ঢাকা , বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে নতুন গ্যাস কূপের খনন কাজ শুরু জিপিএইচ ইস্পাতকে ৫ কোটি টাকা জরিমানা, জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণে ব্যয়ের নির্দেশ জামায়াত নেতার ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা বিধবা নারী, গর্ভে থাকা সন্তানকেও হত্যা আলিফের চোখের দৃষ্টি টোটালি শেষ: চিকিৎসকের বরাতে সার্জিস গাবতলীতে হঠাৎ একই লাইনে মুখোমুখি দুই ট্রেন, প্রাণ বাঁচাতে লাফিয়ে পড়ে ৪ যাত্রী আহত এবার চীন থেকে অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিনছে ইরান আগস্টেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, সব আলোচনা মির্জা ফখরুলকে নিয়েই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই চীনের ক্ষেপণাস্ত্র পাচ্ছে ইরান এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সুযোগের দাবি নিয়ে ইসিতে জামায়াত  অনেকেই ভয় পায়, তাই দেশে ফেরা হচ্ছে না: সাকিব

সরকারি চাকরিতে ‘নারী কোটা’ পুনর্বহালের দাবি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩০:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

এবার সরকারি চাকরিতে নারীদের অংশগ্রহণ কমে যাওয়ার প্রবণতায় উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। সংগঠনটির মতে, নারীদের সমান সুযোগ ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বিশেষ নীতিগত সহায়তার অংশ হিসেবে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে নারী কোটা পুনর্বহাল করা প্রয়োজন। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম ও সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু।

বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) নিয়োগসংক্রান্ত তথ্য ও বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে প্রশাসনে নারীদের প্রতিনিধিত্ব কমে যাওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। বিষয়টিকে উদ্বেগজনক উল্লেখ করে মহিলা পরিষদ বলেছে, এটি কেবল নিয়োগের সংখ্যা কমে যাওয়ার বিষয় নয় বরং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নারী অংশগ্রহণ ও সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ।

সংগঠনটির মতে, দেশে উচ্চশিক্ষায় নারীদের অংশগ্রহণ এখনো কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। পাশাপাশি পারিবারিক দায়িত্বের অসম বণ্টন, সামাজিক বৈষম্য, নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ এবং প্রচলিত নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে নারীরা প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে সমান অবস্থানে পৌঁছাতে পারেন না। এর প্রভাব প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়সহ সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিভিন্ন স্তরেও পড়ছে।

এ পরিস্থিতিতে নারী প্রতিনিধিত্ব বাড়াতে ইতিবাচক বৈষম্য বা বিশেষ সহায়ক ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। সংগঠনটির ভাষ্য, নারীদের জন্য সংরক্ষিত কোটা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি নীতি এবং জাতিসংঘের নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদ (সিডও)-তেও এ ধরনের পদক্ষেপের স্বীকৃতি রয়েছে।

এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের মতে, নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে নারীদের জন্য কোটা পুনর্বহাল করা জরুরি। নারীদের জন্য কোটা বহাল রাখা কেবল অধিকার রক্ষার প্রশ্ন নয়; এটি একটি গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠনেরও পূর্বশর্ত। সরকারি চাকরি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে নারীরা সমান ও ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব অর্জন না করা পর্যন্ত নারীদের জন্য কোটাসহ বিশেষ ইতিবাচক ব্যবস্থা অব্যাহত রাখতে রাষ্ট্র ও সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছে তারা বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীতে নতুন গ্যাস কূপের খনন কাজ শুরু

সরকারি চাকরিতে ‘নারী কোটা’ পুনর্বহালের দাবি

আপডেট সময় ১১:৩০:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

এবার সরকারি চাকরিতে নারীদের অংশগ্রহণ কমে যাওয়ার প্রবণতায় উদ্বেগ জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। সংগঠনটির মতে, নারীদের সমান সুযোগ ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বিশেষ নীতিগত সহায়তার অংশ হিসেবে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে নারী কোটা পুনর্বহাল করা প্রয়োজন। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম ও সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু।

বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) নিয়োগসংক্রান্ত তথ্য ও বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে প্রশাসনে নারীদের প্রতিনিধিত্ব কমে যাওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। বিষয়টিকে উদ্বেগজনক উল্লেখ করে মহিলা পরিষদ বলেছে, এটি কেবল নিয়োগের সংখ্যা কমে যাওয়ার বিষয় নয় বরং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নারী অংশগ্রহণ ও সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ।

সংগঠনটির মতে, দেশে উচ্চশিক্ষায় নারীদের অংশগ্রহণ এখনো কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি। পাশাপাশি পারিবারিক দায়িত্বের অসম বণ্টন, সামাজিক বৈষম্য, নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ এবং প্রচলিত নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে নারীরা প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে সমান অবস্থানে পৌঁছাতে পারেন না। এর প্রভাব প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়সহ সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিভিন্ন স্তরেও পড়ছে।

এ পরিস্থিতিতে নারী প্রতিনিধিত্ব বাড়াতে ইতিবাচক বৈষম্য বা বিশেষ সহায়ক ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। সংগঠনটির ভাষ্য, নারীদের জন্য সংরক্ষিত কোটা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি নীতি এবং জাতিসংঘের নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদ (সিডও)-তেও এ ধরনের পদক্ষেপের স্বীকৃতি রয়েছে।

এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের মতে, নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে নারীদের জন্য কোটা পুনর্বহাল করা জরুরি। নারীদের জন্য কোটা বহাল রাখা কেবল অধিকার রক্ষার প্রশ্ন নয়; এটি একটি গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠনেরও পূর্বশর্ত। সরকারি চাকরি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে নারীরা সমান ও ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব অর্জন না করা পর্যন্ত নারীদের জন্য কোটাসহ বিশেষ ইতিবাচক ব্যবস্থা অব্যাহত রাখতে রাষ্ট্র ও সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছে তারা বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ।