ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইনকিলাব মঞ্চের নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা, জায়গা পেলেন ওসমান হাদিও আগে ভোট চুরি হতো এবার বিএনপি ফল চুরি করেছে: হাসনাত আব্দুল্লাহ রক্ত লেখা ইতিহাস কখনো মুছে যায় না: নাহিদ ইসলাম ভারতের দিকে তাক করা চীনের ১১ স্টেলথ যুদ্ধবিমান, স্যাটেলাইট ইমেজে অবাক করা দৃশ্য তিন শিক্ষার্থীকে পে’টা’লে’ন সালাহউদ্দিন আম্মারসহ শিবির নেতারা ৩২ ডিসিকে বাধ্যতামূলক অবসর ‘চুক্তিভঙ্গ’ করেছে মোদি সরকার, ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ‘তেলাপোকার’ হরমুজ আমাদের নিয়ন্ত্রণে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চাইনি: ইরান সরকার সেই পুরোনো ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে চাচ্ছে: গোলাম পরওয়ার ‘ভালুকার এমপির আমলনামা পড়ে শেষ করতে পারিনি’: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হারিয়ে বাংলাদেশের নতুন ইতিহাস

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
  • ৪৪ বার পড়া হয়েছে

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে ২৩ রানে হারিয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। সাউদাম্পটনে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১২৩ রান করে বাংলাদেশ।

 

ব্যাটিংয়ে শুরু থেকেই ব্যর্থ ছিল বাংলাদেশের টপ অর্ডার। একের পর এক উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দলটি। অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি এক প্রান্তে হাল ধরে রাখলেও অন্য প্রান্তে ব্যাটারদের আসা-যাওয়া চলতেই থাকে। ফলে একশ রানের দেখা পাবে কী না তা নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তবে সাত নম্বরে নেমে স্বর্ণা আক্তার ২২ বলে ঝড়ো ৩৯ রান করে ইনিংসে গতি আনেন এবং দলকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সংগ্রহ গড়ার ভিত্তি এনে দেন।

 

 

ছোট লক্ষ্য নিয়েও বল হাতে দুর্দান্ত শুরু করে বাংলাদেশ। শুরু থেকেই পাকিস্তানের ব্যাটারদের চাপে রাখেন বোলাররা, বিশেষ করে মধ্য ওভারগুলোতে স্পিনারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং প্রতিপক্ষকে রান তুলতে দেয়নি। প্রচুর ডট বলের কারণে প্রয়োজনীয় রানরেট ক্রমেই বেড়ে যায় এবং সেই চাপ আর সামাল দিতে পারেনি পাকিস্তান। শেষ পর্যন্ত ২৩ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে জ্যোতির দল। চলতি আসরে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় জয়, আর বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এক আসরে একাধিক ম্যাচ জয়ের কৃতিত্বও অর্জন করেছে টাইগ্রেসরা।

 

সাউদাম্পটনে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১২৩ রান করে বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেন স্বর্ণা। জবাবে ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১০০ রান করে পাকিস্তান।

বল হাতে বাংলাদেশের শুরুটা দারুণ করেন মারুফা আক্তার। নতুন বলে দুর্দান্ত সুইং আর গতিতে ইনিংসের প্রথম ওভার মেইডেন পান এই পেসার। তবে উইকেট পেতে অষ্টম ওভার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় বাংলাদেশকে। নাহিদা আক্তার ভাঙেন ৪৯ রানের উদ্বোধনী জুটি।

 

এরপর দুই প্রান্ত থেকেই স্পিন আক্রমণে যান জ্যোতি। তাতে রীতিমতো ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থা হয় পাকিস্তানের। রাবেয়া খান-সানজিদা আক্তার মেঘলারা বেশ মিতব্যয়ী ছিলেন। ফলে চাপে পড়ে পাকিস্তান। শেষদিকে প্রয়োজনীয় রানরেট মেটাতে আক্রমণে যায় তারা। তাতে উল্টো দ্রুত উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায়।

 

