ঢাকা , রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘ডার্লিং, প্রশ্নপত্র এনেছি’— ছাত্রীকে ডেকে বিপাকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নাঙ্গলকোটে বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেপ্তার ‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে কেন্দ্র করে মন্তব্য, তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক “আইনশৃঙ্খলার এই ধারা অব্যাহত থাকলে সরকার নাই হয়ে যাবে” “ইরানের বেশিরভাগ মানুষের নাম মোহাম্মদ”— ট্রাম্পের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক ওসমান হাদি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৪ বারের মতো পেছাল “ওসমান হাদির রক্তের সঙ্গে বেইমানি করেছে ইউনূস সরকার”- বরিশালে বিক্ষোভে মাসুমা হাদি মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে পত্রিকায় গ্রেপ্তারি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ আদালতের অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহারের দাবিতে এনবিআরের সামনে বাইকারদের মানববন্ধন ডুয়েটে সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত ও শাস্তির দাবি ছাত্রদলের

ভারত হামলা করলে আমাদের পাশে থাকবে সৌদি: পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:৩৩:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৮৩ বার পড়া হয়েছে

ভবিষ্যতে ভারত যদি কখনও পাকিস্তানে হামলা করে, তাহলে ইসলামাবাদের পাশে থাকবে সৌদি আরব। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহম্মদ আসিফ এই দাবি করেছেন। গতকাল শুক্রবার পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও টিভিকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন খাজা আসিফ। সেখানে তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ভবিষ্যতে ভারত যদি কখনও পাকিস্তানকে লক্ষ্য করে হামলা করে— তাহলে সম্প্রতি পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির শর্ত মেনে ইসলামাবাদের পাশে রিয়াদ দাঁড়াবে কি না।

এর জবাবে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “হ্যাঁ, অবশ্যই। এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। সৌদির সঙ্গে আমাদের স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তির ৫ নম্বর ধারায় ‘যৌথ প্রতিরক্ষা’-এর উল্লেখ আছে; এর অর্থ হলো, চুক্তির অংশীদার কোনো দেশের ওপর যদি হামলা হয়— তাহলে তা চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী সব দেশের ওপর হামলা বলে বিবেচনা করা হবে।”

খাজা আসিফ বলেন, “আমাদের এই চুক্তিটি ন্যাটোর আদলে তৈরি করা হয়েছে; অর্থাৎ এটি প্রতিরক্ষামূলক, আক্রমণাত্মক নয়। কোনো দেশে হামলা বা আগ্রাসন চালানোর কোনো সুযোগ এখানে রাখা হয়নি। তবে যদি সৌদি আরব কিংবা পাকিস্তানের ওপর হামলা হয়, তাহলে আমরা সম্মিলিতভাবে তা প্রতিহত করব।”

গত ১৭ সেপ্টেম্বর পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তির বক্তব্য ও শর্তগুলো এখনও প্রকাশ্যে আসেনি, তবে সৌদির এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বলেছেন, “আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে এমন একটি বিস্তৃত প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছি যেখানে সামরিক সংক্রন্ত সবকিছুই অন্তর্ভুক্ত।”

প্রসঙ্গত, বিশ্বের মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র পাকিস্তানের কাছে পরমাণু অস্ত্র আছে। যদিও এটি এশিয়ার সবচেয়ে দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে একটি; তারপরও ৬ লাখ সেনাসমৃদ্ধ পাকিস্তানের সেনাবাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনীগুলোর মধ্যে অন্যতম। অনেক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষক সৌদি-পাকিস্তানের চুক্তিকে সৌদি রিয়ালের সঙ্গে পাকিস্তানি পরমাণু অস্ত্রে ‘বিবাহ’ বলে উল্লেখ করেছেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ডার্লিং, প্রশ্নপত্র এনেছি’— ছাত্রীকে ডেকে বিপাকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক

ভারত হামলা করলে আমাদের পাশে থাকবে সৌদি: পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ০২:৩৩:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ভবিষ্যতে ভারত যদি কখনও পাকিস্তানে হামলা করে, তাহলে ইসলামাবাদের পাশে থাকবে সৌদি আরব। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহম্মদ আসিফ এই দাবি করেছেন। গতকাল শুক্রবার পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও টিভিকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন খাজা আসিফ। সেখানে তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ভবিষ্যতে ভারত যদি কখনও পাকিস্তানকে লক্ষ্য করে হামলা করে— তাহলে সম্প্রতি পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির শর্ত মেনে ইসলামাবাদের পাশে রিয়াদ দাঁড়াবে কি না।

এর জবাবে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “হ্যাঁ, অবশ্যই। এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই। সৌদির সঙ্গে আমাদের স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তির ৫ নম্বর ধারায় ‘যৌথ প্রতিরক্ষা’-এর উল্লেখ আছে; এর অর্থ হলো, চুক্তির অংশীদার কোনো দেশের ওপর যদি হামলা হয়— তাহলে তা চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী সব দেশের ওপর হামলা বলে বিবেচনা করা হবে।”

খাজা আসিফ বলেন, “আমাদের এই চুক্তিটি ন্যাটোর আদলে তৈরি করা হয়েছে; অর্থাৎ এটি প্রতিরক্ষামূলক, আক্রমণাত্মক নয়। কোনো দেশে হামলা বা আগ্রাসন চালানোর কোনো সুযোগ এখানে রাখা হয়নি। তবে যদি সৌদি আরব কিংবা পাকিস্তানের ওপর হামলা হয়, তাহলে আমরা সম্মিলিতভাবে তা প্রতিহত করব।”

গত ১৭ সেপ্টেম্বর পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তির বক্তব্য ও শর্তগুলো এখনও প্রকাশ্যে আসেনি, তবে সৌদির এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বলেছেন, “আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে এমন একটি বিস্তৃত প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছি যেখানে সামরিক সংক্রন্ত সবকিছুই অন্তর্ভুক্ত।”

প্রসঙ্গত, বিশ্বের মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র পাকিস্তানের কাছে পরমাণু অস্ত্র আছে। যদিও এটি এশিয়ার সবচেয়ে দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে একটি; তারপরও ৬ লাখ সেনাসমৃদ্ধ পাকিস্তানের সেনাবাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনীগুলোর মধ্যে অন্যতম। অনেক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষক সৌদি-পাকিস্তানের চুক্তিকে সৌদি রিয়ালের সঙ্গে পাকিস্তানি পরমাণু অস্ত্রে ‘বিবাহ’ বলে উল্লেখ করেছেন।