ঢাকা , রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গ্যাস ও বিদ্যুতের বর্তমান সংকটের জন্য বিগত সরকার দায়ী: ডিএসসিসি প্রশাসক নো গ্যাস নো বিল, নো সার্ভিস নো ট্যাক্স: রুমিন ফারহানা ছয় দফা না মানলে সরকার পতনে এক দফা: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কানাডায় ২ শিশুকে ৯ মাস যৌন নিপীড়ন, প্রবাসী আর্ট শিক্ষক গ্রেপ্তার জাতিসংঘে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে বিএনপি নায়ক হতে পারতো, কিন্তু ভিলেনে পরিণত হয়েছে: তাজুল ইসলাম জাতিসংঘে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতি তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফিলিস্তিনে ধ্বংসস্তূপ থেকে একই পরিবারের ৫৫ লাশ উদ্ধার ‘আমি চলে গেলে কেউ আমার নাম দেবে না’, তাই সবকিছুতে নিজের নাম দিচ্ছেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে আকস্মিক হামলা চালাতে পারে ইরান

সারাবিশ্বের ক্যানসার ইসরায়েল, একে শেকড় থেকে উপড়ে ফেলতেই হবে: খামেনির হুঁশিয়ারি 

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩২:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ মে ২০২৫
  • ৭৩৩ বার পড়া হয়েছে

এবার ইরানের পারমাণবিক ইস্যুতে তেহরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ওয়াশিংটন। এমন পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্য সফরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরান প্রশাসনকে দুর্নীতিগ্রস্ত এবং অকার্যকর বলে আখ্যা দিয়েছেন। ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের জবাব দিয়ে শনিবার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বলেন, “ট্রাম্প শান্তির কথা বলে ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছেন।”

আয়াতুল্লাহ খামেনি আরও বলেন, “শান্তির নামে ইসরায়েলের হাতে ট্রাম্প ১০ টন বোমা তুলে দিয়েছেন, যা দিয়ে গাজায় শিশু হাসপাতাল ও সাধারণ মানুষের আবাসস্থলে বোমা বর্ষণ চালানো হয়েছে।” খামেনির বক্তব্য শুনে উপস্থিত জনতা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠেন। “ইসরায়েলের পরাজয় হোক”—এই স্লোগানে গর্জে ওঠে গোটা জনসভাস্থল।

মধ্যপ্রাচ্য সফরে ট্রাম্প ইরান সম্পর্কে যে নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন, তাকে মূল্যহীন বলে উল্লেখ করেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। একই সঙ্গে তিনি গাজা রক্ষায় ইসরায়েলকে প্রতিহত করার আহ্বান জানান।

আয়াতুল্লাহ খামেনি বলেন, “ইসরায়েল ভয়ঙ্কর এক ক্যান্সারের মতো। গাজাকে বাঁচাতে হলে ইসরায়েলকে শেকড় থেকে উপড়ে ফেলতেই হবে।” এদিকে তেহরানে নৌবাহিনীর এক সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেন,

“গাজায় যখন দিনে দিনে শত শত ফিলিস্তিনির প্রাণ ঝরে যাচ্ছে, তখন কিভাবে ট্রাম্প শান্তি প্রতিষ্ঠার কথা বলেন?” তিনি আরও বলেন, “যিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন, তার শান্তির বার্তা বিশ্বাসযোগ্য নয়।”

এই উত্তেজনার মধ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান আলোচনা অনিশ্চয়তায় পড়ে গেছে। চার দফা বৈঠকের পরও কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি দুই দেশ। এমন প্রেক্ষাপটে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, “তেহরান তার ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের ন্যায্য অধিকার কখনোই ত্যাগ করবে না।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস ও বিদ্যুতের বর্তমান সংকটের জন্য বিগত সরকার দায়ী: ডিএসসিসি প্রশাসক

সারাবিশ্বের ক্যানসার ইসরায়েল, একে শেকড় থেকে উপড়ে ফেলতেই হবে: খামেনির হুঁশিয়ারি 

আপডেট সময় ১১:৩২:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ মে ২০২৫

এবার ইরানের পারমাণবিক ইস্যুতে তেহরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ওয়াশিংটন। এমন পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্য সফরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরান প্রশাসনকে দুর্নীতিগ্রস্ত এবং অকার্যকর বলে আখ্যা দিয়েছেন। ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের জবাব দিয়ে শনিবার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বলেন, “ট্রাম্প শান্তির কথা বলে ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছেন।”

আয়াতুল্লাহ খামেনি আরও বলেন, “শান্তির নামে ইসরায়েলের হাতে ট্রাম্প ১০ টন বোমা তুলে দিয়েছেন, যা দিয়ে গাজায় শিশু হাসপাতাল ও সাধারণ মানুষের আবাসস্থলে বোমা বর্ষণ চালানো হয়েছে।” খামেনির বক্তব্য শুনে উপস্থিত জনতা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠেন। “ইসরায়েলের পরাজয় হোক”—এই স্লোগানে গর্জে ওঠে গোটা জনসভাস্থল।

মধ্যপ্রাচ্য সফরে ট্রাম্প ইরান সম্পর্কে যে নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন, তাকে মূল্যহীন বলে উল্লেখ করেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। একই সঙ্গে তিনি গাজা রক্ষায় ইসরায়েলকে প্রতিহত করার আহ্বান জানান।

আয়াতুল্লাহ খামেনি বলেন, “ইসরায়েল ভয়ঙ্কর এক ক্যান্সারের মতো। গাজাকে বাঁচাতে হলে ইসরায়েলকে শেকড় থেকে উপড়ে ফেলতেই হবে।” এদিকে তেহরানে নৌবাহিনীর এক সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেন,

“গাজায় যখন দিনে দিনে শত শত ফিলিস্তিনির প্রাণ ঝরে যাচ্ছে, তখন কিভাবে ট্রাম্প শান্তি প্রতিষ্ঠার কথা বলেন?” তিনি আরও বলেন, “যিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন, তার শান্তির বার্তা বিশ্বাসযোগ্য নয়।”

এই উত্তেজনার মধ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান আলোচনা অনিশ্চয়তায় পড়ে গেছে। চার দফা বৈঠকের পরও কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি দুই দেশ। এমন প্রেক্ষাপটে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, “তেহরান তার ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের ন্যায্য অধিকার কখনোই ত্যাগ করবে না।”