ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::

ফেসবুক লাইভে এসে ১০ কোটি টাকার হিসাব দিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:১৬:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬
  • ১১৮ বার পড়া হয়েছে

এবার এনসিপির শীর্ষ দুই নেতা কুমিল্লা জেলা পরিষদ থেকে ২৫ কোটি টাকা নিয়েছিলেন বলে সেখানকার প্রশাসকের বক্তব্য নিয়ে দেশজুড়ে নানা আলোচনা চলছে। এর মধ্যে ১০ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে। প্রশাসকের এমন বক্তব্যকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন তিনি।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘রাজস্ব বরাদ্দ ও এডিপি বরাদ্দের পার্থক্য না বুঝে একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য দিয়েছেন। এসব অর্থ প্রকল্পে ব্যয় করা হয়েছে, ব্যক্তি হিসেবে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই।রবিবার (৩১ মে) দিনগত রাতে ফেসবুক লাইভে আসেন এনসিপির এ নেতা। দীর্ঘ ৪৩ মিনিটের ভিডিওতে হাতেকলমে ১০ কোটি টাকার হিসাব দিয়েছেন হাসনাত আবদুল্লাহ।

তিনি বলেন, ‘এটি স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে দেওয়া বিশেষ বরাদ্দ, যেটা জেলা পরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়েছে। প্রশাসক রাজস্ব খাত আর বিশেষ বরাদ্দ সম্পর্কে জ্ঞান থাকলে এই কথা বলতেন না। আর উনি এমনভাবে বলেছেন, মনে হচ্ছে টাকা আমরা নিজেরা পকেটে নিয়ে গেছি। অথচ দেবীদ্বারের বিভিন্ন কাজে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এনসিপির এ নেতা বলেন, ‘এখানে তো লুকানোর কিছু নেই, সব কিছু ওয়েবসাইটে আছে। এটি চাইলে যে কেউ দেখতে পারে। আমি আগেও যেসব বাজেটে এসেছে, সব হিসাব লাইভে এসে দিয়েছি।হাসনাত বলেন, ‘১০ কোটি টাকার কথা বলা হচ্ছে। আমি যখন নির্বাচিত হইনিঅর্থাৎ ২০২৪২৫ সালে এডিপি সাধারণ, এডিপি বিশেষ এবং রাজস্ব নিজস্বসহ সব মিলিয়ে আট কোটি ৪২ লাখ টাকার প্রজেক্ট দেবীদ্বারে দেওয়া হয়েছে। এক টাকা কম না, এক টাকা বেশি না। ১৪৮টি খাতে এসব প্রজেক্ট দেওয়া হয়েছে। একটা প্রজেক্টও পূর্ণাঙ্গ কমপ্লিট হয়নি। এগুলো আপনারা অনলাইনে গেলেই দেখতে পাবেন।

তিনি বলেন, ‘অথচ জেলা প্রশাসক বললেন আমি ১০ কোটি টাকা নিয়ে গেছি। গত দুই দিন মিডিয়া ট্রায়াল চালানো হলো আমরা টাকা নিয়ে গিয়েছি, টাকার কথা মানুষের কাছে লুকিয়েছি। এটা তো লুকানোর কিছু নেই, সব কিছু ওয়েবসাইটে। ইটস ভেরি ওপেন, ব্রড ডেলাইট ওপেন।এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের এ মুখ্য সংগঠক বলেন, যারা প্রপাগান্ডা করেছেনআপনাদের যদি চর্মচক্ষু থাকে এবং একটু জ্ঞানবুদ্ধি থাকে শুধু ইন্টারনেটে সার্চ করলেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যায়। কোন খাতে কয় টাকা এবং কোন প্রক্রিয়ায় গেছেচাইলেই সব কিছু বের করা সম্ভব।

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, আমার এলাকার যতগুলা বরাদ্দ বাজেট এসেছে সম্প্রতি লাইভে সবগুলো বিস্তারিত তুলে ধরেছি। এমনটি আমার পেজজবাবদিহিতায় প্রতিনিয়ত আপডেট জানানো হয়। সবার বাসায় মোবাইল, ইন্টারনেট ও ফেসবুক আছে। সার্চ করলেই যে কেউ ডিটেইল দেখতে পারেন। এখন এটাকে যেভাবে ফ্রেমিং করা হলো এটা খুবই দুঃখজনক।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদকবিরোধী কমিটির উপদেষ্টার রক্ত দিয়ে গোসল করার হুমকি বিএনপি নেতার

