ঢাকা , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আন্তর্জাতিক মাদক চোরাচালান ও অর্থ পাচারের তদন্তে আর্জেন্টাইন তারকা ফুটবলারের নাম আমরা ১৮ কোটি মানুষের পক্ষে রাস্তায় নেমেছি: জামায়াত আমির ভাড়া বাসা থেকে নবজাতকসহ ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার পথে পথে সভা সমাবেশ করবে ১১ দলীয় ঐক্য মনে হচ্ছে ৬ মাসে বিএনপি সরকার আ.লীগের চেয়ে বেশি অপরাধ করে ফেলেছে: রাশেদ খাঁন জামায়াতের মিছিলে ককটেল বিস্ফোরণ প্রবাসীর স্ত্রী ও কোটি টাকা নিয়ে পালানোর অভিযোগে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিচার দাবি মন্ত্রীদের হিসাব করে সত্য কথা বলতে হবে, চাপাবাজির দিন নেই: মান্না ‘সেদিন ডিবি কার্যালয়ে ২৪ ঘণ্টা বাথরুমের দরজার সামনের চেয়ারে বসিয়ে আমাদের ঘুমাতে দেওয়া হতো না’ সোমালিয়ায় গোপন ঘাঁটি যুক্তরাষ্ট্রের, নতুন যুদ্ধের ইঙ্গিত

‘খালেদা জিয়ার সাজার রায়ে সাংবাদিকরা কেঁদেছিলেন, পুলিশও কেঁদেছিলেন’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৫৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৬০ বার পড়া হয়েছে

এবার পাবনা৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেছেন, ‘যেদিন বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে সাজা দেওয়া হয়, সাজার রায় ঘোষণার পর আদালত স্তব্ধ হয়ে যায়। সাংবাদিকরা অঝরে কেঁদেছিলেন পুলিশও কেঁদেছিলেন, এই অসম্মান অপমানকর পরিস্থিতিতে সেদিন সবাই বেদনাবিধুর হয়েছিলেন।রোববার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে তিনি একথা বলেন।

বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার রায় ঘোষণার দিনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘রায়ের পর উপস্থিত পুলিশ, আইনজীবী ও সাংবাদিকদের মধ্যে অনেকেই সেদিন কেঁদেছিলেন, আর বিচারক পালিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু বেগম জিয়া অসীম সাহসিকতা নিয়ে পাহাড়ের মতো দাঁড়িয়েছিলেন। তাকে যখন কোর্ট থেকে জেলখানায় নিয়ে যাওয়া হয় সেই দৃশ্য আমরা সবাই দেখেছিলাম। তাকে জেলে নেওয়ার পরের দিন আমাকে বন্দী করা হয়। ৪১ দিন আমাকে রিমান্ডে রাখা হয়েছিল। ফ্যাসিবাদের এই সময়ে সাড়ে তিন বছর কারাগারে থাকতে হয়েছে। শত জুলুম, অত্যাচারের মুখেও আমরা দেশ ও জনগণের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলাম, গণতন্ত্রের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলাম।

শিমুল বিশ্বাস বলেন, ‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রবাস থেকে রণাঙ্গনের সেনাপতির মতো আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। দেশের ভেতরে খালেদা জিয়া ছিলেন জাতীয় ঐক্যের প্রতীক আর প্রবাস থেকে ছিলেন তারেক রহমান। তার কথায় ছাত্রজনতার আন্দোলনে আমরা শ্রমিক শ্রেণিকে যুক্ত করেছিলাম। শ্রমিক শ্রেণি অকাতরে জীবন দিয়েছেন। সহস্রাধিক মানুষ যে জীবন দিয়েছেন তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি শ্রমিক শ্রেণি। আমাদের সব জীবন দেওয়ার লক্ষ্য ছিল একটা নিরাপদ জীবন গড়া

