ঢাকা , মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই ৩ দাবি মানলে ঢাকা শহরে আর ককটেল ফুটবে না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী একজন অপদার্থকে বিদ্যুৎমন্ত্রী বানিয়ে রাখা হয়েছে: জামায়াত আমির পড়তে-লিখতে জানেন না, শুনে শুনে ৭১ বছরে পুরো কোরআন হিফজ! সিঙ্গাপুরের ৬১তম জাতীয় দিবস উপলক্ষে সংবর্ধনায় জামায়াত নেতারা জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি নাহিদ ইসলামের ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিখোঁজের ২ দিন পর শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার বিশ্ববাজারে তৃতীয় দফায় তেলের দামে বড় পতন মোহনপুরে বিধবা নারীকে মারধরের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জে মসজিদে সোফা বসিয়ে সংসদ সদস্যের সভা

সবার জন্য ন্যায়ভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র গড়তে চাই: জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান”

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৪৩:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৯৮ বার পড়া হয়েছে

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “আমরা এমন এক কল্যাণ রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখি, যেখানে অভিজাত শ্রেণি যেমন সুবিধা পাবে, তেমনি সমাজের বঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া মানুষও সমানভাবে কল্যাণ ভোগ করবে।”

বুধবার আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর কুড়িলে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের একটি বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, “যে দেশে প্রকৃত কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত, সেখানে ‘স্পেশাল নিড বেবি’দের জন্য একজন সহায়তাকারী নিয়োগ দেয়া হয় এবং তার সব বেতন-ভাতা রাষ্ট্র বহন করে। এই ব্যক্তি মা, বাবা বা পরিবারের অন্য কেউও হতে পারেন।”
তিনি সবাইকে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের প্রতি সংবেদনশীল, দায়িত্বশীল ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

পরিদর্শনকালে ডা. শফিকুর রহমান শিশুদের সঙ্গে সময় কাটান এবং তাদের শিক্ষাদান, পরিচর্যা ও পরিবেশ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি অভিভাবক, শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানের পরিচালকদের প্রয়োজন, চ্যালেঞ্জ ও অভিব্যক্তি মনোযোগ দিয়ে শোনেন।

জামায়াত আমির বলেন, “এই শিশুদের নিষ্পাপ হাসি, শেখার আগ্রহ ও সম্ভাবনা আমাকে গভীরভাবে আলোড়িত করেছে। যারা তাদের নিয়ে কাজ করছেন—শিক্ষক, পরিচালক ও অভিভাবকদের ত্যাগ, ধৈর্য ও মমত্ববোধ সত্যিই প্রশংসার যোগ্য।”

তিনি আরও বলেন, সমাজে প্রতিষ্ঠিত অভিজাতদের জন্য নয়, বরং বঞ্চিত ও কষ্টে থাকা মানুষের কল্যাণেই তার পরিশ্রম ও চিন্তা নিবেদিত।
তিনি ‘প্রতিবন্ধী’ শব্দটির পরিবর্তে ‘স্পেশাল নিড বেবিজ’ শব্দ ব্যবহার করে বলেন, “এই শিশুদের পরিবার, বিশেষ করে মায়েরা অনেক সময় সমাজ ও আত্মীয়স্বজনের কাছেও অবহেলা অনুভব করেন। এটি আমাদের অজ্ঞতা ছাড়া কিছুই নয়। তারা বিশাল সামাজিক দায়িত্ব পালন করছেন—তাদের পূর্ণ সমর্থন দেওয়া সমাজের কর্তব্য।”

তিনি বলেন, এসব শিশুদের আলাদা করে নয়, বরং যাদের যে ক্ষেত্রে সম্ভাবনা আছে, সেই পথে এগিয়ে নিতে সমাজকে ভূমিকা রাখতে হবে।

পরিদর্শনে তার সঙ্গে ছিলেন শিক্ষাবিদ ও গবেষক ড. ইঞ্জিনিয়ার জুবায়ের আহমেদ এবং খিলক্ষেত থানা জামায়াতের আমির হাসনাইন আহমেদ।


ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই

সবার জন্য ন্যায়ভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র গড়তে চাই: জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান”

আপডেট সময় ১০:৪৩:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “আমরা এমন এক কল্যাণ রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখি, যেখানে অভিজাত শ্রেণি যেমন সুবিধা পাবে, তেমনি সমাজের বঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া মানুষও সমানভাবে কল্যাণ ভোগ করবে।”

বুধবার আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর কুড়িলে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের একটি বিদ্যালয় পরিদর্শনকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, “যে দেশে প্রকৃত কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত, সেখানে ‘স্পেশাল নিড বেবি’দের জন্য একজন সহায়তাকারী নিয়োগ দেয়া হয় এবং তার সব বেতন-ভাতা রাষ্ট্র বহন করে। এই ব্যক্তি মা, বাবা বা পরিবারের অন্য কেউও হতে পারেন।”
তিনি সবাইকে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের প্রতি সংবেদনশীল, দায়িত্বশীল ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

পরিদর্শনকালে ডা. শফিকুর রহমান শিশুদের সঙ্গে সময় কাটান এবং তাদের শিক্ষাদান, পরিচর্যা ও পরিবেশ সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি অভিভাবক, শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানের পরিচালকদের প্রয়োজন, চ্যালেঞ্জ ও অভিব্যক্তি মনোযোগ দিয়ে শোনেন।

জামায়াত আমির বলেন, “এই শিশুদের নিষ্পাপ হাসি, শেখার আগ্রহ ও সম্ভাবনা আমাকে গভীরভাবে আলোড়িত করেছে। যারা তাদের নিয়ে কাজ করছেন—শিক্ষক, পরিচালক ও অভিভাবকদের ত্যাগ, ধৈর্য ও মমত্ববোধ সত্যিই প্রশংসার যোগ্য।”

তিনি আরও বলেন, সমাজে প্রতিষ্ঠিত অভিজাতদের জন্য নয়, বরং বঞ্চিত ও কষ্টে থাকা মানুষের কল্যাণেই তার পরিশ্রম ও চিন্তা নিবেদিত।
তিনি ‘প্রতিবন্ধী’ শব্দটির পরিবর্তে ‘স্পেশাল নিড বেবিজ’ শব্দ ব্যবহার করে বলেন, “এই শিশুদের পরিবার, বিশেষ করে মায়েরা অনেক সময় সমাজ ও আত্মীয়স্বজনের কাছেও অবহেলা অনুভব করেন। এটি আমাদের অজ্ঞতা ছাড়া কিছুই নয়। তারা বিশাল সামাজিক দায়িত্ব পালন করছেন—তাদের পূর্ণ সমর্থন দেওয়া সমাজের কর্তব্য।”

তিনি বলেন, এসব শিশুদের আলাদা করে নয়, বরং যাদের যে ক্ষেত্রে সম্ভাবনা আছে, সেই পথে এগিয়ে নিতে সমাজকে ভূমিকা রাখতে হবে।

পরিদর্শনে তার সঙ্গে ছিলেন শিক্ষাবিদ ও গবেষক ড. ইঞ্জিনিয়ার জুবায়ের আহমেদ এবং খিলক্ষেত থানা জামায়াতের আমির হাসনাইন আহমেদ।