ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ভারতের তুলনায় পাকিস্তানের কোক স্টুডিও সেরা: আতিফ আসলাম দেশে তিন বছরে বন্ধ ৪ শতাধিক গার্মেন্টস কারখানা আসিফের দু/র্নী/তি/কা/ণ্ডে সচিবসহ ফেঁ/সে যাচ্ছেন যেসব ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা দেশে প্রধান অপরাধের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গ্যাস সংকটে নরসিংদীতে কাঠ পুড়িয়ে শতাধিক কারখানা সচলের চেষ্টা স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেওয়ার ঘোষণা এনসিপির বাংলাদেশে বিদ্যুৎ রপ্তানি বন্ধ করল নেপাল জামালপুরে রাজিব বাস ইস্যুতে এনসিপির মানববন্ধনে হামলা জ্বালানি পরিশোধনের সক্ষমতা বাড়াতে ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দিচ্ছে আইডিবি এমপি হয়ে প্রথমবার সংসদে নিজ দপ্তরে মির্জা আব্বাস

দুনিয়ার মোহ-ই সকল অন্যায়ের কারণ: চরমোনাই পীর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৭:০১:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ৩০৯ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটির আমীরুল মুজাহিদীন, পীর সাহেব চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, আল্লাহ মানুষকে দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন নির্দিষ্ট দায়িত্ব ও পরীক্ষার মাধ্যমে। এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার ওপরই মানুষের সফলতা-ব্যর্থতা নির্ভর করে। চরমোনাই মাহফিলের উদ্দেশ্য কোনো দুনিয়াবি লাভ নয়—মানুষকে আল্লাহভীতি, দায়িত্ব ও কর্তব্যের প্রতি সতর্ক করা এবং আল্লাহর সঙ্গে সম্পৃক্ত করাই এর মূল লক্ষ্য।

বুধবার জোহরের নামাজের পর তিন দিনব্যাপী অগ্রহায়ণের মাহফিলের উদ্বোধনী বয়ানে তিনি এ কথা বলেন।

পীর সাহেব বলেন, দুনিয়ার মোহ–লোভই অন্যায়ের মূল কারণ। তাই যারা প্রথমবার মাহফিলে এসেছেন তাদের দুনিয়ার চিন্তা-ভাবনা বাদ দিয়ে আখেরাতের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। বড়ত্ব, অহংকার ও ‘আমি’ ভাব ত্যাগ করে আল্লাহর নির্দেশিত পথে নিজেকে বিলীন করাই প্রকৃত সফলতা বলে উল্লেখ করেন তিনি। জিকিরের মাধ্যমে হৃদয়কে পরিশুদ্ধ করে আল্লাহর ওলী হয়ে বিদায় নেওয়ার তাগিদ দেন তিনি।

রাষ্ট্রীয় জীবনকে ইসলামের আলোকে পরিচালিত করলেই প্রকৃত মুক্তি মিলবে বলেও মন্তব্য করেন পীর সাহেব চরমোনাই। উদ্বোধনী বয়ান শেষে তিনি মাহফিলের নিয়ম-কানুন তুলে ধরেন।

এদিকে মাহফিল কেন্দ্রিক বিশাল আয়োজনও তুলে ধরা হয়েছে। বুধবার সকাল ৮টা থেকে কয়েক হাজার হালকায় বিভক্ত করে সালাত ও ইসলামের মৌলিক বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। মুসল্লিদের প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য স্থায়ী ১০০ শয্যার মাহফিল হাসপাতালে ১৩ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ মোট ৪০ জন চিকিৎসক দায়িত্ব পালন করছেন। মাঠজুড়ে রয়েছে ১০টি অ্যাম্বুল্যান্স ও ২টি নৌ–অ্যাম্বুল্যান্স, সঙ্গে বিশেষ স্বেচ্ছাসেবক দল দ্রুত রোগী পৌঁছানোর কাজে নিয়োজিত।

