ঢাকা , শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সরকারকেই পরিষ্কার করতে হবে তারা মালয়েশিয়া এজেন্সি সিন্ডিকেটে জড়িত নয়: জামায়াত আমির ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি রাকিবুল ডিবি হেফাজতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকে জামিন না দেওয়ায় জেল সুপারকে শোকজ বিচারকের তারেক রহমানের শুভেচ্ছা পেয়ে ধন্যবাদ জানালেন নরেন্দ্র মোদি জিন্নাহর বাবা মাছ বিক্রেতা ছিলেন: ফজলুর রহমান মাহবুবা হাকিমের হলফনামায় তথ্য গোপন নয়, ‘অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল’ জাকির নায়েকের সঙ্গে আজহারির সাক্ষাৎ, উপহার পেলেন ‘বিশেষ আতর’ আবারও বাড়ল নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম ঢাবির বিজয় একাত্তর হলের ক্লাব রুমের নাম ফলক ভাঙচুর ইরানের সরকার পতন ও হামাস-হিজবুল্লাহকে নির্মূল করব: নেতানিয়াহু

গাজা যুদ্ধের মধ্যেই ইসরায়েলে হাজারো অস্ত্র পাঠিয়েছে ভারত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৫৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ৭৫ বার পড়া হয়েছে

গাজায় চলমান যুদ্ধের মধ্যেই ইসরায়েলে হাজার হাজার অস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সরঞ্জামের চালান পাঠিয়েছে ভারত। এমন দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

‘মেড ইন ইন্ডিয়া: ইসরায়েলে অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহ’ শীর্ষক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানায়, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ভারত থেকে ইসরায়েলে অন্তত ২ হাজার ৫৯৬টি অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের চালান পাঠানো হয়েছে।

অ্যামনেস্টির দাবি, এসব চালানের মধ্যে ছিল মেশিনগানের যন্ত্রাংশ, ১৫৫ মিলিমিটার উচ্চ-বিস্ফোরক কামানের গোলার অংশ, ড্রোনের বিস্ফোরক ওয়ারহেড এবং ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর ব্যবহৃত সাঁজোয়া যানের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারত থেকে প্রায় ৫ লাখ ৬৪ হাজার বিস্ফোরক অস্ত্রের অংশ, ৩ লাখ ৯০ হাজারের বেশি ছোট অস্ত্রের যন্ত্রাংশ এবং সামরিক যান তৈরির জন্য ২৯৮টি যন্ত্রাংশ সরবরাহ করা হয়েছে। অ্যামনেস্টির ভাষ্য, তাদের বিশ্লেষণ ছিল অত্যন্ত সতর্ক। ফলে প্রকৃত সরবরাহের পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে।

সংস্থাটির মহাসচিব অ্যাগনেস ক্যালামার্ড বলেন, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের সতর্কতা সত্ত্বেও ইসরায়েলে অস্ত্র সরবরাহ অব্যাহত রাখা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

তবে অ্যামনেস্টির এই প্রতিবেদনের বিষয়ে ভারত সরকার এখনো কোনো নতুন প্রতিক্রিয়া জানায়নি। এর আগে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর বলেছিলেন, দেশটির অস্ত্র রপ্তানি জাতীয় স্বার্থ এবং আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতার ভিত্তিতেই পরিচালিত হয়।

উল্লেখ্য, গত এক দশকে ভারত ও ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ভারত যেমন ইসরায়েলি অস্ত্রের অন্যতম বড় ক্রেতা, তেমনি দুই দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে প্রতিরক্ষা সরঞ্জামও উৎপাদন করছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারকেই পরিষ্কার করতে হবে তারা মালয়েশিয়া এজেন্সি সিন্ডিকেটে জড়িত নয়: জামায়াত আমির

গাজা যুদ্ধের মধ্যেই ইসরায়েলে হাজারো অস্ত্র পাঠিয়েছে ভারত

আপডেট সময় ১১:৫৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

গাজায় চলমান যুদ্ধের মধ্যেই ইসরায়েলে হাজার হাজার অস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সরঞ্জামের চালান পাঠিয়েছে ভারত। এমন দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

‘মেড ইন ইন্ডিয়া: ইসরায়েলে অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহ’ শীর্ষক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানায়, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ভারত থেকে ইসরায়েলে অন্তত ২ হাজার ৫৯৬টি অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের চালান পাঠানো হয়েছে।

অ্যামনেস্টির দাবি, এসব চালানের মধ্যে ছিল মেশিনগানের যন্ত্রাংশ, ১৫৫ মিলিমিটার উচ্চ-বিস্ফোরক কামানের গোলার অংশ, ড্রোনের বিস্ফোরক ওয়ারহেড এবং ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর ব্যবহৃত সাঁজোয়া যানের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারত থেকে প্রায় ৫ লাখ ৬৪ হাজার বিস্ফোরক অস্ত্রের অংশ, ৩ লাখ ৯০ হাজারের বেশি ছোট অস্ত্রের যন্ত্রাংশ এবং সামরিক যান তৈরির জন্য ২৯৮টি যন্ত্রাংশ সরবরাহ করা হয়েছে। অ্যামনেস্টির ভাষ্য, তাদের বিশ্লেষণ ছিল অত্যন্ত সতর্ক। ফলে প্রকৃত সরবরাহের পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে।

সংস্থাটির মহাসচিব অ্যাগনেস ক্যালামার্ড বলেন, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের সতর্কতা সত্ত্বেও ইসরায়েলে অস্ত্র সরবরাহ অব্যাহত রাখা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

তবে অ্যামনেস্টির এই প্রতিবেদনের বিষয়ে ভারত সরকার এখনো কোনো নতুন প্রতিক্রিয়া জানায়নি। এর আগে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর বলেছিলেন, দেশটির অস্ত্র রপ্তানি জাতীয় স্বার্থ এবং আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতার ভিত্তিতেই পরিচালিত হয়।

উল্লেখ্য, গত এক দশকে ভারত ও ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ভারত যেমন ইসরায়েলি অস্ত্রের অন্যতম বড় ক্রেতা, তেমনি দুই দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে প্রতিরক্ষা সরঞ্জামও উৎপাদন করছে।