ঢাকা , রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
রাতে চারবারের চ্যাম্পিয়ন জার্মানির মুখোমুখি আইভরি কোস্ট ইরান হরমুজ বন্ধ করার পর লেবাননে হামলা বন্ধের নির্দেশ ইসরায়েলের বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হারিয়ে বাংলাদেশের নতুন ইতিহাস ওয়াশরুমের গোপন সুড়ঙ্গে লুকিয়েও রেহাই পেলেন না নায়িকা ববির স্বামী ব্রাজিলের জয়, মাথা ন্যাড়া করে কথা রাখলেন আর্জেন্টিনা সমর্থক বিশ্বকাপে পরের ম্যাচেই যে তিনটি রেকর্ড ভাঙার সম্ভাবনা মেসির পশ্চিমবঙ্গ সফরে দেশভাগ ও বাংলাদেশ প্রসঙ্গে যা বললেন মোদি লেবাননে ইসরায়েলি হামলার জেরে হরমুজ বন্ধের ঘোষণা ইরানের: বিবিসি ‘পায়ে গুলি করার’ অডিও ভাইরাল, হুমকি নয় ‘মশকরা’ বললেন এমপি শাহজাহান যে ৬ কারণে এবারই বিশ্বকাপ জিততে পারে ব্রাজিল

ভুয়া ঠিকানায় সরকারি চাকরি নেওয়ার অভিযোগ: ১৬ বছর পর শিক্ষা অফিসের কর্মচারীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে উঠল গুরুতর প্রশ্ন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৪৩:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

এম আর সাইফুল, জামালপুর প্রতিনিধি:

 

জামালপুর পৌর এলাকার চন্দ্রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোছাম্মৎ জোবেদা আক্তারের বিরুদ্ধে ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে সরকারি চাকরি গ্রহণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, প্রকৃত স্থায়ী ঠিকানা গোপন করে জামালপুর সদর উপজেলার একটি স্থানীয় ঠিকানা ব্যবহার করে তিনি ২০১০ সালে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন। এরপর প্রায় ১৬ বছর ধরে সরকারি বেতন-ভাতা, পদোন্নতিসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগ করলেও নিয়োগের সময় ব্যবহৃত স্থায়ী ঠিকানার সত্যতা নিয়ে কখনো কার্যকর তদন্ত হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

স্থানীয় সূত্র, শিক্ষা বিভাগ-সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি এবং অভিযোগকারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষিকার প্রকৃত বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলার চেচুয়া এলাকায়। তার পিতা মো. আবুল কাশেম এবং মাতা মোছা. নূরুন্নাহার বেগম। তবে সরকারি চাকরির আবেদনে তিনি জামালপুর সদর উপজেলার রানাগাছা ইউনিয়নের একটি ঠিকানা স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, যে ঠিকানাটি স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল, সেখানে জোবেদা আক্তার বা তার পরিবারের কোনো সদস্যের কখনো বসবাসের রেকর্ড নেই। স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই এলাকায় তাদের কোনো বাড়িঘর, বসতভিটা কিংবা স্থায়ী বসবাসের ইতিহাসও পাওয়া যায়নি। ফলে নিয়োগের সময় ব্যবহৃত ঠিকানার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বিষয়টিকে আরও স্পর্শকাতর করে তুলেছে অভিযুক্ত শিক্ষিকার পারিবারিক পরিচয়। তার স্বামী মো. শফিকুল ইসলাম পাঠান জামালপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, শিক্ষা অফিসে দীর্ঘদিন কর্মরত থাকার কারণে তার প্রশাসনিক যোগাযোগ ও প্রভাবের সুযোগে বিষয়টি বছরের পর বছর আড়ালেই থেকে গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জোবেদা আক্তার ২০১০ সালে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পান। সে সময় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্থানীয় পরিচয়, স্থায়ী ঠিকানা এবং বিভিন্ন সনদের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হতো। অভিযোগকারীদের দাবি, চাকরি পাওয়ার সুবিধার্থে পরিকল্পিতভাবে স্থানীয় ঠিকানা ব্যবহার করা হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও তা আর তদন্তের পর্যায়ে যায়নি।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, যদি প্রকৃতপক্ষে তিনি ময়মনসিংহ জেলার বাসিন্দা হয়ে জামালপুরের স্থায়ী বাসিন্দা পরিচয়ে চাকরি নিয়ে থাকেন, তাহলে নিয়োগের সময় জমা দেওয়া জাতীয় পরিচয়পত্র, নাগরিকত্ব সনদ, স্থায়ী বাসিন্দার প্রত্যয়নপত্র এবং অন্যান্য কাগজপত্র কীভাবে যাচাই করা হয়েছিল? এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্বশীল ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে পড়েছে বলে তারা মনে করছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষা বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে ভুল বা মিথ্যা তথ্য প্রদান অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ। নিয়োগের সময় দেওয়া তথ্য পরে অসত্য প্রমাণিত হলে চাকরি বাতিলসহ বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান রয়েছে। তবে কোনো অভিযোগের ক্ষেত্রে অবশ্যই যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা নিশ্চিত করতে হবে।

স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি চাকরিতে ভুয়া সনদ, জাল কাগজপত্র ও ভুল তথ্য ব্যবহারের নানা অভিযোগ সামনে এসেছে। এসব ঘটনায় প্রশাসনের কঠোর অবস্থান থাকলেও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে অনেক অভিযোগ তদন্তের আগেই চাপা পড়ে যায়। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে বৈষম্যের ধারণা তৈরি হচ্ছে।

জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, “সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্য, ভুয়া ঠিকানা বা জাল কাগজপত্র ব্যবহার করা হয়ে থাকলে তা শুধু প্রশাসনিক অনিয়ম নয়, রাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।”

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মোছাম্মৎ জোবেদা আক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “যারা অভিযোগ দিয়েছেন, তাদের কাছেই জেনে নিন।” এরপর তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তার স্বামী ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কম্পিউটার অপারেটর মো. শফিকুল ইসলাম পাঠান বলেন, “জোবেদা আক্তারের নান্দিনায় তার বাবার বাড়ি আছে, জমিও আছে। সব ঠিক আছে।”

জামালপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলী আহসান বলেন, “বিষয়টি জানলাম। তবে মোছাম্মৎ জোবেদা আক্তারের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পেলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে নিয়োগ-সংক্রান্ত নথিপত্র, স্থায়ী ঠিকানার প্রমাণপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য, নাগরিকত্ব সনদ এবং স্থানীয় প্রশাসনের রেকর্ড পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। একই সঙ্গে অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রাতে চারবারের চ্যাম্পিয়ন জার্মানির মুখোমুখি আইভরি কোস্ট

ভুয়া ঠিকানায় সরকারি চাকরি নেওয়ার অভিযোগ: ১৬ বছর পর শিক্ষা অফিসের কর্মচারীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে উঠল গুরুতর প্রশ্ন

আপডেট সময় ১০:৪৩:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

এম আর সাইফুল, জামালপুর প্রতিনিধি:

 

জামালপুর পৌর এলাকার চন্দ্রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোছাম্মৎ জোবেদা আক্তারের বিরুদ্ধে ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে সরকারি চাকরি গ্রহণের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, প্রকৃত স্থায়ী ঠিকানা গোপন করে জামালপুর সদর উপজেলার একটি স্থানীয় ঠিকানা ব্যবহার করে তিনি ২০১০ সালে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন। এরপর প্রায় ১৬ বছর ধরে সরকারি বেতন-ভাতা, পদোন্নতিসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগ করলেও নিয়োগের সময় ব্যবহৃত স্থায়ী ঠিকানার সত্যতা নিয়ে কখনো কার্যকর তদন্ত হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

স্থানীয় সূত্র, শিক্ষা বিভাগ-সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি এবং অভিযোগকারীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষিকার প্রকৃত বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলার চেচুয়া এলাকায়। তার পিতা মো. আবুল কাশেম এবং মাতা মোছা. নূরুন্নাহার বেগম। তবে সরকারি চাকরির আবেদনে তিনি জামালপুর সদর উপজেলার রানাগাছা ইউনিয়নের একটি ঠিকানা স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, যে ঠিকানাটি স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল, সেখানে জোবেদা আক্তার বা তার পরিবারের কোনো সদস্যের কখনো বসবাসের রেকর্ড নেই। স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই এলাকায় তাদের কোনো বাড়িঘর, বসতভিটা কিংবা স্থায়ী বসবাসের ইতিহাসও পাওয়া যায়নি। ফলে নিয়োগের সময় ব্যবহৃত ঠিকানার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বিষয়টিকে আরও স্পর্শকাতর করে তুলেছে অভিযুক্ত শিক্ষিকার পারিবারিক পরিচয়। তার স্বামী মো. শফিকুল ইসলাম পাঠান জামালপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, শিক্ষা অফিসে দীর্ঘদিন কর্মরত থাকার কারণে তার প্রশাসনিক যোগাযোগ ও প্রভাবের সুযোগে বিষয়টি বছরের পর বছর আড়ালেই থেকে গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জোবেদা আক্তার ২০১০ সালে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পান। সে সময় নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্থানীয় পরিচয়, স্থায়ী ঠিকানা এবং বিভিন্ন সনদের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হতো। অভিযোগকারীদের দাবি, চাকরি পাওয়ার সুবিধার্থে পরিকল্পিতভাবে স্থানীয় ঠিকানা ব্যবহার করা হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও তা আর তদন্তের পর্যায়ে যায়নি।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, যদি প্রকৃতপক্ষে তিনি ময়মনসিংহ জেলার বাসিন্দা হয়ে জামালপুরের স্থায়ী বাসিন্দা পরিচয়ে চাকরি নিয়ে থাকেন, তাহলে নিয়োগের সময় জমা দেওয়া জাতীয় পরিচয়পত্র, নাগরিকত্ব সনদ, স্থায়ী বাসিন্দার প্রত্যয়নপত্র এবং অন্যান্য কাগজপত্র কীভাবে যাচাই করা হয়েছিল? এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্বশীল ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে পড়েছে বলে তারা মনে করছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষা বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে ভুল বা মিথ্যা তথ্য প্রদান অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ। নিয়োগের সময় দেওয়া তথ্য পরে অসত্য প্রমাণিত হলে চাকরি বাতিলসহ বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান রয়েছে। তবে কোনো অভিযোগের ক্ষেত্রে অবশ্যই যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা নিশ্চিত করতে হবে।

স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে সরকারি চাকরিতে ভুয়া সনদ, জাল কাগজপত্র ও ভুল তথ্য ব্যবহারের নানা অভিযোগ সামনে এসেছে। এসব ঘটনায় প্রশাসনের কঠোর অবস্থান থাকলেও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে অনেক অভিযোগ তদন্তের আগেই চাপা পড়ে যায়। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে বৈষম্যের ধারণা তৈরি হচ্ছে।

জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, “সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে মিথ্যা তথ্য, ভুয়া ঠিকানা বা জাল কাগজপত্র ব্যবহার করা হয়ে থাকলে তা শুধু প্রশাসনিক অনিয়ম নয়, রাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।”

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মোছাম্মৎ জোবেদা আক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “যারা অভিযোগ দিয়েছেন, তাদের কাছেই জেনে নিন।” এরপর তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তার স্বামী ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কম্পিউটার অপারেটর মো. শফিকুল ইসলাম পাঠান বলেন, “জোবেদা আক্তারের নান্দিনায় তার বাবার বাড়ি আছে, জমিও আছে। সব ঠিক আছে।”

জামালপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আলী আহসান বলেন, “বিষয়টি জানলাম। তবে মোছাম্মৎ জোবেদা আক্তারের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পেলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে নিয়োগ-সংক্রান্ত নথিপত্র, স্থায়ী ঠিকানার প্রমাণপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য, নাগরিকত্ব সনদ এবং স্থানীয় প্রশাসনের রেকর্ড পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। একই সঙ্গে অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।