ঢাকা , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::

ক্যারিয়ারের প্রথম বছর থেকেই আমি পলিটিক্সের শিকার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:৩০:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘রকস্টার’ সিনেমাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলা নেতিবাচক প্রচারণা এবং তথাকথিত ‘ফিল্ম পলিটিক্স’ নিয়ে মুখ খুলেছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের শীর্ষ নায়ক শাকিব খান। তাঁর অভিযোগ, সিনেমা মুক্তির প্রথম দিন থেকেই একটি মহল পরিকল্পিতভাবে শুধুমাত্র নেতিবাচক প্রতিক্রিয়াগুলো প্রচার করেছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর উত্তরার স্টার সিনেপ্লেক্সে সিনেমাটির প্রচারণায় অংশ নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তিনি। শাকিবের ভাষ্য, একটি সিনেমা নিয়ে ইতিবাচক ও নেতিবাচক—দুই ধরনের প্রতিক্রিয়াই থাকতে পারে। কিন্তু ‘রকস্টার’-এর ক্ষেত্রে শুধু সমালোচনামূলক অংশগুলো বেছে বেছে প্রচার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, “একটা সিনেমায় পজিটিভ-নেগেটিভ রিভিউ হয়। শুধু নেগেটিভ রিভিউ কেটে কেটে প্রচার করলো প্রথম দিন—এর ব্যাপারটা বুঝলাম না। এই চক্রান্তটা কার প্রতি? আমার প্রতি, নাকি সিনেমাটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান, নির্মাতা কিংবা শিল্পীদের প্রতি? নাকি বাংলা সিনেমার প্রতিই?”

শাকিব খানের মতে, বাংলা চলচ্চিত্রের অগ্রগতি দেখতে না চাওয়া কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী রয়েছে। নতুন গল্প, নতুন উপস্থাপনা কিংবা ভিন্নধর্মী নির্মাণশৈলী নিয়ে কোনো সিনেমা সামনে এলে সেটিকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হয়। তবে দর্শকদের জন্য নতুন কিছু করার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

‘ফিল্ম পলিটিক্স’-এর শিকার হয়েছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে অভিনেতা বলেন, প্রায় ২৭ বছরের ক্যারিয়ারে তিনি নানা ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছেন। তবে তিনি এসবকে ‘রাজনীতির শিকার’ হিসেবে দেখেন না; বরং সাফল্যের পথে সংগ্রামের অংশ হিসেবেই বিবেচনা করেন।

শাকিব বলেন, “ক্যারিয়ারের প্রথম বছর থেকেই আমি পলিটিক্সের শিকার। যদিও আমি এটাকে শিকার বলি না। পাহাড়ের চূড়ায় উঠতে যেমন কষ্ট করতে হয়, তেমনি সেখানে টিকে থাকতেও সংগ্রাম করতে হয়। এটা আমাদের ক্যারিয়ারেরই অংশ।”

সব বিতর্ক ও সমালোচনার মধ্যেও ‘রকস্টার’ দর্শকদের সাড়া পাচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর মতে, মুক্তির দ্বিতীয় দিন থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে দর্শক উপস্থিতি বেড়েছে, যা প্রমাণ করে যে ভালো কাজ শেষ পর্যন্ত দর্শকের সমর্থন পায়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

এবার কন্যা সন্তানের বাবা-মা হলেন শাকিব-বুবলী

ক্যারিয়ারের প্রথম বছর থেকেই আমি পলিটিক্সের শিকার

আপডেট সময় ০২:৩০:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘রকস্টার’ সিনেমাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলা নেতিবাচক প্রচারণা এবং তথাকথিত ‘ফিল্ম পলিটিক্স’ নিয়ে মুখ খুলেছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের শীর্ষ নায়ক শাকিব খান। তাঁর অভিযোগ, সিনেমা মুক্তির প্রথম দিন থেকেই একটি মহল পরিকল্পিতভাবে শুধুমাত্র নেতিবাচক প্রতিক্রিয়াগুলো প্রচার করেছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর উত্তরার স্টার সিনেপ্লেক্সে সিনেমাটির প্রচারণায় অংশ নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তিনি। শাকিবের ভাষ্য, একটি সিনেমা নিয়ে ইতিবাচক ও নেতিবাচক—দুই ধরনের প্রতিক্রিয়াই থাকতে পারে। কিন্তু ‘রকস্টার’-এর ক্ষেত্রে শুধু সমালোচনামূলক অংশগুলো বেছে বেছে প্রচার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, “একটা সিনেমায় পজিটিভ-নেগেটিভ রিভিউ হয়। শুধু নেগেটিভ রিভিউ কেটে কেটে প্রচার করলো প্রথম দিন—এর ব্যাপারটা বুঝলাম না। এই চক্রান্তটা কার প্রতি? আমার প্রতি, নাকি সিনেমাটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান, নির্মাতা কিংবা শিল্পীদের প্রতি? নাকি বাংলা সিনেমার প্রতিই?”

শাকিব খানের মতে, বাংলা চলচ্চিত্রের অগ্রগতি দেখতে না চাওয়া কিছু স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী রয়েছে। নতুন গল্প, নতুন উপস্থাপনা কিংবা ভিন্নধর্মী নির্মাণশৈলী নিয়ে কোনো সিনেমা সামনে এলে সেটিকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হয়। তবে দর্শকদের জন্য নতুন কিছু করার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

‘ফিল্ম পলিটিক্স’-এর শিকার হয়েছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে অভিনেতা বলেন, প্রায় ২৭ বছরের ক্যারিয়ারে তিনি নানা ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছেন। তবে তিনি এসবকে ‘রাজনীতির শিকার’ হিসেবে দেখেন না; বরং সাফল্যের পথে সংগ্রামের অংশ হিসেবেই বিবেচনা করেন।

শাকিব বলেন, “ক্যারিয়ারের প্রথম বছর থেকেই আমি পলিটিক্সের শিকার। যদিও আমি এটাকে শিকার বলি না। পাহাড়ের চূড়ায় উঠতে যেমন কষ্ট করতে হয়, তেমনি সেখানে টিকে থাকতেও সংগ্রাম করতে হয়। এটা আমাদের ক্যারিয়ারেরই অংশ।”

সব বিতর্ক ও সমালোচনার মধ্যেও ‘রকস্টার’ দর্শকদের সাড়া পাচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর মতে, মুক্তির দ্বিতীয় দিন থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে দর্শক উপস্থিতি বেড়েছে, যা প্রমাণ করে যে ভালো কাজ শেষ পর্যন্ত দর্শকের সমর্থন পায়।