ঢাকা , মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মা-বাবার মানসিক কষ্ট ‘সইতে না পেরে’ হিন্দু ধর্মে ফিরলেন সেই আয়ুষ মালিক সিঙ্গাপুর-দুবাইয়ে একাধিক কোম্পানি, অনুমতির তথ্য নেই: স্মার্ট টেকনোলজিসের এমডি জহিরুল ইসলামকে ঘিরে অভিযোগ বিদেশে ব্যবসা সম্প্রসারণ নিয়ে প্রশ্ন প্রযুক্তি ব্যবসার আড়ালে স্মার্ট টেকনোলজির অর্থপাচারের অভিযোগ ঢাকার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে দুই জেলার অংশ এআইতে আর্জেন্টিনার জার্সি বদলে ব্রাজিল, শেষমেশ শোকজ এসআই মহাকাশ থেকে হামলার সক্ষমতা অর্জনের পরিকল্পনায় ইসরায়েল: কাটজ মাত্র ১ মিলিয়ন ডলারের বাজেট, বক্স অফিসে ৩৪৪ মিলিয়ন আয় ভারতীয় ভূখণ্ডে চীনা সেনা, দখলের অভিযোগ বিস্তৃত এলাকা জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস রূপপুরে আরও অনিয়ম, ২৭ কোটির যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছিল ২১৪ কোটিতে

এবার ভারতের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছে জাতিসংঘ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:৫১:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ মে ২০২৫
  • ৩৯৩ বার পড়া হয়েছে

এবার মিয়ানমার থেকে আসা ৪০ রোহিঙ্গাকে সাগরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারতের বিরুদ্ধে। ভয়ংকর এই ঘটনার তদন্তে নেমেছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা বলছে, ভারত সরকার সম্প্রতি মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক ফেরত পাঠানোর চেষ্টা করছে। এর অংশ হিসেবে দিল্লিতে বসবাসকারী কয়েক ডজন রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আটক করা হয়। এদেরমধ্যে প্রায় ৪০ জন শরণার্থীকে সাগরে ফেলে দেওয়া হয়।

ফেলে দেওয়ার আগে তাদেরকে চোখ বেঁধে আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে ভারতীয় নৌবাহিনীর একটি জাহাজে তোলা হয়। এরপর জাহাজটি আন্দামান সাগর পার হলে শরণার্থীদের লাইফ জ্যাকেট পরিয়ে ফেলে দেওয়া হয় এবং মিয়ানমারে সীমানার অভ্যন্তরে একটি দ্বীপে সাঁতার কেটে চলে যেতে বাধ্য করা হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শরণার্থীরা সম্ভবত সাঁতর কেটে দ্বীপে পৌঁছেছেন, তাদের তাদের বর্তমান অবস্থা এবং তারা কোথায় আছেন তা জানা যায়নি। শুধু তাই নয়, ভারতের আসাম রাজ্যের একটি ডিটেনশন সেন্টার থেকে প্রায় ১০০ জন রোহিঙ্গা শরণার্থীকে সরিয়ে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী কোনো জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জোর করে প্রত্যর্পণের যেকোনো প্রচেষ্টা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে বলে জানিয়েছন জাতিসংঘ।

এই ঘটনা তদন্তে একজন বিশেষজ্ঞ নিযুক্ত করেছে জাতিসংঘ। পাশাপাশি ভারত সরকারকে সতর্ক করেছে, যেন ভবিষ্যতে কোনো শরণার্থীর সঙ্গে এমন অমানবিক আচরণ না করা হয়। জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার আইনজীবীরা জানিয়েছেন, আটক ব্যক্তিদের আইনের ২২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আদালতে পেশ করা হয়নি, যা ভারতের সংবিধান লঙ্ঘন করে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মা-বাবার মানসিক কষ্ট ‘সইতে না পেরে’ হিন্দু ধর্মে ফিরলেন সেই আয়ুষ মালিক

এবার ভারতের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছে জাতিসংঘ

আপডেট সময় ০৮:৫১:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ মে ২০২৫

এবার মিয়ানমার থেকে আসা ৪০ রোহিঙ্গাকে সাগরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারতের বিরুদ্ধে। ভয়ংকর এই ঘটনার তদন্তে নেমেছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা বলছে, ভারত সরকার সম্প্রতি মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক ফেরত পাঠানোর চেষ্টা করছে। এর অংশ হিসেবে দিল্লিতে বসবাসকারী কয়েক ডজন রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আটক করা হয়। এদেরমধ্যে প্রায় ৪০ জন শরণার্থীকে সাগরে ফেলে দেওয়া হয়।

ফেলে দেওয়ার আগে তাদেরকে চোখ বেঁধে আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে ভারতীয় নৌবাহিনীর একটি জাহাজে তোলা হয়। এরপর জাহাজটি আন্দামান সাগর পার হলে শরণার্থীদের লাইফ জ্যাকেট পরিয়ে ফেলে দেওয়া হয় এবং মিয়ানমারে সীমানার অভ্যন্তরে একটি দ্বীপে সাঁতার কেটে চলে যেতে বাধ্য করা হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শরণার্থীরা সম্ভবত সাঁতর কেটে দ্বীপে পৌঁছেছেন, তাদের তাদের বর্তমান অবস্থা এবং তারা কোথায় আছেন তা জানা যায়নি। শুধু তাই নয়, ভারতের আসাম রাজ্যের একটি ডিটেনশন সেন্টার থেকে প্রায় ১০০ জন রোহিঙ্গা শরণার্থীকে সরিয়ে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী কোনো জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জোর করে প্রত্যর্পণের যেকোনো প্রচেষ্টা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে বলে জানিয়েছন জাতিসংঘ।

এই ঘটনা তদন্তে একজন বিশেষজ্ঞ নিযুক্ত করেছে জাতিসংঘ। পাশাপাশি ভারত সরকারকে সতর্ক করেছে, যেন ভবিষ্যতে কোনো শরণার্থীর সঙ্গে এমন অমানবিক আচরণ না করা হয়। জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার আইনজীবীরা জানিয়েছেন, আটক ব্যক্তিদের আইনের ২২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আদালতে পেশ করা হয়নি, যা ভারতের সংবিধান লঙ্ঘন করে।