এর আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ১৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বেশ বিপাকে পড়ে টাইগ্রেসরা। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন জ্যোতি। তিনি এক প্রান্ত আগলে রাখলেও আরেক প্রান্তে ছিল আসা-যাওয়ার মিছিল। শেষ পর্যন্ত ৩৮ বলে ৩৬ রান করেন অধিনায়ক।

উপরের সারির ব্যাটারদের ব্যর্থতার দিনে দুর্দান্ত ছিলেন স্বর্ণা। এই তরুণ ব্যাটার রীতিমতো ঝড় তোলেন। ৫ চারে ২২ বলে ৩৯ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন তিনি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইনকিলাব মঞ্চের নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা, জায়গা পেলেন ওসমান হাদিও

বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হারিয়ে বাংলাদেশের নতুন ইতিহাস

আপডেট সময় ১২:১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে ২৩ রানে হারিয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। সাউদাম্পটনে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১২৩ রান করে বাংলাদেশ।

 

ব্যাটিংয়ে শুরু থেকেই ব্যর্থ ছিল বাংলাদেশের টপ অর্ডার। একের পর এক উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দলটি। অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি এক প্রান্তে হাল ধরে রাখলেও অন্য প্রান্তে ব্যাটারদের আসা-যাওয়া চলতেই থাকে। ফলে একশ রানের দেখা পাবে কী না তা নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তবে সাত নম্বরে নেমে স্বর্ণা আক্তার ২২ বলে ঝড়ো ৩৯ রান করে ইনিংসে গতি আনেন এবং দলকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সংগ্রহ গড়ার ভিত্তি এনে দেন।

 

 

ছোট লক্ষ্য নিয়েও বল হাতে দুর্দান্ত শুরু করে বাংলাদেশ। শুরু থেকেই পাকিস্তানের ব্যাটারদের চাপে রাখেন বোলাররা, বিশেষ করে মধ্য ওভারগুলোতে স্পিনারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং প্রতিপক্ষকে রান তুলতে দেয়নি। প্রচুর ডট বলের কারণে প্রয়োজনীয় রানরেট ক্রমেই বেড়ে যায় এবং সেই চাপ আর সামাল দিতে পারেনি পাকিস্তান। শেষ পর্যন্ত ২৩ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে জ্যোতির দল। চলতি আসরে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় জয়, আর বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এক আসরে একাধিক ম্যাচ জয়ের কৃতিত্বও অর্জন করেছে টাইগ্রেসরা।

 

সাউদাম্পটনে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১২৩ রান করে বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেন স্বর্ণা। জবাবে ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১০০ রান করে পাকিস্তান।

বল হাতে বাংলাদেশের শুরুটা দারুণ করেন মারুফা আক্তার। নতুন বলে দুর্দান্ত সুইং আর গতিতে ইনিংসের প্রথম ওভার মেইডেন পান এই পেসার। তবে উইকেট পেতে অষ্টম ওভার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় বাংলাদেশকে। নাহিদা আক্তার ভাঙেন ৪৯ রানের উদ্বোধনী জুটি।

 

এরপর দুই প্রান্ত থেকেই স্পিন আক্রমণে যান জ্যোতি। তাতে রীতিমতো ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থা হয় পাকিস্তানের। রাবেয়া খান-সানজিদা আক্তার মেঘলারা বেশ মিতব্যয়ী ছিলেন। ফলে চাপে পড়ে পাকিস্তান। শেষদিকে প্রয়োজনীয় রানরেট মেটাতে আক্রমণে যায় তারা। তাতে উল্টো দ্রুত উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায়।

 

এর আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি বাংলাদেশের। ১৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বেশ বিপাকে পড়ে টাইগ্রেসরা। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন জ্যোতি। তিনি এক প্রান্ত আগলে রাখলেও আরেক প্রান্তে ছিল আসা-যাওয়ার মিছিল। শেষ পর্যন্ত ৩৮ বলে ৩৬ রান করেন অধিনায়ক।

উপরের সারির ব্যাটারদের ব্যর্থতার দিনে দুর্দান্ত ছিলেন স্বর্ণা। এই তরুণ ব্যাটার রীতিমতো ঝড় তোলেন। ৫ চারে ২২ বলে ৩৯ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন তিনি।