ঢাকা , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইরানের পরমাণু অস্ত্র থাকা উচিত নয়, রাজা চার্লসও আমার সঙ্গে একমত: ট্রাম্প গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরামর্শক হিসেবে যোগ দিয়েছেন অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ বজ্রাঘাতে কোল থেকে ছিটকে পড়ে ছোট্ট সাফিয়া, প্রাণ গেল বাবার চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ে ২ বছরের শিশুকে বাঁচালেন বাবা টাকা তুলতে বোনের কঙ্কাল কাঁধে নিয়ে ব্যাংকে হাজির ভাই বরিশালে বজ্রপাতে শিক্ষকসহ ১৬ শিক্ষার্থী আহত গাজা যুদ্ধ শুরুর পর ১৮ শতাধিক শিশু ধরে নিয়ে গেছে ইসরায়েল রূপপুর কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ মিলবে ৬০ বছর কুড়িগ্রামে ট্রাক-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ৯ নবীজী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি, কন্টেন্ট ক্রিয়েটর গ্রেফতার

থানায় গিয়ে ওসিকে না পেয়ে চেয়ারে বসলেন এমপি, ভিডিও ভাইরাল

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:৪৪:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬৩ বার পড়া হয়েছে

এবার ময়মনসিংহের ফুলপুরে থানায় গিয়ে ওসিকে না পেয়ে চেয়ারে গিয়ে বসেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। আর এ নিয়ে ফেসবুকে চলছে আলোচনাসমালোচনা। গত ৫ এপ্রিল সকালে ফুলপুর থানায় এমন ঘটনা ঘটে। তবে দুজনই এ বিষয়ে পাল্টা যুক্তি উপস্থাপন করেছেন।

সূত্র জানায়, গত ৫ এপ্রিল ফুলপুর থানার ওসি ময়মনসিংহ পুলিশ লাইনে প্যারেডে অংশ নিতে সকাল সোয়া ৭টায় ময়মনসিংহে যান। এদিন সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ থানায় উপস্থিত হন স্থানীয় এমপি মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ। থানায় ওসির চেয়ারের পাশে অন্য চেয়ারে না বসে তিনি ওসির চেয়ারে বসেন এবং উপস্থিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে কিছুক্ষণ মতবিনিময় করে চলে যান।

তবে এ ঘটনার ভিডিও ওই দিন প্রকাশিত না হলেও গত সোমবার সন্ধ্যার পর হঠাৎ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, ওসির চেয়ারে বসে আছেন সংসদ সদস্য মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ। তার পাশে থানার অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তারা বসে আছেন। এ সময় তিনি সামনে দাঁড়িয়ে থাকা এক পুলিশ কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দিচ্ছেন।

এ বিষয়ে ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাশেদুল হাসান রাশেদ বলেন, ‘ওই দিন পুলিশ লাইনে আমার মাস্টার প্যারেড ছিল। সকাল সোয়া ৭টার দিকে আমি সে উদ্দেশ্যে রওনা হই। ওই দিন সংসদ সদস্যের থানায় আসার কোনো পূর্বসূচি ছিল না, কিংবা আমাকে আগে থেকে কিছু জানানো হয়নি। এমপি সাহেবের গাড়ি থানা প্রাঙ্গণে ঢোকার পর তাকে জানানো হয়, ওসি থানায় নেই। তারপরও তিনি থানায় প্রবেশ করেন।তিনি আরো বলেন, ‘আমার কক্ষে ঢুকে প্রথমে তিনি আমার চেয়ারে বসতে ইতস্তত বোধ করেন। কিন্তু তার সঙ্গে থাকা লোকজন তাকে আমার চেয়ারে বসতে বলেন। পরে তিনি কিছুক্ষণ বসে কথা বলে চলে যান।

