ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ফেসবুকে গালিগালাজ নিয়ন্ত্রণে আইন করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী ‘মাননীয়’ বাদ, অনলাইন হাজিরা: নিজ দপ্তর থেকেই নিয়ম মানার দৃষ্টান্ত প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দিলেন আফরোজা আব্বাস ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে ড. ইউনূসকে: হাইকোর্ট পাকা ঘর নির্মাণ করা হলো না, দাদা-দাদির পাশে চিরনিদ্রায় পিয়াস সৌদি থেকে ফিরেই ঠাকুরগাঁও যাবেন হিরো আলম, শুরু করবেন নির্বাচনী প্রস্তুতি  মায়ের মৃত্যুতে ৫ ঘণ্টার জন্য মুক্তি পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী সম্পত্তি হস্তান্তর আইন বাতিল না করলে সব বিভাগীয় শহরে সমাবেশ-বিক্ষোভ শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্যের সঙ্গে ভারত সরকারের সম্পৃক্ততা নেই: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা

কঙ্গোতে ইবোলা ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাণঘাতী রূপ নেওয়ার পথে: ডব্লিউএইচও

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৪৬:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ৬১ বার পড়া হয়েছে

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব দ্য কঙ্গোতে ইবোলার নতুন প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে এটি ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ ইবোলা মহামারিতে পরিণত হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা—ডব্লিউএইচও।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে ডব্লিউএইচওর বরাতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস জানিয়েছেন, বর্তমান সংক্রমণের গতি অব্যাহত থাকলে এবারের প্রাদুর্ভাব ২০১৪ থেকে ২০১৬ সালের পশ্চিম আফ্রিকার ভয়াবহ ইবোলা মহামারিকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। ওই মহামারিতে ১১ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

পূর্ব কঙ্গোতে ছড়িয়ে পড়া এবারের প্রাদুর্ভাবে ইতোমধ্যে ৪ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এবং মৃত্যু হয়েছে ২ হাজারের বেশি মানুষের। এটিকে ইতিহাসের দ্রুততম ছড়িয়ে পড়া ইবোলা প্রাদুর্ভাবগুলোর একটি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

গত ১৫ মে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রাদুর্ভাবের ঘোষণা দেওয়া হলেও জিনগত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকেই ভাইরাসটির বিস্তার শুরু হয়। এবারের সংক্রমণের জন্য দায়ী বিরল ‘বুন্দিবুগিও’ ধরনের ইবোলা। এ ধরনের ভাইরাসের বিরুদ্ধে এখনো কোনো অনুমোদিত টিকা বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই।

পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে পূর্ব কঙ্গোর সশস্ত্র সংঘাত। দক্ষিণ সুদান, উগান্ডা ও রুয়ান্ডা সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকাগুলোতে সংঘাতের কারণে স্বাস্থ্যকর্মীদের পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে অনেক সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঘটনাই নজরদারির বাইরে থেকে যাচ্ছে।

এর সঙ্গে দুর্বল অবকাঠামো, চিকিৎসাসামগ্রীর সংকট, বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিস্তার এবং বকেয়া বেতনের দাবিতে স্বাস্থ্যকর্মীদের ধর্মঘট পরিস্থিতিকে আরও সংকটময় করে তুলেছে।

ডব্লিউএইচওর স্বাস্থ্য জরুরি সতর্কতা ও সাড়াদান কার্যক্রমের পরিচালক ড. আবদিরাহমান মাহামুদ জানান, মাঝারি পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী ছয় মাসের মধ্যে প্রাদুর্ভাবটি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। তবে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে এটি ৯ থেকে ১২ মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

সূত্র: আল জাজিরা

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেসবুকে গালিগালাজ নিয়ন্ত্রণে আইন করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

কঙ্গোতে ইবোলা ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাণঘাতী রূপ নেওয়ার পথে: ডব্লিউএইচও

আপডেট সময় ১২:৪৬:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব দ্য কঙ্গোতে ইবোলার নতুন প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে এটি ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ ইবোলা মহামারিতে পরিণত হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা—ডব্লিউএইচও।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে ডব্লিউএইচওর বরাতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস জানিয়েছেন, বর্তমান সংক্রমণের গতি অব্যাহত থাকলে এবারের প্রাদুর্ভাব ২০১৪ থেকে ২০১৬ সালের পশ্চিম আফ্রিকার ভয়াবহ ইবোলা মহামারিকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। ওই মহামারিতে ১১ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

পূর্ব কঙ্গোতে ছড়িয়ে পড়া এবারের প্রাদুর্ভাবে ইতোমধ্যে ৪ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এবং মৃত্যু হয়েছে ২ হাজারের বেশি মানুষের। এটিকে ইতিহাসের দ্রুততম ছড়িয়ে পড়া ইবোলা প্রাদুর্ভাবগুলোর একটি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

গত ১৫ মে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রাদুর্ভাবের ঘোষণা দেওয়া হলেও জিনগত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকেই ভাইরাসটির বিস্তার শুরু হয়। এবারের সংক্রমণের জন্য দায়ী বিরল ‘বুন্দিবুগিও’ ধরনের ইবোলা। এ ধরনের ভাইরাসের বিরুদ্ধে এখনো কোনো অনুমোদিত টিকা বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই।

পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে পূর্ব কঙ্গোর সশস্ত্র সংঘাত। দক্ষিণ সুদান, উগান্ডা ও রুয়ান্ডা সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকাগুলোতে সংঘাতের কারণে স্বাস্থ্যকর্মীদের পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে অনেক সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঘটনাই নজরদারির বাইরে থেকে যাচ্ছে।

এর সঙ্গে দুর্বল অবকাঠামো, চিকিৎসাসামগ্রীর সংকট, বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিস্তার এবং বকেয়া বেতনের দাবিতে স্বাস্থ্যকর্মীদের ধর্মঘট পরিস্থিতিকে আরও সংকটময় করে তুলেছে।

ডব্লিউএইচওর স্বাস্থ্য জরুরি সতর্কতা ও সাড়াদান কার্যক্রমের পরিচালক ড. আবদিরাহমান মাহামুদ জানান, মাঝারি পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী ছয় মাসের মধ্যে প্রাদুর্ভাবটি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। তবে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে এটি ৯ থেকে ১২ মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

সূত্র: আল জাজিরা