নোয়াখালীর সুবর্ণচরে কোরবানির জন্য কেনা গরু চুরির ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঈদের দিন ভোরে গোয়ালঘর থেকে গরুটি নিখোঁজ হওয়ার পর অনেক খোঁজাখুঁজি করেও সেটি উদ্ধার করা যায়নি। পরে বিকল্প আরেকটি পশু সংগ্রহ করতে না পারায় এবার কোরবানি দিতে পারেনি বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার।
বুধবার (২৭ মে) দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার চরজুবিলী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম চরজুবিলী গ্রামের পাঞ্চায়েত বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, ঈদকে কেন্দ্র করে কোরবানির পশু চুরির এমন ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। দ্রুত জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য তারেক মাসুদ জানান, তার বাবা আবুল মিয়া গত ২৫ মে স্থানীয় হারিছ চৌধুরী বাজারসংলগ্ন চরজব্বর ডিগ্রি কলেজ মাঠ থেকে ৭৫ হাজার টাকা দিয়ে কোরবানির জন্য একটি গরু কেনেন। পরে সেটি বাড়িতে এনে পরিবারের সদস্যরা যত্নে লালন-পালন করছিলেন।
তারেক মাসুদ বলেন, ঈদের দিন রাত আনুমানিক ৩টার দিকে চোর গরুটি নিয়ে যায়। ভোরে ঘুম থেকে উঠে গোয়ালঘরে গিয়ে দেখেন গরুটি নেই। এরপর আশপাশে অনেক খোঁজাখুঁজি করেছেন, কিন্তু কোথাও পাননি। পরে কোরবানির জন্য আর গরু জোগাড় করতে পারিনি। তাই এবার তাদের কোরবানি দেওয়া সম্ভব হয়নি।
তিনি আরও বলেন, গরু চুরির ঘটনায় একজনকে সন্দেহ করছেন তারা। স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় ন্যায়বিচারের দাবিতে নোয়াখালী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
এ বিষয়ে চরজব্বর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) দেবাশীষ দাশ বলেন, এ ধরনের কোনো অভিযোগ এখনও আমাদের কাছে আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট 


















