ঢাকা , শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ভারতকে আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের মুখোমুখি করতেই হবে: নাসীরুদ্দীন ইরানি হামলায় ভয়ে উপসাগরীয় অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটি ইসরায়েলে সরানোর পরিকল্পনা আশুরার দিনে ন্যায়বিচারের জন্য লড়াইয়ের আহ্বান মামদানির প্রধানমন্ত্রীর সফরে মালয়েশিয়া-চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরো দৃঢ় হয়েছে: মির্জা ফখরুল নিজের ছবিসহ নতুন পাসপোর্টের নকশা প্রকাশ করলেন ট্রাম্প ফুটবল বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে দেখতে পাগলা মসজিদের দানবক্সে চিঠি ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করল বুর্কিনা ফাসো প্রধান শিক্ষিকার ব্যাগে মিলল শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত ডিম-রুটি ‘এখন আল্লাহ ছাড়া আমার কেউ নেই’, মা ও তিন বোনের জানাজায় সিফাত লণ্ডভণ্ড ভেনেজুয়েলায় আবারও ভূমিকম্প আঘাত

ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করল বুর্কিনা ফাসো

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৪৩:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

এবার সাবেক ঔপনিবেশিক শাসক ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে বুরকিনা ফাসোর শাসক জান্তা। দেশটি প্যারিসের বিরুদ্ধে তাদের স্বার্থের বিরুদ্ধে ক্রমাগত কাজ করার অভিযোগ তুলেছে। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা ক্যাপ্টেন ইব্রাহিম ত্রাওরের নেতৃত্বাধীন সরকার শুক্রবার (২৬ জুন) থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করার ঘোষণা দেয়। সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়, ফ্রান্স বুর্কিনা ফাসোর বিরুদ্ধেনব্যঔপনিবেশিকনীতি অনুসরণ করছে।

এ ছাড়া দেশটি অভিযোগ করেছে, ফ্রান্স সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে জড়িত নেটওয়ার্ককে সমর্থন দিচ্ছে, যার কারণে বুর্কিনা ফাসো ও সাহেল অঞ্চলে অস্থিরতা বেড়েছে। এর আগে থেকেই সামরিক সরকার সমালোচকদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং ফ্রান্সসহ পশ্চিমা দেশগুলোর প্রতি কঠোর নীতি অনুসরণ করে আসছে। বুর্কিনা ফাসোসহ পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি দেশ গত এক দশক ধরে আলকায়েদা ও দায়েশসংশ্লিষ্ট জঙ্গিগোষ্ঠীর হামলায় ব্যাপক সহিংসতার মুখে রয়েছে।

সরকার জানিয়েছে, ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্তটি শুধুমাত্র দুই দেশের সরকারি ও কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। তবে এর ফলে বুর্কিনা ফাসো ও ফরাসি জনগণের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও মানবিক সম্পর্কের ওপর কোনো প্রভাব পড়বে না। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আফ্রিকার কয়েকটি সাবেক ফরাসি উপনিবেশে ফ্রান্সবিরোধী মনোভাব বেড়েছে।

একই সঙ্গে এই অঞ্চলে রাশিয়া ও চীনের প্রভাবও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফ্রান্স একসময় উত্তর, মধ্য ও পশ্চিম আফ্রিকার বড় অংশ শাসন করত। স্বাধীনতার পরও দেশটি বিভিন্ন সময়ে সামরিক হস্তক্ষেপ এবং রাজনৈতিক প্রভাবের মাধ্যমে ওই অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ফ্রান্স আগেফ্রাঙ্কাফ্রিকনামে পরিচিত নীতির মাধ্যমে ফরাসিভাষী আফ্রিকার দেশগুলোতে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব বজায় রাখার চেষ্টা করত। তবে প্যারিস এখন সেই নীতি থেকে সরে আসার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতকে আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের মুখোমুখি করতেই হবে: নাসীরুদ্দীন

ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করল বুর্কিনা ফাসো

আপডেট সময় ১১:৪৩:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

এবার সাবেক ঔপনিবেশিক শাসক ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে বুরকিনা ফাসোর শাসক জান্তা। দেশটি প্যারিসের বিরুদ্ধে তাদের স্বার্থের বিরুদ্ধে ক্রমাগত কাজ করার অভিযোগ তুলেছে। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা ক্যাপ্টেন ইব্রাহিম ত্রাওরের নেতৃত্বাধীন সরকার শুক্রবার (২৬ জুন) থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করার ঘোষণা দেয়। সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়, ফ্রান্স বুর্কিনা ফাসোর বিরুদ্ধেনব্যঔপনিবেশিকনীতি অনুসরণ করছে।

এ ছাড়া দেশটি অভিযোগ করেছে, ফ্রান্স সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে জড়িত নেটওয়ার্ককে সমর্থন দিচ্ছে, যার কারণে বুর্কিনা ফাসো ও সাহেল অঞ্চলে অস্থিরতা বেড়েছে। এর আগে থেকেই সামরিক সরকার সমালোচকদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং ফ্রান্সসহ পশ্চিমা দেশগুলোর প্রতি কঠোর নীতি অনুসরণ করে আসছে। বুর্কিনা ফাসোসহ পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি দেশ গত এক দশক ধরে আলকায়েদা ও দায়েশসংশ্লিষ্ট জঙ্গিগোষ্ঠীর হামলায় ব্যাপক সহিংসতার মুখে রয়েছে।

সরকার জানিয়েছে, ফ্রান্সের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্তটি শুধুমাত্র দুই দেশের সরকারি ও কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। তবে এর ফলে বুর্কিনা ফাসো ও ফরাসি জনগণের মধ্যে দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও মানবিক সম্পর্কের ওপর কোনো প্রভাব পড়বে না। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আফ্রিকার কয়েকটি সাবেক ফরাসি উপনিবেশে ফ্রান্সবিরোধী মনোভাব বেড়েছে।

একই সঙ্গে এই অঞ্চলে রাশিয়া ও চীনের প্রভাবও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফ্রান্স একসময় উত্তর, মধ্য ও পশ্চিম আফ্রিকার বড় অংশ শাসন করত। স্বাধীনতার পরও দেশটি বিভিন্ন সময়ে সামরিক হস্তক্ষেপ এবং রাজনৈতিক প্রভাবের মাধ্যমে ওই অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ফ্রান্স আগেফ্রাঙ্কাফ্রিকনামে পরিচিত নীতির মাধ্যমে ফরাসিভাষী আফ্রিকার দেশগুলোতে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব বজায় রাখার চেষ্টা করত। তবে প্যারিস এখন সেই নীতি থেকে সরে আসার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।