সবশেষে সংসদ সদস্য বলেন, ‘যারা খালেদা জিয়াকে অপমান করেছে, শেষ পর্যন্ত তারাও সম্মান প্রদর্শন করেছে। এটাই ডেস্টিনি। যথার্থ সম্মান শুধু খালেদা জিয়া পাননি, গোটা বাংলাদেশ পেয়েছে। বাংলাদেশ সার্বভৌম রাখার জন্যে খালেদা জিয়া শুধু জীবনেই লড়াই করেননি, মরণেও লড়াই করেছেন। এই বাংলাদেশ সার্বভৌম থাকবে এই বাংলাদেশ কারও কাছে নত হবে না। এই বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে কারো পক্ষেই পদানত করা সম্ভব হবে না।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আন্তর্জাতিক মাদক চোরাচালান ও অর্থ পাচারের তদন্তে আর্জেন্টাইন তারকা ফুটবলারের নাম

‘খালেদা জিয়ার সাজার রায়ে সাংবাদিকরা কেঁদেছিলেন, পুলিশও কেঁদেছিলেন’

আপডেট সময় ১১:৫৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

এবার পাবনা৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেছেন, ‘যেদিন বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে সাজা দেওয়া হয়, সাজার রায় ঘোষণার পর আদালত স্তব্ধ হয়ে যায়। সাংবাদিকরা অঝরে কেঁদেছিলেন পুলিশও কেঁদেছিলেন, এই অসম্মান অপমানকর পরিস্থিতিতে সেদিন সবাই বেদনাবিধুর হয়েছিলেন।রোববার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে তিনি একথা বলেন।

বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার রায় ঘোষণার দিনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘রায়ের পর উপস্থিত পুলিশ, আইনজীবী ও সাংবাদিকদের মধ্যে অনেকেই সেদিন কেঁদেছিলেন, আর বিচারক পালিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু বেগম জিয়া অসীম সাহসিকতা নিয়ে পাহাড়ের মতো দাঁড়িয়েছিলেন। তাকে যখন কোর্ট থেকে জেলখানায় নিয়ে যাওয়া হয় সেই দৃশ্য আমরা সবাই দেখেছিলাম। তাকে জেলে নেওয়ার পরের দিন আমাকে বন্দী করা হয়। ৪১ দিন আমাকে রিমান্ডে রাখা হয়েছিল। ফ্যাসিবাদের এই সময়ে সাড়ে তিন বছর কারাগারে থাকতে হয়েছে। শত জুলুম, অত্যাচারের মুখেও আমরা দেশ ও জনগণের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলাম, গণতন্ত্রের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলাম।

শিমুল বিশ্বাস বলেন, ‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রবাস থেকে রণাঙ্গনের সেনাপতির মতো আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। দেশের ভেতরে খালেদা জিয়া ছিলেন জাতীয় ঐক্যের প্রতীক আর প্রবাস থেকে ছিলেন তারেক রহমান। তার কথায় ছাত্রজনতার আন্দোলনে আমরা শ্রমিক শ্রেণিকে যুক্ত করেছিলাম। শ্রমিক শ্রেণি অকাতরে জীবন দিয়েছেন। সহস্রাধিক মানুষ যে জীবন দিয়েছেন তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি শ্রমিক শ্রেণি। আমাদের সব জীবন দেওয়ার লক্ষ্য ছিল একটা নিরাপদ জীবন গড়া

সবশেষে সংসদ সদস্য বলেন, ‘যারা খালেদা জিয়াকে অপমান করেছে, শেষ পর্যন্ত তারাও সম্মান প্রদর্শন করেছে। এটাই ডেস্টিনি। যথার্থ সম্মান শুধু খালেদা জিয়া পাননি, গোটা বাংলাদেশ পেয়েছে। বাংলাদেশ সার্বভৌম রাখার জন্যে খালেদা জিয়া শুধু জীবনেই লড়াই করেননি, মরণেও লড়াই করেছেন। এই বাংলাদেশ সার্বভৌম থাকবে এই বাংলাদেশ কারও কাছে নত হবে না। এই বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে কারো পক্ষেই পদানত করা সম্ভব হবে না।