ঢাকা , বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আজাদ কাশ্মীরের প্রধানমন্ত্রী হতে চান নওয়াজ শরিফ অমিত শাহ ও ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে ভারতের পার্লামেন্ট উত্তাল নেতানিয়াহুকে ‘স্বাগত নয়’, গ্রেফতার চান মামদানি অবশেষে প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের সর্বোচ্চ কঠোর শাস্তি নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দিলেন মোদি প্রশ্ন ফাঁস ‘ঘোর পাপ’, জড়িতদের কড়া শাস্তির বার্তা মোদির আজও যন্তর মন্তরে জনস্রোত, বিদেশেও ছড়াচ্ছে আন্দোলন বার্গার খেয়েই পদ হারালেন ‘ককরোচ পার্টির’ মুখপাত্র সব বয়সীদের এনআইডির পরিকল্পনা করছে ইসি আবারও মুখোমুখি হচ্ছে স্পেন-আর্জেন্টিনা, কবে কখন শুরু ইউপি চেয়ারম্যানের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে হাইকোর্টের রুল

১৫ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়ায় নিষেধাজ্ঞা ফ্রান্সে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৩৮:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

শিশু-কিশোরদের সুরক্ষায় বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফ্রান্স। ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করে নতুন আইন পাস করেছে দেশটির পার্লামেন্ট। এর মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রথম দেশ হিসেবে এমন পদক্ষেপ নিল ফ্রান্স।

প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ জানিয়েছেন, সাংবিধানিক পরিষদের অনুমোদনের পর আগামী সেপ্টেম্বর থেকেই আইনটি কার্যকর হবে। তিনি বলেন, শিশুদের নিরাপদ রাখতে ইউরোপের জন্য নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে ফ্রান্স।

নতুন আইন অনুযায়ী, ১ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ বছরের কম বয়সীরা নতুন করে কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবে না। আর ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে তাদের আগের অ্যাকাউন্টগুলোও বন্ধ করে দেওয়া হবে।

ফ্রান্সের ডিজিটালবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বয়স যাচাইয়ের প্রযুক্তি ইতোমধ্যে প্রস্তুত। আগামী চার মাসের মধ্যে ব্যবহারকারীদের বয়স যাচাই করা হবে। তবে ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা পুরোপুরি রক্ষা করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে সরকার।

এছাড়া নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকে দেশটির উচ্চবিদ্যালয়গুলোতে মোবাইল ফোন ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞাও কার্যকর করা হবে।

সরকারের এই সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ। ফ্রান্সের জনস্বাস্থ্য সংস্থার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টিকটক, ইনস্টাগ্রাম ও স্ন্যাপচ্যাটের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিশোর-কিশোরীদের, বিশেষ করে মেয়েদের মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

তবে শিক্ষামূলক ওয়েবসাইট ও অনলাইন বিশ্বকোষ এই আইনের বাইরে থাকবে। পাশাপাশি শিশু বা তাদের অভিভাবকদের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তির বিধানও রাখা হয়নি।

অস্ট্রেলিয়ার পর এবার ফ্রান্সও শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে কড়াকড়ি আরোপ করল। এখন ইউরোপের অন্য দেশগুলোও একই পথে হাঁটে কি না, সেদিকেই নজর সবার।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আজাদ কাশ্মীরের প্রধানমন্ত্রী হতে চান নওয়াজ শরিফ

১৫ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়ায় নিষেধাজ্ঞা ফ্রান্সে

আপডেট সময় ১২:৩৮:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

শিশু-কিশোরদের সুরক্ষায় বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফ্রান্স। ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করে নতুন আইন পাস করেছে দেশটির পার্লামেন্ট। এর মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রথম দেশ হিসেবে এমন পদক্ষেপ নিল ফ্রান্স।

প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ জানিয়েছেন, সাংবিধানিক পরিষদের অনুমোদনের পর আগামী সেপ্টেম্বর থেকেই আইনটি কার্যকর হবে। তিনি বলেন, শিশুদের নিরাপদ রাখতে ইউরোপের জন্য নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে ফ্রান্স।

নতুন আইন অনুযায়ী, ১ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ বছরের কম বয়সীরা নতুন করে কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবে না। আর ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে তাদের আগের অ্যাকাউন্টগুলোও বন্ধ করে দেওয়া হবে।

ফ্রান্সের ডিজিটালবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বয়স যাচাইয়ের প্রযুক্তি ইতোমধ্যে প্রস্তুত। আগামী চার মাসের মধ্যে ব্যবহারকারীদের বয়স যাচাই করা হবে। তবে ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা পুরোপুরি রক্ষা করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে সরকার।

এছাড়া নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকে দেশটির উচ্চবিদ্যালয়গুলোতে মোবাইল ফোন ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞাও কার্যকর করা হবে।

সরকারের এই সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ। ফ্রান্সের জনস্বাস্থ্য সংস্থার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টিকটক, ইনস্টাগ্রাম ও স্ন্যাপচ্যাটের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিশোর-কিশোরীদের, বিশেষ করে মেয়েদের মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

তবে শিক্ষামূলক ওয়েবসাইট ও অনলাইন বিশ্বকোষ এই আইনের বাইরে থাকবে। পাশাপাশি শিশু বা তাদের অভিভাবকদের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তির বিধানও রাখা হয়নি।

অস্ট্রেলিয়ার পর এবার ফ্রান্সও শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে কড়াকড়ি আরোপ করল। এখন ইউরোপের অন্য দেশগুলোও একই পথে হাঁটে কি না, সেদিকেই নজর সবার।