ঢাকা , সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাবা-শ্বশুরসহ একই পরিবার থেকে বিএনপির তিন এমপি জনগণের দাবিতে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম: রিজভী ক্রীড়া কার্ডকে ‘আমিনুল কার্ড’ বললেন জামাল ভূঁইয়া এবার মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ড্রোন হামলা করলো ইরান ভারতে রাস্তায় নামাজ আদায় করায় মুসল্লিকে আটক করল পুলিশ ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট দিতে সৌদির তাগিদ সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পাননি মির্জা আব্বাসের স্ত্রীসহ যারা ইরানি জাহাজ আটকের জেরে ইসলামাবাদ বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার শঙ্কা: আল জাজিরা ইরানের বিরুদ্ধে ‘ব্লেইম গেম’ খেলছে যুক্তরাষ্ট্র: ইসমাইল বাঘাই ইরানে এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার পর কয়েক ঘণ্টা চিৎকার করেন ট্রাম্প

‘খালেদা জিয়ার সাজার রায়ে সাংবাদিকরা কেঁদেছিলেন, পুলিশও কেঁদেছিলেন’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৫৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩৮ বার পড়া হয়েছে

এবার পাবনা৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেছেন, ‘যেদিন বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে সাজা দেওয়া হয়, সাজার রায় ঘোষণার পর আদালত স্তব্ধ হয়ে যায়। সাংবাদিকরা অঝরে কেঁদেছিলেন পুলিশও কেঁদেছিলেন, এই অসম্মান অপমানকর পরিস্থিতিতে সেদিন সবাই বেদনাবিধুর হয়েছিলেন।রোববার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে তিনি একথা বলেন।

বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার রায় ঘোষণার দিনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘রায়ের পর উপস্থিত পুলিশ, আইনজীবী ও সাংবাদিকদের মধ্যে অনেকেই সেদিন কেঁদেছিলেন, আর বিচারক পালিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু বেগম জিয়া অসীম সাহসিকতা নিয়ে পাহাড়ের মতো দাঁড়িয়েছিলেন। তাকে যখন কোর্ট থেকে জেলখানায় নিয়ে যাওয়া হয় সেই দৃশ্য আমরা সবাই দেখেছিলাম। তাকে জেলে নেওয়ার পরের দিন আমাকে বন্দী করা হয়। ৪১ দিন আমাকে রিমান্ডে রাখা হয়েছিল। ফ্যাসিবাদের এই সময়ে সাড়ে তিন বছর কারাগারে থাকতে হয়েছে। শত জুলুম, অত্যাচারের মুখেও আমরা দেশ ও জনগণের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলাম, গণতন্ত্রের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলাম।

শিমুল বিশ্বাস বলেন, ‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রবাস থেকে রণাঙ্গনের সেনাপতির মতো আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। দেশের ভেতরে খালেদা জিয়া ছিলেন জাতীয় ঐক্যের প্রতীক আর প্রবাস থেকে ছিলেন তারেক রহমান। তার কথায় ছাত্রজনতার আন্দোলনে আমরা শ্রমিক শ্রেণিকে যুক্ত করেছিলাম। শ্রমিক শ্রেণি অকাতরে জীবন দিয়েছেন। সহস্রাধিক মানুষ যে জীবন দিয়েছেন তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি শ্রমিক শ্রেণি। আমাদের সব জীবন দেওয়ার লক্ষ্য ছিল একটা নিরাপদ জীবন গড়া

সবশেষে সংসদ সদস্য বলেন, ‘যারা খালেদা জিয়াকে অপমান করেছে, শেষ পর্যন্ত তারাও সম্মান প্রদর্শন করেছে। এটাই ডেস্টিনি। যথার্থ সম্মান শুধু খালেদা জিয়া পাননি, গোটা বাংলাদেশ পেয়েছে। বাংলাদেশ সার্বভৌম রাখার জন্যে খালেদা জিয়া শুধু জীবনেই লড়াই করেননি, মরণেও লড়াই করেছেন। এই বাংলাদেশ সার্বভৌম থাকবে এই বাংলাদেশ কারও কাছে নত হবে না। এই বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে কারো পক্ষেই পদানত করা সম্ভব হবে না।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবা-শ্বশুরসহ একই পরিবার থেকে বিএনপির তিন এমপি

‘খালেদা জিয়ার সাজার রায়ে সাংবাদিকরা কেঁদেছিলেন, পুলিশও কেঁদেছিলেন’

আপডেট সময় ১১:৫৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

এবার পাবনা৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেছেন, ‘যেদিন বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে সাজা দেওয়া হয়, সাজার রায় ঘোষণার পর আদালত স্তব্ধ হয়ে যায়। সাংবাদিকরা অঝরে কেঁদেছিলেন পুলিশও কেঁদেছিলেন, এই অসম্মান অপমানকর পরিস্থিতিতে সেদিন সবাই বেদনাবিধুর হয়েছিলেন।রোববার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে তিনি একথা বলেন।

বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার রায় ঘোষণার দিনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘রায়ের পর উপস্থিত পুলিশ, আইনজীবী ও সাংবাদিকদের মধ্যে অনেকেই সেদিন কেঁদেছিলেন, আর বিচারক পালিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু বেগম জিয়া অসীম সাহসিকতা নিয়ে পাহাড়ের মতো দাঁড়িয়েছিলেন। তাকে যখন কোর্ট থেকে জেলখানায় নিয়ে যাওয়া হয় সেই দৃশ্য আমরা সবাই দেখেছিলাম। তাকে জেলে নেওয়ার পরের দিন আমাকে বন্দী করা হয়। ৪১ দিন আমাকে রিমান্ডে রাখা হয়েছিল। ফ্যাসিবাদের এই সময়ে সাড়ে তিন বছর কারাগারে থাকতে হয়েছে। শত জুলুম, অত্যাচারের মুখেও আমরা দেশ ও জনগণের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলাম, গণতন্ত্রের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলাম।

শিমুল বিশ্বাস বলেন, ‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রবাস থেকে রণাঙ্গনের সেনাপতির মতো আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। দেশের ভেতরে খালেদা জিয়া ছিলেন জাতীয় ঐক্যের প্রতীক আর প্রবাস থেকে ছিলেন তারেক রহমান। তার কথায় ছাত্রজনতার আন্দোলনে আমরা শ্রমিক শ্রেণিকে যুক্ত করেছিলাম। শ্রমিক শ্রেণি অকাতরে জীবন দিয়েছেন। সহস্রাধিক মানুষ যে জীবন দিয়েছেন তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি শ্রমিক শ্রেণি। আমাদের সব জীবন দেওয়ার লক্ষ্য ছিল একটা নিরাপদ জীবন গড়া

সবশেষে সংসদ সদস্য বলেন, ‘যারা খালেদা জিয়াকে অপমান করেছে, শেষ পর্যন্ত তারাও সম্মান প্রদর্শন করেছে। এটাই ডেস্টিনি। যথার্থ সম্মান শুধু খালেদা জিয়া পাননি, গোটা বাংলাদেশ পেয়েছে। বাংলাদেশ সার্বভৌম রাখার জন্যে খালেদা জিয়া শুধু জীবনেই লড়াই করেননি, মরণেও লড়াই করেছেন। এই বাংলাদেশ সার্বভৌম থাকবে এই বাংলাদেশ কারও কাছে নত হবে না। এই বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে কারো পক্ষেই পদানত করা সম্ভব হবে না।