ঢাকা , রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিনা সুদে কৃষিঋণ বিতরণের পরিকল্পনা আপাতত নেই: অর্থমন্ত্রী ভাসানীর পায়ে হাঁটার লং মার্চ ছিল সত্যিকারের, ১১ দলেরটিতে হাঁটার কষ্টটুকুও নেই: সাংবাদিক আনিস শুধু মুসলমানদেরই নিশানা করা হচ্ছে: মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ায় ওয়াইসির ক্ষোভ মিত্রদের সঙ্গে নিয়ে ইসরাইলে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান লংমার্চে পরিকল্পিতভাবে ঝামেলার প্ল্যান ছিল জামায়াতের: রাশেদ খাঁন কমছে বাংলাদেশি রোগী, এবার রোগী টানতে বাংলাদেশে দল পাঠাচ্ছে কলকাতার হাসপাতালগুলো বাসে ভাড়া নেয়ার সময় ইসমাইলের টাকার বান্ডিল দেখে হত্যা রোহিঙ্গা সংকট এখন মানবিক নয়, আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্যও হুমকি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাজার হাজার লিটার তেল পুড়িয়ে বিরোধী দলের লংমার্চ কর্মসূচীর অযৌক্তিক: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী হজ প্যাকেজের বেঁচে যাওয়া ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ফেরত দেয়া হবে: ধর্মমন্ত্রী

মাছ খেলে আপনাদের বাংলাদেশি বলা হবে: হুঁশিয়ারি মমতার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:৩৪:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৫৭ বার পড়া হয়েছে

এবার মাছ উৎপাদন বৃদ্ধি থেকে মৎস্যজীবীদের উন্নতি, নানা প্রতিশ্রুতি উঠে আসছে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের প্রার্থীদের বক্তব্যে। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর। অন্য যে বিষয়গুলি উঠে আসছে, তার মধ্যে অন্যতম বাঙালির খাদ্যাভ্যাস। মাছেভাতে বাঙালি এটাই তাদের পরিচয়। বাঙালির পাতে অপরিহার্য মাছ। বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এলে মাছ খাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে, এমন প্রচারণা চালাচ্ছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। 

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনসভায় বলেছেন, ‘বিজেপি আপনাদের মাছ খেতে দেবে না। মাংস, ডিমও খেতে দেবে না। যদি আপনারা খান, তাহলে আপনাদের বাংলাদেশি বলে চিহ্নিত করবে।সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছিলেন, তিনি টানা ১৫ দিন এ রাজ্যে থাকবেন। তৃণমূলের সোশ্যাল মিডিয়ায় ইলিশ ভাপা, পাবদার ঝাল, চিংড়ি মাছের মালাইকারি ও কষা মাংসের ছবি পোস্ট করেন। সেখানে লেখা হয়, ‘পর্যটকদের স্বাগত জানাই পশ্চিমবঙ্গে। এখানে এলে এসব খাবার মিস করবেন না।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জনসভায় বলেছেন, ‘বাংলায় মাছের ব্যাপক চাহিদা থাকা সত্ত্বেও এর উৎপাদনে পশ্চিমবঙ্গ স্বনির্ভর নয়। এখানে মাছের চাহিদা মেটানোর জন্য অন্য রাজ্য থেকে আমদানি করতে হয়। গত ১১ বছরে দেশে মাছের উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকার সেটা করতে পারেনি।মুখ্যমন্ত্রী পাল্টা দাবি করেছেন, ‘আগে হায়দ্রাবাদ থেকে মাছ আসতো। এখন আর আসে না। বিজেপি বিহার, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থানে মাছ খেতে দেয় না। দোকান বন্ধ করে দিয়েছে।

বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, অনেকে মাছের প্রসঙ্গে তৃণমূলকে জবাব দিয়েছেন। মাছ উৎপাদন বৃদ্ধি থেকে মৎস্যজীবীদের উন্নতি, নানা প্রতিশ্রুতি উঠে আসছে তাদের বক্তব্যে। কাতলা মাছ হাতে বিজেপি প্রার্থী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। মাছ নিয়ে প্রচারে প্রার্থীদের মধ্যে এ নিয়ে প্রতিযোগিতা দেখা যাচ্ছে। বিধাননগরের বিজেপি প্রার্থী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় একটা বড় আকারের কাতলা মাছ হাতে নিয়ে বাড়ি বাড়ি ঘুরে প্রচার করেছেন। ভোটারদের বলেছেন, বিজেপি এলে মাছ খাওয়া বন্ধ হবে না। খড়গপুরের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ প্রচার করতে করতে ঢুকে পড়েন মাছের বাজারে।