দুইটি বড় মাঠে শৃঙ্খলা রক্ষায় স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী এবং বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটির নিরাপত্তা টিম দায়িত্ব পালন করছে। হারানো ব্যক্তিবর্গ বা সামগ্রী খুঁজে পেতে প্রতিটি মাঠে রাখা হয়েছে হারানো-প্রাপ্তি ক্যাম্প।

আগামী ২৯ নভেম্বর সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে পীর সাহেব চরমোনাইয়ের আখেরি বয়ানের মধ্য দিয়ে তিনদিনব্যাপী এই মহাসমাবেশের সমাপ্তি হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের তুলনায় পাকিস্তানের কোক স্টুডিও সেরা: আতিফ আসলাম

দুনিয়ার মোহ-ই সকল অন্যায়ের কারণ: চরমোনাই পীর

আপডেট সময় ০৭:০১:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটির আমীরুল মুজাহিদীন, পীর সাহেব চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, আল্লাহ মানুষকে দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন নির্দিষ্ট দায়িত্ব ও পরীক্ষার মাধ্যমে। এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার ওপরই মানুষের সফলতা-ব্যর্থতা নির্ভর করে। চরমোনাই মাহফিলের উদ্দেশ্য কোনো দুনিয়াবি লাভ নয়—মানুষকে আল্লাহভীতি, দায়িত্ব ও কর্তব্যের প্রতি সতর্ক করা এবং আল্লাহর সঙ্গে সম্পৃক্ত করাই এর মূল লক্ষ্য।

বুধবার জোহরের নামাজের পর তিন দিনব্যাপী অগ্রহায়ণের মাহফিলের উদ্বোধনী বয়ানে তিনি এ কথা বলেন।

পীর সাহেব বলেন, দুনিয়ার মোহ–লোভই অন্যায়ের মূল কারণ। তাই যারা প্রথমবার মাহফিলে এসেছেন তাদের দুনিয়ার চিন্তা-ভাবনা বাদ দিয়ে আখেরাতের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। বড়ত্ব, অহংকার ও ‘আমি’ ভাব ত্যাগ করে আল্লাহর নির্দেশিত পথে নিজেকে বিলীন করাই প্রকৃত সফলতা বলে উল্লেখ করেন তিনি। জিকিরের মাধ্যমে হৃদয়কে পরিশুদ্ধ করে আল্লাহর ওলী হয়ে বিদায় নেওয়ার তাগিদ দেন তিনি।

রাষ্ট্রীয় জীবনকে ইসলামের আলোকে পরিচালিত করলেই প্রকৃত মুক্তি মিলবে বলেও মন্তব্য করেন পীর সাহেব চরমোনাই। উদ্বোধনী বয়ান শেষে তিনি মাহফিলের নিয়ম-কানুন তুলে ধরেন।

এদিকে মাহফিল কেন্দ্রিক বিশাল আয়োজনও তুলে ধরা হয়েছে। বুধবার সকাল ৮টা থেকে কয়েক হাজার হালকায় বিভক্ত করে সালাত ও ইসলামের মৌলিক বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। মুসল্লিদের প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য স্থায়ী ১০০ শয্যার মাহফিল হাসপাতালে ১৩ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ মোট ৪০ জন চিকিৎসক দায়িত্ব পালন করছেন। মাঠজুড়ে রয়েছে ১০টি অ্যাম্বুল্যান্স ও ২টি নৌ–অ্যাম্বুল্যান্স, সঙ্গে বিশেষ স্বেচ্ছাসেবক দল দ্রুত রোগী পৌঁছানোর কাজে নিয়োজিত।

দুইটি বড় মাঠে শৃঙ্খলা রক্ষায় স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী এবং বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটির নিরাপত্তা টিম দায়িত্ব পালন করছে। হারানো ব্যক্তিবর্গ বা সামগ্রী খুঁজে পেতে প্রতিটি মাঠে রাখা হয়েছে হারানো-প্রাপ্তি ক্যাম্প।

আগামী ২৯ নভেম্বর সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে পীর সাহেব চরমোনাইয়ের আখেরি বয়ানের মধ্য দিয়ে তিনদিনব্যাপী এই মহাসমাবেশের সমাপ্তি হবে।