ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হত্যার পর গৃহকর্মী আয়েশাকে পালাতে সহায়তা করে তার স্বামী: পুলিশ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:৪০:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৬৩৬ বার পড়া হয়েছে

এবার রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মা ও মেয়ে হত্যার ঘটনায় মূল আসামি গৃহকর্মী আয়েশাকে ঝালকাঠি থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হত্যার পর গৃহকর্মী আয়েশা তার স্বামীর সঙ্গে বিষয়টি শেয়ার করলে তার স্বামী রাব্বী তাকে পালাতে সহায়তা করে।

আজ বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের এডিসি মোহাম্মাদ জুয়েল রানা এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, নলছিটির দাদা শ্বশুরের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ। খুনের পর আয়েশা তার স্বামী রাব্বীকে হত্যার বিষয়ে জানালে তারা ঢাকা থেকে পালিয়ে যান।

আয়েশাকে পালাতে সহায়তা করে স্বামী রাব্বী। জোড়া খুনের ৬ মাস আগে মোহাম্মদপুরের বছিলার একটি বাসায় চুরি করেছিল আয়েশা। সে সময় তার ব্যাপারে অভিযোগ করা হয়েছিল। সেই অভিযোগের সূত্র ধরে আয়েশার খোঁজ শুরু করে পুলিশ। অবশেষে সকালে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা যাবে হত্যার কারণ।

এর আগে, সোমবার সকালে শাহজাহান রোডের ১৪ তলা একটি আবাসিক ভবনের সপ্তম তলায় গৃহকত্রী লায়লা আফরোজ ও তার মেয়ে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিয়াকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনা ঘটে। এই হত্যার ঘটনায় অন্যতম সন্দেহভাজন ছিল গৃহকর্মী আয়েশা। ঘটনার দিন সকাল ৭টা ৫২ মিনিটে বোরকা পরে বাসায় ঢোকে সে। আর সাড়ে ৯টার নাগাদ মা-মেয়েকে খুন করে মেয়ে নাফিসার স্কুল ড্রেস পরে ব্যাগ নিয়ে বের হয়ে যায়। এই জোড়া খুনের ঘটনায় সোমবার রাতে নিহত লায়লা আফরোজের স্বামী আজিজুল ইসলাম মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

হত্যার পর গৃহকর্মী আয়েশাকে পালাতে সহায়তা করে তার স্বামী: পুলিশ

আপডেট সময় ০২:৪০:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

এবার রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মা ও মেয়ে হত্যার ঘটনায় মূল আসামি গৃহকর্মী আয়েশাকে ঝালকাঠি থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। হত্যার পর গৃহকর্মী আয়েশা তার স্বামীর সঙ্গে বিষয়টি শেয়ার করলে তার স্বামী রাব্বী তাকে পালাতে সহায়তা করে।

আজ বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের এডিসি মোহাম্মাদ জুয়েল রানা এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, নলছিটির দাদা শ্বশুরের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ। খুনের পর আয়েশা তার স্বামী রাব্বীকে হত্যার বিষয়ে জানালে তারা ঢাকা থেকে পালিয়ে যান।

আয়েশাকে পালাতে সহায়তা করে স্বামী রাব্বী। জোড়া খুনের ৬ মাস আগে মোহাম্মদপুরের বছিলার একটি বাসায় চুরি করেছিল আয়েশা। সে সময় তার ব্যাপারে অভিযোগ করা হয়েছিল। সেই অভিযোগের সূত্র ধরে আয়েশার খোঁজ শুরু করে পুলিশ। অবশেষে সকালে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা যাবে হত্যার কারণ।

এর আগে, সোমবার সকালে শাহজাহান রোডের ১৪ তলা একটি আবাসিক ভবনের সপ্তম তলায় গৃহকত্রী লায়লা আফরোজ ও তার মেয়ে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিয়াকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনা ঘটে। এই হত্যার ঘটনায় অন্যতম সন্দেহভাজন ছিল গৃহকর্মী আয়েশা। ঘটনার দিন সকাল ৭টা ৫২ মিনিটে বোরকা পরে বাসায় ঢোকে সে। আর সাড়ে ৯টার নাগাদ মা-মেয়েকে খুন করে মেয়ে নাফিসার স্কুল ড্রেস পরে ব্যাগ নিয়ে বের হয়ে যায়। এই জোড়া খুনের ঘটনায় সোমবার রাতে নিহত লায়লা আফরোজের স্বামী আজিজুল ইসলাম মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন।