পাকিস্তানের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আতিফ আসলাম একসময় ভারতীয় সিনেমাতেও তুমুল জনপ্রিয় ছিলেন। এবার ভারতের তুলনায় পাকিস্তানের কোক স্টুডিওকে এগিয়ে রাখলেন এই সংগীত তারকা।
সম্প্রতি কোক স্টুডিও পাকিস্তান ও কোক স্টুডিও ভারত-এর পার্থক্য নিয়ে মন্তব্য করেন আতিফ আসলাম। ১ সেপ্টেম্বর মির্চি ইউএইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তাকে প্রশ্ন করা হয়, দুই দেশের কোক স্টুডিওর মধ্যে বড় পার্থক্য কোথায়?
হাসতে হাসতে আতিফ বলেন, ‘ম্যাজিক।’ এরপরই তিনি মন্তব্য করেন, ভারতীয় কোক স্টুডিওতে সেই ম্যাজিকের উপস্থিতি নেই বললেই চলে।
আতিফের ভাষ্য, ভারতীয় কোক স্টুডিও তুলনামূলকভাবে বেশি বাণিজ্যিক ও মুনাফানির্ভর। অন্যদিকে পাকিস্তানি কোক স্টুডিওর মূল শক্তি মৌলিক কম্পোজিশন ও সুর, যা শ্রোতাদের বেশি আকৃষ্ট করে।
সাক্ষাৎকারে ভারতে পাকিস্তানি শিল্পীদের কাজ করার ওপর প্রায় এক দশকের নিষেধাজ্ঞা নিয়েও কথা বলেন আতিফ। তিনি জানান, বলিউডকে মিস না করলেও ভারতের ভক্তদের ভীষণ মিস করেন।
‘ওহ লামহে’, ‘তু জানে না’-এর মতো জনপ্রিয় গানের এই শিল্পীর দাবি, এখনো ভারতের শ্রোতারা ভিপিএন ব্যবহার করে এবং সিডি কিনে তার গান শোনেন। তার মতে, ভারতে কাজের নিষেধাজ্ঞা তাকে স্বতন্ত্র সংগীত ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে এবং মৌলিক অ্যালবাম তৈরিতে আরও মনোযোগী হতে সাহায্য করেছে।
সংগীতজগতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের ব্যবহার নিয়েও নিজের মত জানান আতিফ আসলাম। তিনি বলেন, এআই হয়তো মানুষের কণ্ঠ নকল করতে পারবে; কিন্তু মৌলিক সুর, আবেগ কিংবা বিষয়বস্তু তৈরি করতে পারবে না।
সাক্ষাৎকারে মজার ছলে নিজের ক্যারিয়ারের অন্যতম বলিউড সিনেমা ‘প্রিন্স’-এর ‘তেরে লিয়ে’ গান নিয়েও কথা বলেন আতিফ। জানান, গানটি তিনি নিজেই গাইতে চাননি। তার মনে হয়েছিল, অন্য কোনো শিল্পী গাইলে হয়তো গানটি আরও ভালো হতো।
এদিকে দীর্ঘ ১৯ বছর পর নতুন অ্যালবাম নিয়ে ফিরেছেন আতিফ আসলাম। ‘সুবাহ আয়ে না’ নামের অ্যালবামটিতে রয়েছে আটটি গান।

ডেস্ক রিপোর্ট 
























