ঢাকা , সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিএনপির কার্যালয়সহ ১৫ বাড়িতে আ.লীগ নেতাকর্মীদের ভাঙচুর-লুটপাট ট্রাম্পের দেওয়া চুক্তির সংশোধনী প্রত্যাখ্যান করল ইরান বাধ্য হয়ে দাম বাড়ানো হয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ প্রদর্শন বন্ধের প্রতিবাদে মানববন্ধনের ডাক রুমিন ফারহানার ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের ওপর হামলার ঘটনায় জামায়াতের তীব্র নিন্দা ‘প্রধানমন্ত্রীর অল্প বয়স, এখনো বুদ্ধি পাকা হয় নাই’- বক্তব্য দেওয়ায় বিএনপি নেতাকে শোকজ মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ দেশের ইতিহাসে বিরল: সর্ব মিত্র উল্টাপাল্টা কথা বইলা মটকা গরম করবেন না, সামলাইতে পারবেন না: মাসুদ আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর অপরাধ খুঁজে দেখছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী গড়ে ২০% মূল্যবৃদ্ধির পথে বিদ্যুৎ, জুন থেকেই কার্যকরের আভাস

টিউলিপের সঙ্গে সাক্ষাতে অস্বীকৃতি ড. ইউনূসের, বললেন ‘আইনি প্রক্রিয়ায় বাধা দিতে চাই না’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৫১:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ জুন ২০২৫
  • ৩১৩ বার পড়া হয়েছে

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন, তিনি তার চলমান যুক্তরাজ্য সফরের সময় লেবার পার্টির এমপি টিউলিপ সিদ্দিকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন না। বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “না, করব না, কারণ এটা আইনি প্রক্রিয়া। আমি আইনি প্রক্রিয়ায় বাধা দিতে চাই না। প্রক্রিয়াটি চলতে থাকুক।”

এর আগে টিউলিপ সিদ্দিক এক চিঠিতে ড. ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাতের অনুরোধ করেছিলেন। চিঠিতে তিনি লিখেছিলেন, “ঢাকায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মাধ্যমে তৈরি হওয়া ভুল বোঝাবুঝি পরিষ্কার করতেও এই সাক্ষাৎ সহায়ক হতে পারে।”

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে টিউলিপের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করছে দুদক। অভিযোগ উঠেছে, তিনি তার খালা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে অবৈধভাবে সরকারি জমি গ্রহণ করেছিলেন। যদিও টিউলিপ এসব অভিযোগ জোরালোভাবে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলছেন, এসব ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার’।

টিউলিপ আরও অভিযোগ করেন, বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষ তার আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে এবং ভুয়া ঠিকানায় চিঠি পাঠাচ্ছে যেখানে তিনি কখনও থাকেননি।

এ বিষয়ে ড. ইউনূস বলেন, “এটি আদালতের বিষয়। আদালতই সিদ্ধান্ত নেবে মামলা চালিয়ে নেওয়ার মতো যথেষ্ট উপাদান আছে কিনা, অথবা তা বাতিল করার জন্য। দুর্নীতি দমন কমিশনের ওপর আমার পূর্ণ আস্থা আছে এবং তারা সঠিক কাজটিই করছে।”

সাংবাদিকরা জানতে চাইলে, টিউলিপ সিদ্দিক যদি বাংলাদেশে অপরাধে দোষী প্রমাণিত হন তবে তাকে প্রত্যর্পণের জন্য যুক্তরাজ্যের কাছে আবেদন করা হবে কি না—এই প্রশ্নে ড. ইউনূস বলেন, “যদি এটি আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হয়, তবে অবশ্যই।”

এক বিবৃতিতে টিউলিপ বলেন, “ড. ইউনূস আমার সঙ্গে দেখা করতে অস্বীকৃতি জানানোয় আমি হতাশ। মিডিয়ার কাছে প্রমাণ ছাড়া কাল্পনিক অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে এবং তিনি সে প্রচারের কেন্দ্রে রয়েছেন। আমি আশা করি তিনি এখন অপপ্রচার বন্ধে গুরুত্ব সহকারে কাজ করবেন এবং আদালতকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে দেবেন।”

তথ্যসূত্র: বিবিসি

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির কার্যালয়সহ ১৫ বাড়িতে আ.লীগ নেতাকর্মীদের ভাঙচুর-লুটপাট

টিউলিপের সঙ্গে সাক্ষাতে অস্বীকৃতি ড. ইউনূসের, বললেন ‘আইনি প্রক্রিয়ায় বাধা দিতে চাই না’

আপডেট সময় ০৯:৫১:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ জুন ২০২৫

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন, তিনি তার চলমান যুক্তরাজ্য সফরের সময় লেবার পার্টির এমপি টিউলিপ সিদ্দিকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন না। বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “না, করব না, কারণ এটা আইনি প্রক্রিয়া। আমি আইনি প্রক্রিয়ায় বাধা দিতে চাই না। প্রক্রিয়াটি চলতে থাকুক।”

এর আগে টিউলিপ সিদ্দিক এক চিঠিতে ড. ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাতের অনুরোধ করেছিলেন। চিঠিতে তিনি লিখেছিলেন, “ঢাকায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মাধ্যমে তৈরি হওয়া ভুল বোঝাবুঝি পরিষ্কার করতেও এই সাক্ষাৎ সহায়ক হতে পারে।”

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে টিউলিপের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করছে দুদক। অভিযোগ উঠেছে, তিনি তার খালা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে অবৈধভাবে সরকারি জমি গ্রহণ করেছিলেন। যদিও টিউলিপ এসব অভিযোগ জোরালোভাবে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলছেন, এসব ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার’।

টিউলিপ আরও অভিযোগ করেন, বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষ তার আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে এবং ভুয়া ঠিকানায় চিঠি পাঠাচ্ছে যেখানে তিনি কখনও থাকেননি।

এ বিষয়ে ড. ইউনূস বলেন, “এটি আদালতের বিষয়। আদালতই সিদ্ধান্ত নেবে মামলা চালিয়ে নেওয়ার মতো যথেষ্ট উপাদান আছে কিনা, অথবা তা বাতিল করার জন্য। দুর্নীতি দমন কমিশনের ওপর আমার পূর্ণ আস্থা আছে এবং তারা সঠিক কাজটিই করছে।”

সাংবাদিকরা জানতে চাইলে, টিউলিপ সিদ্দিক যদি বাংলাদেশে অপরাধে দোষী প্রমাণিত হন তবে তাকে প্রত্যর্পণের জন্য যুক্তরাজ্যের কাছে আবেদন করা হবে কি না—এই প্রশ্নে ড. ইউনূস বলেন, “যদি এটি আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হয়, তবে অবশ্যই।”

এক বিবৃতিতে টিউলিপ বলেন, “ড. ইউনূস আমার সঙ্গে দেখা করতে অস্বীকৃতি জানানোয় আমি হতাশ। মিডিয়ার কাছে প্রমাণ ছাড়া কাল্পনিক অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে এবং তিনি সে প্রচারের কেন্দ্রে রয়েছেন। আমি আশা করি তিনি এখন অপপ্রচার বন্ধে গুরুত্ব সহকারে কাজ করবেন এবং আদালতকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে দেবেন।”

তথ্যসূত্র: বিবিসি