বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আওয়ামী লীগের জন্ম থেকে শেষ পর্যন্ত তাদের চেতনায়, রক্তে ও ডিএনএ-তে গণতন্ত্রের বীজ নেই। শনিবার রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
সালাহউদ্দিন বলেন, “বাকশাল প্রতিষ্ঠা করে সাংবিধানিকভাবে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের বিলুপ্ত করা হয়, প্রশাসনের কোনো স্তরেই গণতান্ত্রিক প্রতিনিধিত্ব ছিল না। এটি আওয়ামী গণতন্ত্রের প্রকৃত চিত্র।” তিনি আরও বলেন, শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার কন্যা শেখ হাসিনা স্বতঃসিদ্ধভাবে এই অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার উদাহরণ দিয়েছেন।
তিনি যুক্তি দেখান যে, যেখানে গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের পথ বন্ধ থাকে, সেখানে অগণতান্ত্রিক পদ্ধতি আবশ্যকভাবে দেখা দেয়। ৭ নভেম্বরের ঘটনা তা প্রমাণ করে, যখন বাংলাদেশের মানুষ দেশের অস্তিত্ব, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল।
সালাহউদ্দিন বলেন, “চতুর্থ সংবিধান সংশোধনী অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার প্রবর্তিত হয়, যেখানে রাষ্ট্রপতি নিজেকে নির্বাচিত ঘোষণা করেন এবং সবাইকে একটি মাত্র দলে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়। বিচার বিভাগও রাষ্ট্রপতির অধীনে চলে আসে এবং রাষ্ট্রপতি কাউকে ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগে বরখাস্ত করতে পারেন।”
তিনি যোগ করেন, “গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সরকার পরিবর্তনের অধিকার না থাকলে, অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার উদ্ভব অনিবার্য। ইতিহাসে এমন উদাহরণ বহুবার দেখা গেছে।”

ডেস্ক রিপোর্ট 
