ফেসবুক লাইভে এসে ১০ কোটি টাকার হিসাব দিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ

আপডেট সময় ১২:১৬:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

এবার এনসিপির শীর্ষ দুই নেতা কুমিল্লা জেলা পরিষদ থেকে ২৫ কোটি টাকা নিয়েছিলেন বলে সেখানকার প্রশাসকের বক্তব্য নিয়ে দেশজুড়ে নানা আলোচনা চলছে। এর মধ্যে ১০ কোটি টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে। প্রশাসকের এমন বক্তব্যকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন তিনি।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘রাজস্ব বরাদ্দ ও এডিপি বরাদ্দের পার্থক্য না বুঝে একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য দিয়েছেন। এসব অর্থ প্রকল্পে ব্যয় করা হয়েছে, ব্যক্তি হিসেবে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই।রবিবার (৩১ মে) দিনগত রাতে ফেসবুক লাইভে আসেন এনসিপির এ নেতা। দীর্ঘ ৪৩ মিনিটের ভিডিওতে হাতেকলমে ১০ কোটি টাকার হিসাব দিয়েছেন হাসনাত আবদুল্লাহ।

তিনি বলেন, ‘এটি স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে দেওয়া বিশেষ বরাদ্দ, যেটা জেলা পরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়েছে। প্রশাসক রাজস্ব খাত আর বিশেষ বরাদ্দ সম্পর্কে জ্ঞান থাকলে এই কথা বলতেন না। আর উনি এমনভাবে বলেছেন, মনে হচ্ছে টাকা আমরা নিজেরা পকেটে নিয়ে গেছি। অথচ দেবীদ্বারের বিভিন্ন কাজে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এনসিপির এ নেতা বলেন, ‘এখানে তো লুকানোর কিছু নেই, সব কিছু ওয়েবসাইটে আছে। এটি চাইলে যে কেউ দেখতে পারে। আমি আগেও যেসব বাজেটে এসেছে, সব হিসাব লাইভে এসে দিয়েছি।হাসনাত বলেন, ‘১০ কোটি টাকার কথা বলা হচ্ছে। আমি যখন নির্বাচিত হইনিঅর্থাৎ ২০২৪২৫ সালে এডিপি সাধারণ, এডিপি বিশেষ এবং রাজস্ব নিজস্বসহ সব মিলিয়ে আট কোটি ৪২ লাখ টাকার প্রজেক্ট দেবীদ্বারে দেওয়া হয়েছে। এক টাকা কম না, এক টাকা বেশি না। ১৪৮টি খাতে এসব প্রজেক্ট দেওয়া হয়েছে। একটা প্রজেক্টও পূর্ণাঙ্গ কমপ্লিট হয়নি। এগুলো আপনারা অনলাইনে গেলেই দেখতে পাবেন।

তিনি বলেন, ‘অথচ জেলা প্রশাসক বললেন আমি ১০ কোটি টাকা নিয়ে গেছি। গত দুই দিন মিডিয়া ট্রায়াল চালানো হলো আমরা টাকা নিয়ে গিয়েছি, টাকার কথা মানুষের কাছে লুকিয়েছি। এটা তো লুকানোর কিছু নেই, সব কিছু ওয়েবসাইটে। ইটস ভেরি ওপেন, ব্রড ডেলাইট ওপেন।এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের এ মুখ্য সংগঠক বলেন, যারা প্রপাগান্ডা করেছেনআপনাদের যদি চর্মচক্ষু থাকে এবং একটু জ্ঞানবুদ্ধি থাকে শুধু ইন্টারনেটে সার্চ করলেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যায়। কোন খাতে কয় টাকা এবং কোন প্রক্রিয়ায় গেছেচাইলেই সব কিছু বের করা সম্ভব।

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, আমার এলাকার যতগুলা বরাদ্দ বাজেট এসেছে সম্প্রতি লাইভে সবগুলো বিস্তারিত তুলে ধরেছি। এমনটি আমার পেজজবাবদিহিতায় প্রতিনিয়ত আপডেট জানানো হয়। সবার বাসায় মোবাইল, ইন্টারনেট ও ফেসবুক আছে। সার্চ করলেই যে কেউ ডিটেইল দেখতে পারেন। এখন এটাকে যেভাবে ফ্রেমিং করা হলো এটা খুবই দুঃখজনক।