ঢাকা , রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ঘরজামাই দত্তক নিচ্ছে জাপানের ধনী পরিবারগুলো, আবেদন করতে পারবে বাংলাদেশিরাও ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিমুক্ত করার আহ্বান স্পিকারের যুবদল নেতা নয়নের ‘দাড়িওয়ালাদের আস্তানা’ স্লোগানের প্রতিবাদ জামায়াতের পাকিস্তানের ‘স্বৈরাচারীদের’ রুখে দেওয়ার আহ্বান ইমরান খানের ছেলের বাবার কষ্টের দিন শেষ করার স্বপ্ন, নিয়োগের আগেই থামল সোহানের পথ কেউ চাঁদা চাইলে থানায় সোপর্দ করবেন: ধর্মমন্ত্রী এবার মোহাম্মদপুরে জমি দখলের চেষ্টা, অফিসে হামলা-ভাঙচুর নিরাপত্তা জোরদারে সামরিক সরঞ্জাম নিরাপদ স্থানে সরাল ইরান একতরফা সামরিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে চীন, ফিলিস্তিন ইস্যুতে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের জোরালো আহ্বান বর্তমান সরকার যুবকদের লুটতরাজের জন্য দলীয় ক্যাডার বানাচ্ছে: সাবেক শিবির সভাপতি

‘পিস্তল কেন, মিসাইল রাখলেও কেউ নিরাপদ নই’—সিসিটিভি ফুটেজ বিদেশে পৌঁছানোয় ক্ষুব্ধ উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:৩০:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫
  • ৩৯৮ বার পড়া হয়েছে

বিমানবন্দরে নিজের ব্যাগে গুলির ম্যাগাজিন মেলায় সৃষ্ট বিতর্কের পর ফেসবুকে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। সোমবার (৩০ জুন) সকালের স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, “পিস্তল কেন, মিসাইল সঙ্গে রাখলেও আমি‑আপনি কেউই নিরাপদ নই।”

তার মূল উদ্বেগ—হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সিসিটিভি ফুটেজ মুহূর্তের মধ্যে “বিদেশে অবস্থানরত কারও হাতে” পৌঁছে যাওয়া। আসিফের ভাষায়, এজেন্সির ভেতর থেকেই এসব ফুটেজ পাচার হচ্ছে, যা “রীতিমতো ভয়ংকর” এবং যে‑কোনো দেশি‑বিদেশি সন্ত্রাসী বা গুপ্তচর চক্রের হাতে বাংলাদেশের রিয়েল‑টাইম লোকেশন ও সেনসিটিভ তথ্য তুলে দিতে পারে।

সরকারি পদে থেকেও এমন পরিস্থিতির শিকার হওয়ায় তিনি প্রশ্ন তোলেন, “আমি সরকারে আছি—আমার সঙ্গেই যদি এমন ঘটে, সাধারণ নাগরিকদের অবস্থা কেমন হবে?” এই তথাকথিত “তথ্য সন্ত্রাসীদের” দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবিও করেন তিনি।

স্ট্যাটাসে আসিফ অভিযোগ করেন, যাদের কাজ জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা, তারা বিপুল রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যয় করে এখন নাগরিকদের ওপর নজরদারিতেই ব্যস্ত; চরিত্রহননের জন্য “উদ্ভট ও হাস্যকর” বিষয়কে হাতিয়ার করছে। তার মতে, “গণ‑অভ্যুত্থান” ঘিরে ক্ষমতাসীন মহলের কিছু বক্তব্যের সঙ্গে “হাসিনপুত্রের” বক্তব্যের আর পার্থক্য নেই।

তবে তিনি আশাবাদী—আজকের বাংলাদেশ “পূর্বের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি সচেতন”। আন্দোলনের নেতৃত্বে অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটলে দায়ী কারা, তা জনগণের কাছে স্পষ্ট হয়ে যাবে বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন আসিফ।

এ ঘটনার পর থেকে বিমানবন্দর ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর নিরাপত্তা প্রটোকল, বিশেষ করে সিসিটিভি ডেটা প্রবাহ ও সংরক্ষণব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কর্তৃপক্ষ এখনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না দিলেও অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরুর আভাস মিলেছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ঘরজামাই দত্তক নিচ্ছে জাপানের ধনী পরিবারগুলো, আবেদন করতে পারবে বাংলাদেশিরাও

‘পিস্তল কেন, মিসাইল রাখলেও কেউ নিরাপদ নই’—সিসিটিভি ফুটেজ বিদেশে পৌঁছানোয় ক্ষুব্ধ উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব

আপডেট সময় ০৮:৩০:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

বিমানবন্দরে নিজের ব্যাগে গুলির ম্যাগাজিন মেলায় সৃষ্ট বিতর্কের পর ফেসবুকে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। সোমবার (৩০ জুন) সকালের স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, “পিস্তল কেন, মিসাইল সঙ্গে রাখলেও আমি‑আপনি কেউই নিরাপদ নই।”

তার মূল উদ্বেগ—হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সিসিটিভি ফুটেজ মুহূর্তের মধ্যে “বিদেশে অবস্থানরত কারও হাতে” পৌঁছে যাওয়া। আসিফের ভাষায়, এজেন্সির ভেতর থেকেই এসব ফুটেজ পাচার হচ্ছে, যা “রীতিমতো ভয়ংকর” এবং যে‑কোনো দেশি‑বিদেশি সন্ত্রাসী বা গুপ্তচর চক্রের হাতে বাংলাদেশের রিয়েল‑টাইম লোকেশন ও সেনসিটিভ তথ্য তুলে দিতে পারে।

সরকারি পদে থেকেও এমন পরিস্থিতির শিকার হওয়ায় তিনি প্রশ্ন তোলেন, “আমি সরকারে আছি—আমার সঙ্গেই যদি এমন ঘটে, সাধারণ নাগরিকদের অবস্থা কেমন হবে?” এই তথাকথিত “তথ্য সন্ত্রাসীদের” দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবিও করেন তিনি।

স্ট্যাটাসে আসিফ অভিযোগ করেন, যাদের কাজ জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা, তারা বিপুল রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যয় করে এখন নাগরিকদের ওপর নজরদারিতেই ব্যস্ত; চরিত্রহননের জন্য “উদ্ভট ও হাস্যকর” বিষয়কে হাতিয়ার করছে। তার মতে, “গণ‑অভ্যুত্থান” ঘিরে ক্ষমতাসীন মহলের কিছু বক্তব্যের সঙ্গে “হাসিনপুত্রের” বক্তব্যের আর পার্থক্য নেই।

তবে তিনি আশাবাদী—আজকের বাংলাদেশ “পূর্বের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি সচেতন”। আন্দোলনের নেতৃত্বে অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটলে দায়ী কারা, তা জনগণের কাছে স্পষ্ট হয়ে যাবে বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন আসিফ।

এ ঘটনার পর থেকে বিমানবন্দর ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর নিরাপত্তা প্রটোকল, বিশেষ করে সিসিটিভি ডেটা প্রবাহ ও সংরক্ষণব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কর্তৃপক্ষ এখনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না দিলেও অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরুর আভাস মিলেছে।