ঢাকা , বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:১৭:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩২ বার পড়া হয়েছে

শনিবার রাতে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স পাকিস্তানে দাঁড়িয়ে জানাচ্ছিলেন ইরানের সাথে কোনো চুক্তি হয়নি। সেই মুহূর্তে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মিয়ামিতে একটি মিক্সড মার্শাল আর্টসের লড়াই দেখছিলেন। ট্রাম্পের পাশে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, তার কয়েক সন্তান, ইউএফসি কর্মকর্তারা, ভারতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর, গায়ক ভ্যানিলা আইস এবং পডকাস্টার জো রোগান।

ভ্যান্স যখন সংবাদমাধ্যমকে বলছিলেনখারাপ খবর হলো আমরা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি’, ট্রাম্প তখন খাঁচার পাশে দাঁড়িয়ে একজন বিজয়ী মল্লযোদ্ধার হাইলাইট ভিডিও দেখছিলেন। তার মুখে ছিল ম্লান হাসি, বিজয়ীদের জন্য থাম্বস আপ। ফ্লোরিডায় যাওয়ার পথে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছিলেন ইরানের সাথে চুক্তি হোক বা না হোক তাতে তার কিছু যায় আসে না। তিনি বলেন, ‘যাই হোক আমরা জিতব। আমরা তাদের সামরিকভাবে পরাজিত করেছি।

কিন্তু বাস্তব চিত্র কঠিন। মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। তেলের দাম মার্কিন নাগরিকদের পকেট কাটছে, যা সরাসরি ট্রাম্পের নির্দেশে শুরু হওয়া যুদ্ধের ফল। ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্পকে অভিশংসনের কথা বলছেন এবং তার মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। ইরানের পুরো সভ্যতা ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকির পর তার কিছু দীর্ঘদিনের সমর্থকও প্রতিবাদ করেছেন। ইভাঙ্কা, টিফানি এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র পুরো সন্ধ্যা বাবার পাশে ছিলেন। তবে জামাতা জ্যারেড কুশনার সেখানে ছিলেন না। তিনি পাকিস্তানে ভ্যান্স ও উইটকফের সাথে আলোচনায় ছিলেন। সূত্রনিউইয়র্ক টাইমস

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন

আপডেট সময় ০২:১৭:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

শনিবার রাতে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স পাকিস্তানে দাঁড়িয়ে জানাচ্ছিলেন ইরানের সাথে কোনো চুক্তি হয়নি। সেই মুহূর্তে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মিয়ামিতে একটি মিক্সড মার্শাল আর্টসের লড়াই দেখছিলেন। ট্রাম্পের পাশে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, তার কয়েক সন্তান, ইউএফসি কর্মকর্তারা, ভারতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর, গায়ক ভ্যানিলা আইস এবং পডকাস্টার জো রোগান।

ভ্যান্স যখন সংবাদমাধ্যমকে বলছিলেনখারাপ খবর হলো আমরা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি’, ট্রাম্প তখন খাঁচার পাশে দাঁড়িয়ে একজন বিজয়ী মল্লযোদ্ধার হাইলাইট ভিডিও দেখছিলেন। তার মুখে ছিল ম্লান হাসি, বিজয়ীদের জন্য থাম্বস আপ। ফ্লোরিডায় যাওয়ার পথে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছিলেন ইরানের সাথে চুক্তি হোক বা না হোক তাতে তার কিছু যায় আসে না। তিনি বলেন, ‘যাই হোক আমরা জিতব। আমরা তাদের সামরিকভাবে পরাজিত করেছি।

কিন্তু বাস্তব চিত্র কঠিন। মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। তেলের দাম মার্কিন নাগরিকদের পকেট কাটছে, যা সরাসরি ট্রাম্পের নির্দেশে শুরু হওয়া যুদ্ধের ফল। ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্পকে অভিশংসনের কথা বলছেন এবং তার মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। ইরানের পুরো সভ্যতা ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকির পর তার কিছু দীর্ঘদিনের সমর্থকও প্রতিবাদ করেছেন। ইভাঙ্কা, টিফানি এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র পুরো সন্ধ্যা বাবার পাশে ছিলেন। তবে জামাতা জ্যারেড কুশনার সেখানে ছিলেন না। তিনি পাকিস্তানে ভ্যান্স ও উইটকফের সাথে আলোচনায় ছিলেন। সূত্রনিউইয়র্ক টাইমস