ঢাকা , রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গ্যাস সংকটে ৩০০ কারখানা বন্ধ, দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে: বিকেএমইএ সভাপতি রংপুরে সাবেক শিক্ষকের তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে ৪ জনের লাশ উদ্ধার খিলগাঁওয়ে হাসপাতালে আগুন রাশিয়ার অর্থনীতিতে হামলা, ইউক্রেনের ‘সংবেদনশীল খাতে’ পাল্টা আঘাতের হুঁশিয়ারি পুতিনের ফিফা আশিয়ান কাপে খেলবে বাংলাদেশ বিএনপির দুই নেতা সব পদ থেকে বহিষ্কার সিরিয়ায় ইসরায়েলি হামলার নেপথ্যে কী, জানালেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ‘বেডরুমে গোপন ক্যামেরা রেখেছিলেন স্ত্রী, ফুটেজ প্রকাশের ভয় দেখিয়ে ১০ লাখ টাকা দাবি’ হত্যা করে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর বিএসএফের হাতে ধরা ২ ভাই ‘আমার পুলাডারে তারা মাইরা ফেলাইছে, পুলাডারে মাটির ঘরে রাইখা আইলাম’

আ’লীগের তিনবারের সংসদ সদস্যের চেক দিয়ে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা তুলতে গিয়ে আটক ১

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৬:১২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৭০৬ বার পড়া হয়েছে

এবার আওয়ামী লীগের তিনবারের সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের নামে ইস্যু করা ১১টি চেক ব্যবহার করে চারটি ব্যাংক থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা তুলে নেওয়ার অভিযোগে জাহাঙ্গীর আলম নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আটক ব্যক্তি সাইফুজ্জামানের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান আরামিট পিএলসির সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম)।

আজ বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামে তাকে আটক করা হয়। দুদকের আইনজীবী মোকাররম হোসেন বলেন, সাইফুজ্জামান চৌধুরীর সই করা চেকগুলোর আসল কপিসহ (মুড়ি) জাহাঙ্গীর আলমকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের মালিকের অনুপস্থিতিতে অনুমতি ছাড়া টাকা উত্তোলনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

দুদক সূত্র জানায়, গত এক সপ্তাহের মধ্যে ইসলামী ব্যাংকের কয়েকটি শাখা থেকে ১ কোটি টাকা, জনতা ব্যাংক থেকে ৩০ লাখ, সোনালী ব্যাংক থেকে ৩৬ লাখ এবং মেঘনা ব্যাংক থেকে ১০ লাখ টাকা তোলা হয়। এর আগে অর্থপাচার মামলায় দুদকের হাতে গ্রেপ্তার ব্যাংকের দুই কর্মকর্তার আইনি লড়াইয়ের খরচ বহনের জন্য এ টাকা তোলা হয়েছে বলে দাবি করেছেন জাহাঙ্গীর আলম। ওই দুই কর্মকর্তা হলেন আরামিট পিএলসির দুই এজিএম মো. আবদুল আজিজ ও উৎপল পাল।

১৭ সেপ্টেম্বর অর্থপাচারের মামলায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তবে দুদক মনে করছে, নতুন করে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের সঙ্গেও আত্মসাৎ বা পাচারের যোগসূত্র রয়েছে। গত ২৪ জুলাই সাইফুজ্জামান, তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য ও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ২৫ কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগে মামলা করে দুদক। দুদকের উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান বাদী হয়ে চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ে এই মামলা করেন।
মামলায় জাবেদ, তার স্ত্রী রুকমীলা জামান, ভাই-বোন এবং প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ৩১ জনকে আসামি করা হয়। গ্রেপ্তার আবদুল আজিজ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। তদন্তে অপরাধের প্রমাণ পাওয়ার পর কর্মকর্তা উৎপল পালের নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

১৭ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার হওয়া সাইফুজ্জামানের প্রতিষ্ঠানের দুই কর্মকর্তা মো. আবদুল আজিজ এবং উৎপল পাল দুদকের কাছে অর্থ পাচারের বিষয়টি স্বীকার করেন। তারা জানান, সাইফুজ্জামানের নির্দেশে যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে ২৫ কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস সংকটে ৩০০ কারখানা বন্ধ, দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে: বিকেএমইএ সভাপতি

আ’লীগের তিনবারের সংসদ সদস্যের চেক দিয়ে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা তুলতে গিয়ে আটক ১

আপডেট সময় ০৬:১২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

এবার আওয়ামী লীগের তিনবারের সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের নামে ইস্যু করা ১১টি চেক ব্যবহার করে চারটি ব্যাংক থেকে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা তুলে নেওয়ার অভিযোগে জাহাঙ্গীর আলম নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আটক ব্যক্তি সাইফুজ্জামানের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান আরামিট পিএলসির সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম)।

আজ বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামে তাকে আটক করা হয়। দুদকের আইনজীবী মোকাররম হোসেন বলেন, সাইফুজ্জামান চৌধুরীর সই করা চেকগুলোর আসল কপিসহ (মুড়ি) জাহাঙ্গীর আলমকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের মালিকের অনুপস্থিতিতে অনুমতি ছাড়া টাকা উত্তোলনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

দুদক সূত্র জানায়, গত এক সপ্তাহের মধ্যে ইসলামী ব্যাংকের কয়েকটি শাখা থেকে ১ কোটি টাকা, জনতা ব্যাংক থেকে ৩০ লাখ, সোনালী ব্যাংক থেকে ৩৬ লাখ এবং মেঘনা ব্যাংক থেকে ১০ লাখ টাকা তোলা হয়। এর আগে অর্থপাচার মামলায় দুদকের হাতে গ্রেপ্তার ব্যাংকের দুই কর্মকর্তার আইনি লড়াইয়ের খরচ বহনের জন্য এ টাকা তোলা হয়েছে বলে দাবি করেছেন জাহাঙ্গীর আলম। ওই দুই কর্মকর্তা হলেন আরামিট পিএলসির দুই এজিএম মো. আবদুল আজিজ ও উৎপল পাল।

১৭ সেপ্টেম্বর অর্থপাচারের মামলায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তবে দুদক মনে করছে, নতুন করে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা উত্তোলনের সঙ্গেও আত্মসাৎ বা পাচারের যোগসূত্র রয়েছে। গত ২৪ জুলাই সাইফুজ্জামান, তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য ও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ২৫ কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগে মামলা করে দুদক। দুদকের উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান বাদী হয়ে চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ে এই মামলা করেন।
মামলায় জাবেদ, তার স্ত্রী রুকমীলা জামান, ভাই-বোন এবং প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ৩১ জনকে আসামি করা হয়। গ্রেপ্তার আবদুল আজিজ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। তদন্তে অপরাধের প্রমাণ পাওয়ার পর কর্মকর্তা উৎপল পালের নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

১৭ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার হওয়া সাইফুজ্জামানের প্রতিষ্ঠানের দুই কর্মকর্তা মো. আবদুল আজিজ এবং উৎপল পাল দুদকের কাছে অর্থ পাচারের বিষয়টি স্বীকার করেন। তারা জানান, সাইফুজ্জামানের নির্দেশে যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে ২৫ কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে।