গ্রেপ্তার হচ্ছে, আবার জামিনে বেরিয়ে ফিরছে অপরাধে। তাই শত শত অভিযান আর হাজারো গ্রেপ্তারের পরও রাজধানীর মোহাম্মদপুরে কমছে না সন্ত্রাস।
গত ছয় মাসে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা, ছিনতাই, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে ৫৩০টি মামলা হয়েছে। এসব ঘটনায় কয়েক হাজার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ, আর র্যাব গ্রেপ্তার করেছে আরও ৪১২ জনকে। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, অনেকেই জামিনে মুক্ত হয়ে আবার একই ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে।
এ সময়ে আলোচিত কয়েকটি ঘটনার মধ্যে রয়েছে এলেক্স গ্রুপের প্রধান ইমন হত্যা, ঈদের পর দুই নারীকে ছিনতাই এবং চার রাস্তা মোড়ে ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট।
র্যাব বলছে, ছিনতাইকারী, কিশোর গ্যাং ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলা নিষ্পত্তি এবং বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত জামিন সীমিত করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
অন্যদিকে, ডিএমপি জানিয়েছে, অধিকাংশ ঘটনার রহস্য উদঘাটন, আসামি গ্রেপ্তার এবং বিচারিক প্রক্রিয়ায় নেওয়ার কাজ অব্যাহত রয়েছে।
তবে অপরাধবিজ্ঞানীরা মনে করছেন, শুধু গ্রেপ্তার করলেই হবে না। সন্ত্রাসীদের যাঁরা আশ্রয়-প্রশ্রয় দেন এবং জামিনে বের হতে সহায়তা করেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। তাদের মতে, রাজনৈতিক সদিচ্ছা, দ্রুত বিচার এবং মাদকের বিস্তার রোধ—এই তিনটি বিষয় নিশ্চিত করা গেলে মোহাম্মদপুরে সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট 
























