ঢাকা , রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
কমছে বাংলাদেশি রোগী, এবার রোগী টানতে বাংলাদেশে দল পাঠাচ্ছে কলকাতার হাসপাতালগুলো বাসে ভাড়া নেয়ার সময় ইসমাইলের টাকার বান্ডিল দেখে হত্যা রোহিঙ্গা সংকট এখন মানবিক নয়, আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্যও হুমকি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাজার হাজার লিটার তেল পুড়িয়ে বিরোধী দলের লংমার্চ কর্মসূচীর অযৌক্তিক: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী হজ প্যাকেজের বেঁচে যাওয়া ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ফেরত দেয়া হবে: ধর্মমন্ত্রী ‘মেয়াদোত্তীর্ণ মেয়র’ বলায় জামায়াত আমিরকে কড়া জবাব দিলেন শাহাদাত ভুল ত্রুটি ধরিয়ে দেয়ার বদলে গণবিরোধী কাজ নিয়ে এগোচ্ছে বিরোধী দল, জনগণ ভালোভাবে নিচ্ছে না: রিজভী ভারতে সার্কিট হাউসে নামাজ পড়ায় এসপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা ইরান যুদ্ধে অস্ত্রের ঘাটতির তথ্য ফাঁস: ৫০ মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাকে লাই ডিটেক্টরে পরীক্ষা প্রেসিডেন্ট অর নট, হি ইস অলওয়েজ মাই আব্বু, মাই হিরো: আবেগঘন বার্তা ড. শামারুহ মির্জার

 যুদ্ধবিরতিতে ‘অবশ্যই’ লেবাননকে অন্তর্ভূক্ত করতে হবে: ঘালিবাফ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৪৮:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৪৫ বার পড়া হয়েছে

এবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতিতে অবশ্যই ইরানকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার এবং ক্ষমতাসীন ইসলামি প্রজাতন্ত্রী সরকারের অন্যতম মুখপাত্র মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ। যুক্তরাষ্ট্রকেইসরায়েল প্রথমনীতি ত্যাগ করারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। গতকাল বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় ঘালিবাফ বলেন, “(যুক্তরাষ্ট্রইরান) যুদ্ধবিরতিতে লেবাননের অন্তর্ভুক্তি অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্রকে মেনে নিতে হবে। সেই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রেরইসরায়েল প্রথমপররাষ্ট্রনীতিও ত্যাগ করা উচিত ওয়াশিংটনের।

এক্সবার্তায় ঘালিবাফ বলেন, লেবাননে একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি নির্ভর করবে দেশটির সশস্ত্র ইসলামি গোষ্ঠী হিজবুল্লার অটল সংগ্রামের ওপর। উল্লেখ্য, হিজবুল্লা, হামাস, হুথি মিলিশিয়াসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠীকে নিয়মিত অর্থ, অস্ত্র ও নির্দেশনা প্রদান করে ইরান। বুধবারের বিবৃতেতে এই গোষ্ঠীগুলোকেপ্রতিরোধী পক্ষউল্লেখ করে এক্সবার্তায় ঘালিবাফ বলেন, “যুদ্ধ হোক কিংবা যুদ্ধবিরতিহিজবুল্লা, হামাস, হুথি এবং ইরাকি মিলিশিয়ারা সবাই একআত্মা।

উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে কয়েক বছর ধরে বিরোধ চলার পর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশটিতে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে মার্কিন এবং ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। ইরানে অভিযান শুরুর ২ দিন পর ২ মার্চ যুদ্ধবিরতি ভেঙে লেবাননে সামরিক অভিযান শুর করে ইসরায়েল।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সেই অভিযানে এ পর্যন্ত লেবাননে নিহত হয়েছেন ২ হাজার ২৬৭ জন এবং আহত হয়েছেন ৬ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি। এছাড়া কয়েক লাখ মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে নিরাদ আশ্রয়ের উদ্দেশে ছুটতে বাধ্য হয়েছেন। টানা প্রায় ৪০ দিন যুদ্ধের পর গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তবে যুক্তরাষ্ট্রইরান যুদ্ধবিরতির মধ্যেও লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। সূত্র : বিবিসি

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কমছে বাংলাদেশি রোগী, এবার রোগী টানতে বাংলাদেশে দল পাঠাচ্ছে কলকাতার হাসপাতালগুলো

 যুদ্ধবিরতিতে ‘অবশ্যই’ লেবাননকে অন্তর্ভূক্ত করতে হবে: ঘালিবাফ

আপডেট সময় ১২:৪৮:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

এবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ১৪ দিনের যুদ্ধবিরতিতে অবশ্যই ইরানকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার এবং ক্ষমতাসীন ইসলামি প্রজাতন্ত্রী সরকারের অন্যতম মুখপাত্র মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ। যুক্তরাষ্ট্রকেইসরায়েল প্রথমনীতি ত্যাগ করারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। গতকাল বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় ঘালিবাফ বলেন, “(যুক্তরাষ্ট্রইরান) যুদ্ধবিরতিতে লেবাননের অন্তর্ভুক্তি অবশ্যই যুক্তরাষ্ট্রকে মেনে নিতে হবে। সেই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রেরইসরায়েল প্রথমপররাষ্ট্রনীতিও ত্যাগ করা উচিত ওয়াশিংটনের।

এক্সবার্তায় ঘালিবাফ বলেন, লেবাননে একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি নির্ভর করবে দেশটির সশস্ত্র ইসলামি গোষ্ঠী হিজবুল্লার অটল সংগ্রামের ওপর। উল্লেখ্য, হিজবুল্লা, হামাস, হুথি মিলিশিয়াসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠীকে নিয়মিত অর্থ, অস্ত্র ও নির্দেশনা প্রদান করে ইরান। বুধবারের বিবৃতেতে এই গোষ্ঠীগুলোকেপ্রতিরোধী পক্ষউল্লেখ করে এক্সবার্তায় ঘালিবাফ বলেন, “যুদ্ধ হোক কিংবা যুদ্ধবিরতিহিজবুল্লা, হামাস, হুথি এবং ইরাকি মিলিশিয়ারা সবাই একআত্মা।

উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প এবং ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে কয়েক বছর ধরে বিরোধ চলার পর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশটিতে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে মার্কিন এবং ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। ইরানে অভিযান শুরুর ২ দিন পর ২ মার্চ যুদ্ধবিরতি ভেঙে লেবাননে সামরিক অভিযান শুর করে ইসরায়েল।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সেই অভিযানে এ পর্যন্ত লেবাননে নিহত হয়েছেন ২ হাজার ২৬৭ জন এবং আহত হয়েছেন ৬ হাজার ৫০০ জনেরও বেশি। এছাড়া কয়েক লাখ মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে নিরাদ আশ্রয়ের উদ্দেশে ছুটতে বাধ্য হয়েছেন। টানা প্রায় ৪০ দিন যুদ্ধের পর গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তবে যুক্তরাষ্ট্রইরান যুদ্ধবিরতির মধ্যেও লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। সূত্র : বিবিসি