ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার হুমকির পর সামরিক প্রশিক্ষণ নিচ্ছে ইরানের নারীরাও রাষ্ট্রপতির স্ত্রীও ফ‍্যামিলি কার্ড পাবে, কেউ বাদ যাবে না: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ইয়াবার নামে বিক্রি হচ্ছে ঙের প্রলেপ দেওয়া জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি মার্কিন ও ইসরায়েলি ‘যুদ্ধাপরাধের’ বিচার নিশ্চিত করবে ইরান নিউগিনি প্রোপার্টিজে হামলা, জামায়াত এমপির মেয়ের জামাই গ্রেফতার ‘আমার বাবা ভালো বাবা, মিথ্যা অপবাদ দেওয়া হয়েছে’ চট্টগ্রামের মানুষ সবার আগে জান্নাতে যাবে, এরপর অন্য জেলার মানুষ: মাওলানা আতাউল বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ‘গালাগালসহ আপত্তিকর পোস্ট’, আ.লীগের মিছিলের মামলায় এনসিপি নেতা গ্রেফতার নির্ধারিত দামের চেয়ে ৫০০ টাকা বেশি, তবু মিলছে না এলপি গ্যাস নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ‘মানসিক ভারসাম্যহীন ছাগল চোর’: রাশেদ খাঁন

কারাগারে আসামিদের পরামর্শে ডলারের নাম বলে সোহেল: রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:১৫:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
  • ২৪২ বার পড়া হয়েছে

এবার রামিসা হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান দুলু বলেন, ‘এ আসামি (সোহেল) জবানবন্দিতে বলেনাই ডলারের নাম। কারাগারের আসামিদের পরামর্শে ডলারের নাম বলে সোহেল। তবে গতকাল স্বেচ্ছায় নিজের দোষ স্বীকার করে মাফ চেয়েছেন। বলা যায় এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে হয়েছে।’ 

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে পুলিশি পাহারায়   মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে তোলা হয়। পরে ১১ টা  ৪৫ মিনিটে বিচারক আদালতে উঠলে যুক্তিতর্ক শুরু হয়।

শুনানিতে রাষ্ট্র পক্ষের এ মামলার বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর পিপি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ও সাক্ষীদের জবানবন্দি পড়ে শোনান। অপরদিকে আসামিপক্ষের রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী মুছা কালিমুল্যাহ ও উপস্থিত আছেন।  গত ১ জুন পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় বাদী আবদুল হান্নান মোল্লাসহ ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। পরে গতকাল  ১৬ জনের  সাক্ষ্য গ্রহণ সমাপ্ত ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনাল।

এর আগে গত ২৪ মে আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান। এরপর চার্জশিটটি আমলে গ্রহণ করে বিচারের জন্য ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। একইদিন ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে নিয়ে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ১ জুন দিন ধার্য করেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার হুমকির পর সামরিক প্রশিক্ষণ নিচ্ছে ইরানের নারীরাও

কারাগারে আসামিদের পরামর্শে ডলারের নাম বলে সোহেল: রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী

আপডেট সময় ০২:১৫:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

এবার রামিসা হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান দুলু বলেন, ‘এ আসামি (সোহেল) জবানবন্দিতে বলেনাই ডলারের নাম। কারাগারের আসামিদের পরামর্শে ডলারের নাম বলে সোহেল। তবে গতকাল স্বেচ্ছায় নিজের দোষ স্বীকার করে মাফ চেয়েছেন। বলা যায় এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে হয়েছে।’ 

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে পুলিশি পাহারায়   মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে তোলা হয়। পরে ১১ টা  ৪৫ মিনিটে বিচারক আদালতে উঠলে যুক্তিতর্ক শুরু হয়।

শুনানিতে রাষ্ট্র পক্ষের এ মামলার বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর পিপি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ও সাক্ষীদের জবানবন্দি পড়ে শোনান। অপরদিকে আসামিপক্ষের রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী মুছা কালিমুল্যাহ ও উপস্থিত আছেন।  গত ১ জুন পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় বাদী আবদুল হান্নান মোল্লাসহ ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। পরে গতকাল  ১৬ জনের  সাক্ষ্য গ্রহণ সমাপ্ত ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনাল।

এর আগে গত ২৪ মে আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান। এরপর চার্জশিটটি আমলে গ্রহণ করে বিচারের জন্য ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। একইদিন ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে নিয়ে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ১ জুন দিন ধার্য করেন।