ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আগামী ২৫ বছর গ্রীষ্মকালে হবে না পবিত্র হজ রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করে গ্রেপ্তার করা প্রয়োজন: নাহিদ ইসলাম  গ্যাস্ট্রিক-ক্যানসার বলে মিথ্যা অসুস্থতার সার্টিফিকেট দিয়েছেন কামরুল ইসলাম: চিফ প্রসিকিউটর মাদকের টাকার জন্য নিজের ঘরের টিনের বেড়া খুলে নিলেন যুবক পুরোনো ছবি দিয়ে অপপ্রচার, বাস্তবে ডুবে যায়নি চট্টগ্রাম: প্রতিমন্ত্রী টানা বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে ৭ হাজার একর জমির ধান, দিশেহারা কৃষকরা তুরস্কে কুরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশি ক্বারীর বিশ্বজয় নিউজিল্যান্ডের মসজিদে ৫১ মুসল্লিকে হত্যা: আদালতে আসামির আপিল খারিজ গণভোটের দাবি বাস্তবায়নে ১১ দলীয় জোটের কর্মসূচি ঘোষণা জামায়াত অপরাধ স্বীকার না করা পর্যন্ত ‘মুক্তিযুদ্ধ কার্ড’ থাকবে: জাহেদ উর রহমান

যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে দেশের সমস্ত পেট্রল পাম্প

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৬:৪৫:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬
  • ৬৭ বার পড়া হয়েছে

জ্বালানি ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে দেশের সব পেট্রল পাম্প যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন

রোববার (২২ মার্চ) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি এ দাবি করে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারা দেশের পেট্রল পাম্পগুলোর পরিস্থিতি বর্তমানে অত্যন্ত সংকটাপন্ন। তেল কোম্পানিগুলো থেকে দৈনিক যে পরিমাণ জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে, তা দিয়ে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ সম্ভব হচ্ছে না।

ফলে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। একই সঙ্গে দীর্ঘ সময় বিরামহীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পাম্পে কর্মরত শ্রমিকরা শারীরিক ও মানসিক চাপের মধ্যে পড়ছেন। পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ না থাকায় যেকোনো সময় দেশব্যাপী পেট্রল পাম্প বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।

সংগঠনটির দাবি, এর আগেও পেট্রল পাম্পে নিরাপত্তা জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথা জানানো হলেও জ্বালানি বিপণন ব্যবস্থায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি সরকার ও জেলা প্রশাসন কার্যত উপেক্ষা করছে। তেল বিক্রির সময় কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় বিভিন্ন স্থানে বিশৃঙ্খলা বাড়ছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঈদের আগের দিন একটি পাম্পে প্রায় ১০ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রল ও সমপরিমাণ অকটেন মজুদ থাকলেও অতিরিক্ত চাপের কারণে অল্প সময়েই তা শেষ হয়ে যায়। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে কয়েকদিন চলার মতো মজুদ হঠাৎ চাহিদা বৃদ্ধি ও বিশৃঙ্খলার কারণে দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে।

এ পরিস্থিতিকে ‘লুটতরাজের মতো’ উল্লেখ করে সংগঠনটি অভিযোগ করেছে, কিছু মোটরসাইকেল চালক দিনে একাধিকবার তেল সংগ্রহ করে বাইরে বেশি দামে বিক্রি করছেন। অনেকে আংশিক ভর্তি ট্যাংক নিয়েও বারবার তেল নিতে আসছেন, যা সংকট আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধি ও পাম্পগুলোতে কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে সংগঠনটি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আগামী ২৫ বছর গ্রীষ্মকালে হবে না পবিত্র হজ

যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে দেশের সমস্ত পেট্রল পাম্প

আপডেট সময় ০৬:৪৫:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

জ্বালানি ঘাটতি ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে দেশের সব পেট্রল পাম্প যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন

রোববার (২২ মার্চ) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি এ দাবি করে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সারা দেশের পেট্রল পাম্পগুলোর পরিস্থিতি বর্তমানে অত্যন্ত সংকটাপন্ন। তেল কোম্পানিগুলো থেকে দৈনিক যে পরিমাণ জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে, তা দিয়ে ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ সম্ভব হচ্ছে না।

ফলে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের চালকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। একই সঙ্গে দীর্ঘ সময় বিরামহীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পাম্পে কর্মরত শ্রমিকরা শারীরিক ও মানসিক চাপের মধ্যে পড়ছেন। পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ না থাকায় যেকোনো সময় দেশব্যাপী পেট্রল পাম্প বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।

সংগঠনটির দাবি, এর আগেও পেট্রল পাম্পে নিরাপত্তা জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথা জানানো হলেও জ্বালানি বিপণন ব্যবস্থায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি সরকার ও জেলা প্রশাসন কার্যত উপেক্ষা করছে। তেল বিক্রির সময় কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় বিভিন্ন স্থানে বিশৃঙ্খলা বাড়ছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঈদের আগের দিন একটি পাম্পে প্রায় ১০ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রল ও সমপরিমাণ অকটেন মজুদ থাকলেও অতিরিক্ত চাপের কারণে অল্প সময়েই তা শেষ হয়ে যায়। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে কয়েকদিন চলার মতো মজুদ হঠাৎ চাহিদা বৃদ্ধি ও বিশৃঙ্খলার কারণে দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে।

এ পরিস্থিতিকে ‘লুটতরাজের মতো’ উল্লেখ করে সংগঠনটি অভিযোগ করেছে, কিছু মোটরসাইকেল চালক দিনে একাধিকবার তেল সংগ্রহ করে বাইরে বেশি দামে বিক্রি করছেন। অনেকে আংশিক ভর্তি ট্যাংক নিয়েও বারবার তেল নিতে আসছেন, যা সংকট আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধি ও পাম্পগুলোতে কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে সংগঠনটি।