ঢাকা , বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে, বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটার এখন চীনের হাতে মিসাইল না থাকলে গাজার মতো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতো ইরান: ইরানের প্রেসিডেন্ট নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে: শিক্ষামন্ত্রী স্কটল্যান্ডকে হারালে আরেক বিপদ ব্রাজিলের! শি জিনপিং-তারেক রহমান বৈঠকের অপেক্ষা, আলোচনায় তিস্তা মহাপরিকল্পনা যমজ কন্যা সন্তান হওয়ায় তালাক, থানায় ফের বিয়ে কিছু দেশের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকবে কিন্তু ইরানের থাকবে না, এটা হতে পারে না: শেহবাজ ইরান রাষ্ট্র হিসেবে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে বড় ধরনের অর্থনৈতিক সুযোগ পাবে: রুবিও বিপৎসীমার ওপরে তিস্তার পানি, খুলে দেওয়া হয়েছে সব জলকপাট মসজিদে ঝুলন্ত অবস্থায় ইমামের মরদেহ উদ্ধার, রুমে মিলল চিরকুট

উত্তর কোরিয়ার নৌবাহিনীকে পারমাণবিক অস্ত্রে সজ্জিত করার ঘোষণা কিম জং উনের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:২৪:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

এবার উত্তর কোরিয়ার নৌবাহিনীকে পূর্ণাঙ্গ পারমাণবিক অস্ত্রে সজ্জিত করার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির শীর্ষ নেতা কিম জং উন। মঙ্গলবার (২৩ জুন) একটি নতুন যুদ্ধজাহাজ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দেশের নৌবাহিনীকে পরমাণু শক্তিতে শক্তিশালী করার পরিকল্পনা একদম সঠিক পথেই এগোচ্ছে। বুধবার (২৪ জুন) দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সিএই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

চলতি সপ্তাহে শেষ হওয়া ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির এক বৈঠকে কিম জং উন স্পষ্ট করে বলেন, বর্তমান বিশ্বের ক্রমবর্ধমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক শক্তি ক্রমাগত বৃদ্ধি করাই একমাত্র সঠিক উপায়। এর কারণ হিসেবে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র দেশগুলোর কাছ থেকে আসা ক্রমাগত সামরিক হুমকির কথা উল্লেখ করেন। তিনি যুদ্ধজাহাজগুলোকে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সাজানো, উন্নত মানের অস্ত্রের উৎপাদন দ্বিগুণ করা এবং দেশের পারমাণবিক অস্ত্রাগারকে অকল্পনীয় হারে বড় করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

উত্তর কোরিয়া প্রায়শই তাদের সামরিক শক্তি নিয়ে বাড়িয়ে বলে থাকে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন আর উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র আছে কি না তা নিয়ে কোনো সংশয় নেই; বরং প্রশ্ন হলোতাদের এত বিপুলপরিমাণ অস্ত্রের কেন প্রয়োজন হচ্ছে। সিউলের সেজং ইনস্টিটিউটের গবেষণা ফেলো পিটার ওয়ার্ডের মতে, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক শক্তি এখন এতটাই বিশাল এবং চারদিকে ছড়িয়েছিটিয়ে রয়েছে যে, কোনো একক সামরিক হামলায় একে পুরোপুরি ধ্বংস করা অসম্ভব।

চলতি বছরেই উত্তর কোরিয়া তাদের নতুন একটি ৫,০০০ টন ডেস্ট্রয়ার (যুদ্ধজাহাজ) থেকে পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। কিম জং উন আরো ঘোষণা দিয়েছেন যে, আগামী পাঁচ বছর তারা প্রতিবছর আরো দুইটি করে এমন আধুনিক যুদ্ধজাহাজ তৈরি করবে। শত্রুর প্রথম আঘাত প্রতিহত করার জন্য তারা তৈরি করেছে রেল ও সড়কভিত্তিক ভ্রাম্যমাণ লঞ্চার, সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ গোপন সামরিক ঘাঁটি, একটি ক্রমবর্ধমান সাবমেরিন বা ডুবোজাহাজ বহর।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে, বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সুপারকম্পিউটার এখন চীনের হাতে

উত্তর কোরিয়ার নৌবাহিনীকে পারমাণবিক অস্ত্রে সজ্জিত করার ঘোষণা কিম জং উনের

আপডেট সময় ১০:২৪:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

এবার উত্তর কোরিয়ার নৌবাহিনীকে পূর্ণাঙ্গ পারমাণবিক অস্ত্রে সজ্জিত করার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির শীর্ষ নেতা কিম জং উন। মঙ্গলবার (২৩ জুন) একটি নতুন যুদ্ধজাহাজ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দেশের নৌবাহিনীকে পরমাণু শক্তিতে শক্তিশালী করার পরিকল্পনা একদম সঠিক পথেই এগোচ্ছে। বুধবার (২৪ জুন) দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সিএই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

চলতি সপ্তাহে শেষ হওয়া ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির এক বৈঠকে কিম জং উন স্পষ্ট করে বলেন, বর্তমান বিশ্বের ক্রমবর্ধমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মোকাবেলা করতে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক শক্তি ক্রমাগত বৃদ্ধি করাই একমাত্র সঠিক উপায়। এর কারণ হিসেবে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র দেশগুলোর কাছ থেকে আসা ক্রমাগত সামরিক হুমকির কথা উল্লেখ করেন। তিনি যুদ্ধজাহাজগুলোকে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সাজানো, উন্নত মানের অস্ত্রের উৎপাদন দ্বিগুণ করা এবং দেশের পারমাণবিক অস্ত্রাগারকে অকল্পনীয় হারে বড় করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

উত্তর কোরিয়া প্রায়শই তাদের সামরিক শক্তি নিয়ে বাড়িয়ে বলে থাকে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন আর উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র আছে কি না তা নিয়ে কোনো সংশয় নেই; বরং প্রশ্ন হলোতাদের এত বিপুলপরিমাণ অস্ত্রের কেন প্রয়োজন হচ্ছে। সিউলের সেজং ইনস্টিটিউটের গবেষণা ফেলো পিটার ওয়ার্ডের মতে, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক শক্তি এখন এতটাই বিশাল এবং চারদিকে ছড়িয়েছিটিয়ে রয়েছে যে, কোনো একক সামরিক হামলায় একে পুরোপুরি ধ্বংস করা অসম্ভব।

চলতি বছরেই উত্তর কোরিয়া তাদের নতুন একটি ৫,০০০ টন ডেস্ট্রয়ার (যুদ্ধজাহাজ) থেকে পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। কিম জং উন আরো ঘোষণা দিয়েছেন যে, আগামী পাঁচ বছর তারা প্রতিবছর আরো দুইটি করে এমন আধুনিক যুদ্ধজাহাজ তৈরি করবে। শত্রুর প্রথম আঘাত প্রতিহত করার জন্য তারা তৈরি করেছে রেল ও সড়কভিত্তিক ভ্রাম্যমাণ লঞ্চার, সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ গোপন সামরিক ঘাঁটি, একটি ক্রমবর্ধমান সাবমেরিন বা ডুবোজাহাজ বহর।