রিত ছিলেন নাওডোবা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোক্তার বেপারী। কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতাকে থানার ভেতর আমন্ত্রণ করে খাওয়ানোর ছবি ছড়িয়ে পড়লে রাজনৈতিক ও সচেতন মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। সমালোচনা থেকে রেহাই পেতে ভোররাতে মোক্তার বেপারীকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ওসি পারভেজ আহমেদ সেলিম বলেন, আমাদের নিয়মিত ভোজ অনুষ্ঠানে তিনি নাওডোবা বাজার কমিটির সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। পরে জানতে পারি তিনি যুবলীগের নেতা। এরপর সার্কেল স্যারের নির্দেশে তাকে রাতেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওসি আরও বলেন, মোক্তার বেপারীকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা যে কাউকে গ্রেপ্তার করতেই পারি, যদি মনে হয় সে কোনো অপরাধের সাথে জড়িত আছে। ওসির বিষয়ে আমরা খতিয়ে দেখতেছি। কেন এমনটা করেছে তা আমরা জানবো। উনি যদি কোনো দোষ করে থাকেন উনার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।