নববর্ষের সকালে টালিগঞ্জের তৃণমূল প্রার্থী অরূপ বিশ্বাস অভিনব প্রচারে বার হয়েছিলেন। গড়িয়া এলাকায় তার সমর্থকরা দুটো বড় ট্রেতে রুই মাছ নিয়ে প্রার্থীর পাশে হাঁটছিলেন। অরূপ বিশ্বাস বলেন, ‘বিজেপি শাসিত রাজ্যে মাছ খাওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছে। মাছ ফেলে দেওয়া হচ্ছে। এখানে বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাঙালি মাছ খেতে পারবে না।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিনা সুদে কৃষিঋণ বিতরণের পরিকল্পনা আপাতত নেই: অর্থমন্ত্রী

মাছ খেলে আপনাদের বাংলাদেশি বলা হবে: হুঁশিয়ারি মমতার

আপডেট সময় ০২:৩৪:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

এবার মাছ উৎপাদন বৃদ্ধি থেকে মৎস্যজীবীদের উন্নতি, নানা প্রতিশ্রুতি উঠে আসছে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের প্রার্থীদের বক্তব্যে। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর। অন্য যে বিষয়গুলি উঠে আসছে, তার মধ্যে অন্যতম বাঙালির খাদ্যাভ্যাস। মাছেভাতে বাঙালি এটাই তাদের পরিচয়। বাঙালির পাতে অপরিহার্য মাছ। বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এলে মাছ খাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে, এমন প্রচারণা চালাচ্ছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। 

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনসভায় বলেছেন, ‘বিজেপি আপনাদের মাছ খেতে দেবে না। মাংস, ডিমও খেতে দেবে না। যদি আপনারা খান, তাহলে আপনাদের বাংলাদেশি বলে চিহ্নিত করবে।সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছিলেন, তিনি টানা ১৫ দিন এ রাজ্যে থাকবেন। তৃণমূলের সোশ্যাল মিডিয়ায় ইলিশ ভাপা, পাবদার ঝাল, চিংড়ি মাছের মালাইকারি ও কষা মাংসের ছবি পোস্ট করেন। সেখানে লেখা হয়, ‘পর্যটকদের স্বাগত জানাই পশ্চিমবঙ্গে। এখানে এলে এসব খাবার মিস করবেন না।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জনসভায় বলেছেন, ‘বাংলায় মাছের ব্যাপক চাহিদা থাকা সত্ত্বেও এর উৎপাদনে পশ্চিমবঙ্গ স্বনির্ভর নয়। এখানে মাছের চাহিদা মেটানোর জন্য অন্য রাজ্য থেকে আমদানি করতে হয়। গত ১১ বছরে দেশে মাছের উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকার সেটা করতে পারেনি।মুখ্যমন্ত্রী পাল্টা দাবি করেছেন, ‘আগে হায়দ্রাবাদ থেকে মাছ আসতো। এখন আর আসে না। বিজেপি বিহার, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থানে মাছ খেতে দেয় না। দোকান বন্ধ করে দিয়েছে।

বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, অনেকে মাছের প্রসঙ্গে তৃণমূলকে জবাব দিয়েছেন। মাছ উৎপাদন বৃদ্ধি থেকে মৎস্যজীবীদের উন্নতি, নানা প্রতিশ্রুতি উঠে আসছে তাদের বক্তব্যে। কাতলা মাছ হাতে বিজেপি প্রার্থী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। মাছ নিয়ে প্রচারে প্রার্থীদের মধ্যে এ নিয়ে প্রতিযোগিতা দেখা যাচ্ছে। বিধাননগরের বিজেপি প্রার্থী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় একটা বড় আকারের কাতলা মাছ হাতে নিয়ে বাড়ি বাড়ি ঘুরে প্রচার করেছেন। ভোটারদের বলেছেন, বিজেপি এলে মাছ খাওয়া বন্ধ হবে না। খড়গপুরের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ প্রচার করতে করতে ঢুকে পড়েন মাছের বাজারে।

নববর্ষের সকালে টালিগঞ্জের তৃণমূল প্রার্থী অরূপ বিশ্বাস অভিনব প্রচারে বার হয়েছিলেন। গড়িয়া এলাকায় তার সমর্থকরা দুটো বড় ট্রেতে রুই মাছ নিয়ে প্রার্থীর পাশে হাঁটছিলেন। অরূপ বিশ্বাস বলেন, ‘বিজেপি শাসিত রাজ্যে মাছ খাওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছে। মাছ ফেলে দেওয়া হচ্ছে। এখানে বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাঙালি মাছ খেতে পারবে না।