ঢাকা , শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গরীব মানুষের জন্য আদ্-দ্বীন একটা ভরসার জায়গা: ডা. মাহমুদা মিতু ইরানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত হামলা বাতিল করলেন ট্রাম্প বিশ্বকাপে বাঁশি বাজাতে না পারলেও সুপার কাপে বড় দায়িত্ব পেলেন সোমালি রেফারি ইতিহাসে প্রথম ফিফা বিশ্বকাপে খেলবে রেকর্ড ১৩টি মুসলিম দেশ যে বিশ্বকাপ বদলে দিয়েছিল ফুটবলের ইতিহাস কিছুক্ষণ পর শুরু হবে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান রাতভর অভিযানে কটিয়াদীতে কৃষক লীগ-ছাত্রলীগসহ ৪ নেতা আটক আদ্‌-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিল ইস্যুতে জামায়াত আমিরের স্ট্যাটাস বিয়ের উপহার হিসেবে বর পেলেন ব্রাজিলের জার্সি, কনে আর্জেন্টিনার ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের রাতেই হাসপাতালে মিরাজ

১০ টাকার জেরে আয়েশা হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:১৪:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলায় মাত্র ১০ টাকা পাওনা নিয়ে সৃষ্ট তুচ্ছ বিরোধের জেরে সংঘটিত আলোচিত আয়েশা খাতুন (৪০) হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. জহিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে জহিরুল ইসলামকে ফুলবাড়িয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এর আগে বুধবার রাত ১টার দিকে গাজীপুর সদর উপজেলার ভোগড়া বাইপাস এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

র‌্যাব-১৪ সূত্রে জানা গেছে, নিহত আয়েশা খাতুন একই গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। আয়েশা খাতুনের ছেলে আশিক মিয়ার কাছে তার ভাতিজা জহিরুল ইসলামের ১০ টাকা পাওনা ছিল। ওই পাওনা টাকা নিয়ে ঘটনার দিন বিকেলে আশিক মিয়া ও জহিরুল ইসলামের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি শান্ত করার উদ্দেশ্যে আশিক মিয়ার মা আয়েশা খাতুন ঘটনাস্থলে এগিয়ে আসেন।

 

অভিযোগ রয়েছে, উত্তেজিত জহিরুল ইসলাম ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় আয়েশা খাতুন ঘটনাস্থলেই মারা যান। গত ১৪ এপ্রিল বিকেলে ফুলবাড়িয়া উপজেলার বাকতা ইউনিয়নের কৈয়ারচালা গ্রামে এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

 

এ হত্যাকাণ্ডের পরপরই অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম আত্মগোপনে চলে যায়। পরদিন ১৫ এপ্রিল নিহতের মা বাদী হয়ে ফুলবাড়িয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রাখে। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় র‌্যাব-১৪ আসামির অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

 

র‌্যাব-১৪ ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সামসুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জহিরুল ইসলামের অবস্থান নিশ্চিত করা হয়। পরে গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাস এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারের পর মামলার পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

গরীব মানুষের জন্য আদ্-দ্বীন একটা ভরসার জায়গা: ডা. মাহমুদা মিতু

১০ টাকার জেরে আয়েশা হত্যা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ১০:১৪:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলায় মাত্র ১০ টাকা পাওনা নিয়ে সৃষ্ট তুচ্ছ বিরোধের জেরে সংঘটিত আলোচিত আয়েশা খাতুন (৪০) হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. জহিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে জহিরুল ইসলামকে ফুলবাড়িয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এর আগে বুধবার রাত ১টার দিকে গাজীপুর সদর উপজেলার ভোগড়া বাইপাস এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

র‌্যাব-১৪ সূত্রে জানা গেছে, নিহত আয়েশা খাতুন একই গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। আয়েশা খাতুনের ছেলে আশিক মিয়ার কাছে তার ভাতিজা জহিরুল ইসলামের ১০ টাকা পাওনা ছিল। ওই পাওনা টাকা নিয়ে ঘটনার দিন বিকেলে আশিক মিয়া ও জহিরুল ইসলামের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি শান্ত করার উদ্দেশ্যে আশিক মিয়ার মা আয়েশা খাতুন ঘটনাস্থলে এগিয়ে আসেন।

 

অভিযোগ রয়েছে, উত্তেজিত জহিরুল ইসলাম ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় আয়েশা খাতুন ঘটনাস্থলেই মারা যান। গত ১৪ এপ্রিল বিকেলে ফুলবাড়িয়া উপজেলার বাকতা ইউনিয়নের কৈয়ারচালা গ্রামে এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

 

এ হত্যাকাণ্ডের পরপরই অভিযুক্ত জহিরুল ইসলাম আত্মগোপনে চলে যায়। পরদিন ১৫ এপ্রিল নিহতের মা বাদী হয়ে ফুলবাড়িয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রাখে। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় র‌্যাব-১৪ আসামির অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

 

র‌্যাব-১৪ ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সামসুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জহিরুল ইসলামের অবস্থান নিশ্চিত করা হয়। পরে গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাস এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারের পর মামলার পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।