ঢাকা , মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিনামূল্যে ১০ লিটার মদ না দেয়ায় ম্যানেজারের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন! প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সুরক্ষার অভাবে গাজা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে: জাতিসংঘে ড. খলিলুর বিএনপির কার্যালয় পোড়ানো মামলায় গ্রেপ্তার, পরদিনই আ.লীগ কর্মীর জামিন জাতিসংঘে তারেক রহমানের সঙ্গে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক শিশু রাকিবাকে হত্যার সাড়ে তিন মাস পর মরদেহ উদ্ধার, মা-প্রেমিকসহ গ্রেপ্তার ৩ নাসীরউদ্দীন পাটোয়ারীর বক্তব্য খণ্ডিতভাবে প্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এনসিপির ছাত্রীর সঙ্গে মাদরাসা শিক্ষকের আপত্তিকর মূহুর্ত, ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তার দাবি যুবদল সভাপতির যুক্তরাষ্ট্র আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে শক্তিশালী: ট্রাম্প মেহেরপুর সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও দলীয়করনের প্রতিবাদে স্মারকলিপি দিতে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষেধ 

ড. ইউনূস-তারেক রহমানের বৈঠককে কেন্দ্র করে লন্ডন গেলেন আমির খসরু

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:৪৬:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫
  • ৫৬০ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাজ্যে সফররত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘ওয়ান টু ওয়ান’ বৈঠক হতে যাচ্ছে।

বৈঠকটি আগামী শুক্রবার, ১৩ জুন, স্থানীয় সময় সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত লন্ডনের ডরচেস্টার হোটেলে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এ বৈঠককে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যেই লন্ডনে পাড়ি জমিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, এটাই হবে ড. ইউনূস ও তারেক রহমানের প্রথম সরাসরি একান্ত সাক্ষাৎ। প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে বৈঠকটির সময় ও স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে এবং তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

এই বৈঠককে ঘিরে সোমবার রাতে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে তারেক রহমান বৈঠকের বিষয়ে নেতাদের সঙ্গে পরামর্শ করেন এবং তাদের মতামত নেন।

যদিও বিএনপির শীর্ষ নেতারা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বৈঠকের বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি নন, তবে তারা ‘পজেটিভ ইঙ্গিত’ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন,
“লন্ডনে প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বৈঠক রাজনীতির জন্য একটি টার্নিং পয়েন্ট হতে পারে।”

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে, বিশেষ করে নির্বাচন ও সংস্কার প্রশ্নে বিএনপি ও অন্তর্বর্তী সরকারের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন যখন চরমে, তখন এমন উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক রাজনৈতিক অচলাবস্থার বরফ গলাতে সহায়ক হতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিনামূল্যে ১০ লিটার মদ না দেয়ায় ম্যানেজারের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন!

ড. ইউনূস-তারেক রহমানের বৈঠককে কেন্দ্র করে লন্ডন গেলেন আমির খসরু

আপডেট সময় ০৫:৪৬:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ জুন ২০২৫

যুক্তরাজ্যে সফররত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে লন্ডনে অবস্থানরত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘ওয়ান টু ওয়ান’ বৈঠক হতে যাচ্ছে।

বৈঠকটি আগামী শুক্রবার, ১৩ জুন, স্থানীয় সময় সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত লন্ডনের ডরচেস্টার হোটেলে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এ বৈঠককে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যেই লন্ডনে পাড়ি জমিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, এটাই হবে ড. ইউনূস ও তারেক রহমানের প্রথম সরাসরি একান্ত সাক্ষাৎ। প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে বৈঠকটির সময় ও স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে এবং তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

এই বৈঠককে ঘিরে সোমবার রাতে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলের স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে তারেক রহমান বৈঠকের বিষয়ে নেতাদের সঙ্গে পরামর্শ করেন এবং তাদের মতামত নেন।

যদিও বিএনপির শীর্ষ নেতারা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বৈঠকের বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি নন, তবে তারা ‘পজেটিভ ইঙ্গিত’ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন,
“লন্ডনে প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বৈঠক রাজনীতির জন্য একটি টার্নিং পয়েন্ট হতে পারে।”

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে, বিশেষ করে নির্বাচন ও সংস্কার প্রশ্নে বিএনপি ও অন্তর্বর্তী সরকারের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন যখন চরমে, তখন এমন উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক রাজনৈতিক অচলাবস্থার বরফ গলাতে সহায়ক হতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।