এ বিষয়ে সংসদ সদস্য মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহর মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিয়ে তিনি রিসিভ করেননি। তবে প্রথমবার তিনি কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলেন। সে সময় তিনি জানান, ওই দিন তিনি থানা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। কিন্তু ওসি থানায় ছিলেন না। পরে চলে যেতে চাইলে সেখানে থাকা কর্মকর্তারা তাকে জোর করে নিয়ে ওসির চেয়ারে বসান। পরে তিনি কিছুক্ষণ বসে উপস্থিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ করে চলে আসেন। এ সময় তিনি ওসির চেয়ারে বসাকে কোনো অপরাধ মনে করেন না বলেও জানান।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের পরমাণু অস্ত্র থাকা উচিত নয়, রাজা চার্লসও আমার সঙ্গে একমত: ট্রাম্প

থানায় গিয়ে ওসিকে না পেয়ে চেয়ারে বসলেন এমপি, ভিডিও ভাইরাল

আপডেট সময় ০২:৪৪:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

এবার ময়মনসিংহের ফুলপুরে থানায় গিয়ে ওসিকে না পেয়ে চেয়ারে গিয়ে বসেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। আর এ নিয়ে ফেসবুকে চলছে আলোচনাসমালোচনা। গত ৫ এপ্রিল সকালে ফুলপুর থানায় এমন ঘটনা ঘটে। তবে দুজনই এ বিষয়ে পাল্টা যুক্তি উপস্থাপন করেছেন।

সূত্র জানায়, গত ৫ এপ্রিল ফুলপুর থানার ওসি ময়মনসিংহ পুলিশ লাইনে প্যারেডে অংশ নিতে সকাল সোয়া ৭টায় ময়মনসিংহে যান। এদিন সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ থানায় উপস্থিত হন স্থানীয় এমপি মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ। থানায় ওসির চেয়ারের পাশে অন্য চেয়ারে না বসে তিনি ওসির চেয়ারে বসেন এবং উপস্থিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে কিছুক্ষণ মতবিনিময় করে চলে যান।

তবে এ ঘটনার ভিডিও ওই দিন প্রকাশিত না হলেও গত সোমবার সন্ধ্যার পর হঠাৎ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, ওসির চেয়ারে বসে আছেন সংসদ সদস্য মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহ। তার পাশে থানার অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তারা বসে আছেন। এ সময় তিনি সামনে দাঁড়িয়ে থাকা এক পুলিশ কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দিচ্ছেন।

এ বিষয়ে ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাশেদুল হাসান রাশেদ বলেন, ‘ওই দিন পুলিশ লাইনে আমার মাস্টার প্যারেড ছিল। সকাল সোয়া ৭টার দিকে আমি সে উদ্দেশ্যে রওনা হই। ওই দিন সংসদ সদস্যের থানায় আসার কোনো পূর্বসূচি ছিল না, কিংবা আমাকে আগে থেকে কিছু জানানো হয়নি। এমপি সাহেবের গাড়ি থানা প্রাঙ্গণে ঢোকার পর তাকে জানানো হয়, ওসি থানায় নেই। তারপরও তিনি থানায় প্রবেশ করেন।তিনি আরো বলেন, ‘আমার কক্ষে ঢুকে প্রথমে তিনি আমার চেয়ারে বসতে ইতস্তত বোধ করেন। কিন্তু তার সঙ্গে থাকা লোকজন তাকে আমার চেয়ারে বসতে বলেন। পরে তিনি কিছুক্ষণ বসে কথা বলে চলে যান।

এ বিষয়ে সংসদ সদস্য মুফতি মুহাম্মাদুল্লাহর মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিয়ে তিনি রিসিভ করেননি। তবে প্রথমবার তিনি কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলেন। সে সময় তিনি জানান, ওই দিন তিনি থানা পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। কিন্তু ওসি থানায় ছিলেন না। পরে চলে যেতে চাইলে সেখানে থাকা কর্মকর্তারা তাকে জোর করে নিয়ে ওসির চেয়ারে বসান। পরে তিনি কিছুক্ষণ বসে উপস্থিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ করে চলে আসেন। এ সময় তিনি ওসির চেয়ারে বসাকে কোনো অপরাধ মনে করেন না বলেও জানান।