ঢাকা , শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সকালে স্বামী বিকেলে স্ত্রীর মৃত্যু, বাকরুদ্ধ সন্তানরা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৩৮:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪৯১ বার পড়া হয়েছে

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার মনপুরা গ্রামে একই দিনে স্বামী ও স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোক। দীর্ঘদিনের দাম্পত্য জীবনের সঙ্গীকে হারানোর বেদনা সইতে না পেরে স্বামীর মৃত্যুর মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে স্ত্রীও পৃথিবী ছেড়ে গেছেন।
বৃহস্পতিবার ভোর ৫টার দিকে মনপুরা গ্রামের বাসিন্দা জাফর মিয়া (৭০) স্ট্রোক করে মারা যান। স্বামীর মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর থেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তার সহধর্মিণী নাজমা বেগম (৫৫)। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের সঙ্গীকে হারানোর শোক তিনি মেনে নিতে পারছিলেন না। অবশেষে স্বামীর মৃত্যুর ১২ ঘণ্টা পর বিকেল ৫টার দিকে তিনিও মারা যান।
স্থানীয়দের ধারণা, স্বামীর শোকই নাজমা বেগমের মৃত্যুর প্রধান কারণ। একই দিনে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যুতে গ্রামজুড়ে শোকের আবহ সৃষ্টি হয়েছে।
মৃত দম্পতির দুই ছেলে ও দুই মেয়ের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে বাড়ির আঙিনা। বাবা-মাকে একদিনেই হারিয়ে তারা যেন বাকরুদ্ধ, শোক প্রকাশের ভাষা খুঁজে পাচ্ছেন না।
স্থানীয় ইউপি সদস্য কাউছার প্রধান বলেন, “একই দিনে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু মেনে নেওয়া খুবই কষ্টকর। স্বামীর শোকে স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। সন্তানদের কীভাবে সান্ত্বনা দেব, সেই ভাষাও খুঁজে পাচ্ছি না।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সকালে স্বামী বিকেলে স্ত্রীর মৃত্যু, বাকরুদ্ধ সন্তানরা

আপডেট সময় ১০:৩৮:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার মনপুরা গ্রামে একই দিনে স্বামী ও স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোক। দীর্ঘদিনের দাম্পত্য জীবনের সঙ্গীকে হারানোর বেদনা সইতে না পেরে স্বামীর মৃত্যুর মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে স্ত্রীও পৃথিবী ছেড়ে গেছেন।
বৃহস্পতিবার ভোর ৫টার দিকে মনপুরা গ্রামের বাসিন্দা জাফর মিয়া (৭০) স্ট্রোক করে মারা যান। স্বামীর মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর থেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তার সহধর্মিণী নাজমা বেগম (৫৫)। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের সঙ্গীকে হারানোর শোক তিনি মেনে নিতে পারছিলেন না। অবশেষে স্বামীর মৃত্যুর ১২ ঘণ্টা পর বিকেল ৫টার দিকে তিনিও মারা যান।
স্থানীয়দের ধারণা, স্বামীর শোকই নাজমা বেগমের মৃত্যুর প্রধান কারণ। একই দিনে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যুতে গ্রামজুড়ে শোকের আবহ সৃষ্টি হয়েছে।
মৃত দম্পতির দুই ছেলে ও দুই মেয়ের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে বাড়ির আঙিনা। বাবা-মাকে একদিনেই হারিয়ে তারা যেন বাকরুদ্ধ, শোক প্রকাশের ভাষা খুঁজে পাচ্ছেন না।
স্থানীয় ইউপি সদস্য কাউছার প্রধান বলেন, “একই দিনে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু মেনে নেওয়া খুবই কষ্টকর। স্বামীর শোকে স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। সন্তানদের কীভাবে সান্ত্বনা দেব, সেই ভাষাও খুঁজে পাচ্ছি না।”